
হোটেল সারিনা ঢাকার ১০ দিনের স্ট্রিটফুড উৎসবেে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সব জিবে জল আনা পদগুলো চেখে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ঢাকার রসনাপ্রিয়রা। প্রতিদিন এই তালিকায় থাকছে ১২০ ধরনের পদ। এই উৎসব শুরু হয়েছে ৯ আগস্ট। চলবে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ থেকে ১০টা ৩০ পর্যন্ত নগরীর ভোজনরসিকেরা উপভোগ করতে পারবেন বৈচিত্র্যময় সব খাবার তাঁদের সামারফিল্ড আর অমৃত রেস্তোরাঁয়।

এই আয়োজনে রয়েছে ভারতীয়, শ্রীলঙ্কান, মেক্সিকান, চীনা, জাপানি, মরোক্কান ও মধ্যপ্রাচ্যের পথখাবারের সমারোহ। সচরাচর বাংলাদেশের রেস্তোরাঁগুলোয় পাওয়া যায় না, এমন সব পদ আছে এই আয়োজনে। ফলে এমন সব ব্যঞ্জনের স্বাদ উপভোগের অপূর্ব সুযোগ করে দিয়েছে এই উৎসব।
এই উৎসবকে আবার সাজানো হয়েছে বেশ কয়েকটি কর্নারে। আর সেখানে রয়েছে বিশেষ বিশেষ পদ। এই যেমন সারিনা চাট ঘরে মিলবে গোলগাপ্পে, পাপড়ি চাট, বিহারি ঝালমুড়ি, পালক পাতা আর খাস্তা ভুট্টে চাট। অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রিট ফুড বাজার থেকে বেছে নেওয়া যাবে কর্ন চাউডার, পম্মেস পার্মিয়েন্টার, প্যানসিয়ারড ফিশ, স্টাফড চিকেন রুলে, স্যাফরন ফিউমে, ভেজিটেবল আ গ্রাট্যান। ইন্ডিয়ান স্ট্রিট স্পাইস ট্রেলে ঢুঁ মারতে পারেন মুর্গ দম বিরিয়ানি, অজবানি মাহি টিক্কা, ইডলি সাম্বার, মাটন ভুনার জন্য।

এশিয়ান স্ট্রিট ডিলাইটসে আছে স্যামন মাকি, কাপ্পা মাকি, কানিকামা মাকি, টেম্পুরা অ্যাসপারাগাস মাকি, ইডিয়াপ্যাম, এগ হপ্পার, কোট্টু, পিট্টু, ভেজিটেবল টেম্পুরা, গোয়ি কুনন, চিকেন সাতে ইত্যাদি। টেক্স-মেক্স ফিয়েস্তায় নাচোসের সঙ্গে সালসা আর সাওয়ার ক্রিম যেমন আছে, তেমনি আছে চয়েস অব হট ডগ, চয়েস অব টেক্সাস স্লাইডার। অ্যারাবিয়ান নাইটস ডিলাইটসে হামাস, মৌতাবালা, তাজিকি, কুসকুস চেখে দেখা যেতে পারে। সিজলিং কেবাব গ্যালোর সেজেছে কাবাবের সমারোহে। পাওয়া যাবে মরোক্কান কেফতা কেবাব, জুজেহ কেবাব, মাটন কোফতা, বিফ শামি কেবাব, চিকেন জালি কেবাব।
আর শেষ পাতে মিষ্টিমুখ হবে না তা তো আর হয় না। তাই মিষ্টান্নভান্ডার সাজানো হয়েছে বাসবুসা, ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস পুডিং, উম আলি, লাকাইমাত, দেল্লি সিক্স কি কুলফি, ফ্রায়েড বানানা, চকলেট পুডিং, ফ্রেশ ফ্রুট প্যারাডাইসসহ নানা মিষ্টিতে। শতাধিক পদে কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার এখানেই শেষ নয়; বরং আরও রয়েছে আনলিমিটেড পেপসি আর আইসক্রিম।

হোটেল সারিনা ঢাকার একজিকিউটিভ শেফ মোহকাম সিংয়ের বিশেষ কিউরেশনেই বাছাই করা হয়েছে এই উৎসবের সব পদ। স্বাদ আর বৈচিত্র্য তাই প্রাধান্য পেয়েছে উৎসবে। তাঁর বিশেষত্বই হলো মাল্টি কুজিন ও ইন্ডিয়ান ফিউশন ফুড। তিনি কাজ করেছেন ভারতের নানা শহরের নামকরা সব রেস্তোরাঁয়। অভিজ্ঞতা আছে আরব আমিরাত আর মালদ্বীপেও হেঁশেল সামলানোর।

বিশ্বের নানা দেশের পথখাবারের সমারোহে সাজানো এই উৎসব নগরীর রসনানুরাগীদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন বলেই তাঁর বিশ্বাস। এই উৎসবে পাঁচ হাজার টাকার স্পেশাল বুফে অফারে থাকছে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। তবে নির্ধারিত কিছু ব্যাংক কার্ডে ৬ হাজার ৫০০ টাকায় মিলবে বাই ওয়ান গেট ২ ফ্রি অফার। এই উৎসবের বেভারেজ পার্টনার পেপসি।
ছবি: হোটেল সারিনা ঢাকা