
আমরা যারা ঢাকায় থাকি, তারা চাই সপ্তাহান্তে বা ছোট ছুটিতে খুব বেশি সময় বা খরচ ছাড়াই কোথাও ঘুরে আসতে। সেটা শহরের কাছাকাছি হলে তো দারুণ হয়। এমন কিছু রিসোর্ট বা পার্কে যেখানে আমরা প্রকৃতি, আরাম এবং আনন্দ একসঙ্গে উপভোগ করতে পারি। হোক সেটা এক দিনের ভ্রমণ বা রাত কাটানোর জন্য নাইট স্টে—এই ছোট্ট সময়েও শরীর-মন উভয়ই শিথিল হয়। ঢাকার খুব কাছের এমন ছয়টি নান্দনিক ও মুগ্ধকর রিসোর্টের খুঁটিনাটি কথা জানালো হলো; যাতে আগামী যেকোনো ছুটিতে আপনারাও সহজেই পরিকল্পনা করে ঘুরে আসতে পারেন। তাহলে শহরের কোলাহল থেকে মিলবে একমুঠো স্বস্তি।

নিউ পূর্বাচলে অবস্থিত সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য দারুণ গন্তব্য। মাত্র ১০০ টাকার এন্ট্রি ফি দিয়ে বিশাল এলাকায় ছড়িয়ে থাকা ফুলের বাগান, সবুজ গাছপালা, ফোয়ারা, বড় সুইমিংপুল এবং খোলা মাঠ উপভোগ করতে পারবেন, যা মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। বাচ্চাদের জন্য রয়েছে আলাদা প্লে জোন এবং নানা ধরনের রাইড, আর বড়দের জন্য রেস্টুরেন্ট, ক্যানটিন এবং ছবি তোলার চমৎকার স্পট। এখানে আগে থেকে বুকিং দিয়ে রিইউনিয়ন, বার্থডে পার্টি বা অন্যান্য পারিবারিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব। চাইলে রাত কাটানোর জন্য আরামদায়ক রিসোর্ট সুবিধাও পাওয়া যায়। সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনে ছোট পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে আসতে সি শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট, পূর্বাচল হতে পারে এক চমৎকার অভিজ্ঞতা।
লোকেশন: নিউ পূর্বাচল, ৩০০ ফিট রোডসংলগ্ন, ঢাকা।
www.facebook.com/SeaShellParknResort/photos

শহরের কোলাহল ও ব্যস্ততা থেকে দূরে, শীতের কুয়াশাভরা সকাল আর সবুজে মোড়া গ্রামীণ অনুভূতি পেতে চাইলে ছায়াতল রিসোর্ট চমৎকার গন্তব্য। ঢাকার একেবারে কাছেই, মাত্র ৩০ মিনিটের দূরত্বে, টঙ্গি খালের ধারে অবস্থিত এই রিসোর্টে রয়েছে খোলামেলা রেস্টুরেন্ট, বাঙালি রান্নার আসল স্বাদ, দোলনা, সবুজ পরিবেশ এবং প্রশান্ত বাতাস। এখানে উপভোগ করতে পারবেন সকালের নাশতা, দুপুরের লাঞ্চ, বিকেলের আড্ডা বা আরামদায়ক ডে-ট্রিপ ও নাইট-স্টে। পরিবার, বন্ধু বা প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ছায়াতল সত্যিই এক শান্ত, নিরিবিলি এবং মনভরানো অভিজ্ঞতা দেবে আপনাকে।
লোকেশন: প্লট ৮, রোড ৩০১/কে, সেক্টর ১৭, পূর্বাচল, নিউ টাউন, ঢাকা।
www.facebook.com/chayatol.purbachal
ঢাকার কোলাহল আর ব্যস্ততার মধ্যেই এমন একটি জায়গা আছে, যেখানে গেলে মনে হবে আপনি শহর থেকে বহু দূরের কোনো সবুজ গ্রামে চলে এসেছেন। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের পাশে, ২৮ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত এই রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট মূলত পরিবারবান্ধব প্রকৃতিভিত্তিক ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চারের জন্য পরিচিত। এখানে একদিকে যেমন রয়েছে শান্ত, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ, অন্যদিকে আছে সুস্বাদু খাবার, আড্ডা, অ্যাডভেঞ্চার ও আরামদায়ক থাকার সুবিধা।

কুড়িল বিশ্বরোড থেকে পূর্বাচল হাইওয়ে হয়ে এই জায়গার দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। রাস্তা ভালো হওয়ায় প্রাইভেট গাড়িতে যেতে সময় লাগে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট। যাঁরা গণপরিবহনে যেতে চান, তাঁরা কুড়িল থেকে বিআরটিসি বাস বা অটো করে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত এসে সেখান থেকে আরেকটি অটো নিয়ে সহজেই পৌঁছাতে পারবেন। পুরো যাতায়াতের খরচ আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পড়ে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে লোকেশন আগে দেখে নিলে পৌঁছানো আরও সহজ হয়।
এই রিসোর্টটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর প্রাকৃতিক পরিবেশ। চারপাশে সবুজ গাছপালা, খোলা জায়গা আর শান্ত আবহ এমন যে এখানে এলে মনে হবে ঢাকা থেকে প্রায় কয়েক শ কিলোমিটার দূরের কোনো গ্রামে চলে এসেছেন। এখানে প্রবেশ করতে আলাদা কোনো এন্ট্রি ফি লাগে না; রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার অর্ডার করলেই পুরো জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মেলে। পরিবার নিয়ে ডে লং আড্ডা, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, প্রকৃতির মাঝে হাঁটাহাঁটি কিংবা হালকা অ্যাডভেঞ্চার—সবই করা সম্ভব।
রিসোর্টে আছে ক্যাম্পিং ও বিভিন্ন আউটডোর অ্যাকটিভিটি, যা আলাদা সার্ভিস হিসেবে নেওয়া যায়। রাত কাটানোর জন্য রয়েছে পরিবেশবান্ধব, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কটেজ। টুইন ইকো কটেজে দুটি সেমি ডাবল বেড রয়েছে, যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে চারজন থাকতে পারেন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত নাইট স্টের প্যাকেজের মূল্য ৬ হাজার ৯৯০ টাকা, যেখানে দুজনের জন্য রাতের খাবার ও সকালের নাশতা অন্তর্ভুক্ত।
পরিবারের জন্য ফ্যামিলি ইকো কটেজে একটি ডাবল বেড এবং একটি সিঙ্গেল বেড রয়েছে, তিনজন থাকার উপযোগী। এর নাইট স্টে প্যাকেজের মূল্য ৭ হাজার ৯৯০ টাকা, যেখানে দুজনের জন্য ডিনার ও ব্রেকফাস্ট অন্তর্ভুক্ত। কটেজগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম, ২৪ ঘণ্টার জেনারেটর ব্যাকআপ এবং নিরাপত্তার জন্য গার্ডের ব্যবস্থা আছে। পুরো জায়গাটি কাঁটাতারের বাউন্ডারি ফেন্স দিয়ে ঘেরা, ফলে পরিবার নিয়ে থাকলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত।
অল্প সময়ের জন্য যাঁরা যেতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে তিন ঘণ্টার প্যাকেজ, জনপ্রতি ৮৯০ টাকায়, যেখানে প্রবেশ ও নির্বাচিত সেট মেনু থেকে একটি পূর্ণ খাবার অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন আউটডোর অ্যাডভেঞ্চার যেমন জিপ লাইনিং, রক ক্লাইম্বিং ইত্যাদিতেও অংশ নেওয়া যায়। গ্রুপ ডেলং প্যাকেজের খরচ আজ থেকে ৩ হাজার টাকা, যেখানে আগের সব সুবিধা অন্তর্ভুক্ত। ফ্যামিলি ডেলং প্যাকেজের খরচ ৫ হাজার ৯০০ থেকে ৬ হাজার ৯০০ টাকা—সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রাইভেট এসি কটেজ এবং তিনবেলা খাবারের সুবিধাসহ। নাইট স্টে প্যাকেজের খরচ ৭ হাজার থেকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা, যেখানে রাতের খাবার, সকালের নাশতা এবং লাঞ্চ অন্তর্ভুক্ত।
সব মিলিয়ে প্রকৃতি, খাবার, আনন্দ এবং আরামের এক সুন্দর সমন্বয় এই রিসোর্ট। ঢাকার কাছেই, অল্প সময়ে ঘুরে আসার মতো, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে স্মরণীয় সময় কাটানোর জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার গন্তব্য।
www.facebook.com/thespotnatureretreat
ঢাকার ব্যস্ততা থেকে অল্প সময়ের জন্য বেরিয়ে প্রকৃতি, খাবার আর আরামের স্বাদ নিতে চাইলে কৃষিবাড়ি স্টেটস, আমিন বাজার, ঢাকা হতে পারে একটি গন্তব্য। শহরের খুব কাছেই অবস্থিত এই রিসোর্টে ঢুকলেই মনে হয় যেন ঢাকার বাইরে, সবুজে ঘেরা কোনো সাজানো গ্রামে চলে এসেছেন। ইউরোপীয় ধাঁচে পরিকল্পিত বাগান, খোলা জায়গা, পুকুর আর শান্ত পরিবেশ মিলিয়ে জায়গাটি চোখ ও মন দুটোই জুড়িয়ে দেয়।
রিসোর্টের ভেতরে থাকা অমৃত রেস্টুরেন্টের বিশেষত্ব হলো খামার থেকে সরাসরি টেবিলে খাবার পরিবেশনের ধারণা। এখানে খেতে চাইলে রিসোর্টে থাকা বাধ্যতামূলক নয়, যে কেউ আলাদা করেও রেস্টুরেন্টে এসে খাবার উপভোগ করতে পারেন। আবার বড় দল নিয়ে এলে পিকনিক বা বুফে আয়োজনের সুবিধাও রয়েছে। খাবারের মেনুতে বাঙালি স্বাদের পাশাপাশি রয়েছে পরিমিত ও ঘরোয়া রান্নার ছোঁয়া, যা স্বাদ ও পরিমাণ—দুই দিক থেকেই সন্তুষ্ট করে।

ডে লং প্যাকেজের মূল্য জনপ্রতি ১ হাজার ৮৫০ টাকা। এতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পুরো দিনের খাবার অন্তর্ভুক্ত থাকে সকালের নাশতা, দুপুরের ভরপেট খাবার ও বিকেলের নাশতা। দিনের বাকি সময়টুকু কাটে রিসোর্টের ভেতর ঘোরাঘুরি, বাগানে হাঁটা, পুকুরপাড়ে বসে সময় কাটানো কিংবা পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়। শিশু ও বড়দের জন্য আলাদা খেলার জায়গা থাকায় এটি পরিবার নিয়ে যাওয়ার জন্যও বেশ উপযোগী। যারা একদিনে ফিরে যেতে চান না, তাঁদের জন্য এখানে রয়েছে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষ ও বিভিন্ন ধরনের ভিলা। বিশেষ আকর্ষণ হলো জাকুজি সুবিধাসহ ভিলা, যেখানে তিনবেলার খাবারসহ আরামদায়ক রাত কাটানোর ব্যবস্থা রয়েছে। রিসোর্টে থাকা অতিথিদের জন্য সুইমিংপুল ব্যবহারের সুযোগ আছে, আর ডে লং প্যাকেজে আসা অতিথিরাও নির্দিষ্ট শর্তে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে পুল ব্যবহার করতে পারেন। সব মিলিয়ে কৃষিবাড়ি স্টেটস, আমিন বাজার, ঢাকা শুধু একটি রিসোর্ট নয়, বরং এটি খাবার, প্রকৃতি আর অবসরযাপনের এক সমন্বিত অভিজ্ঞতা। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে এক দিনের ছুটি বা ছোট্ট অবকাশ কাটাতে ঢাকার কাছেই এটি হয়ে উঠতে পারে একটি দারুণ গন্তব্য।
www.facebook.com/krishibari.estates
ঢাকার কাছেই অবস্থিত পূর্বাচল নিঝুমপল্লী রিসোর্ট এক অনন্য স্থান, যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর কৃত্রিম নির্মাণের সমন্বয় লক্ষ করা যায়। রিসোর্টে প্রবেশের জন্য এন্ট্রি ফি মাত্র ১০০ টাকা। এই ফির বিনিময়ে সারা দিন ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে। চাইলে ৩০০ টাকায় সুইমিংপুলের মজা উপভোগ করতে পারবেন, আর ৪০০–৫০০ টাকায় রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ বা ডিনার করা সম্ভব। ডে লং প্যাকেজে রুম বা কটেজ ছাড়া ১০০০ টাকায় পুরো দিন কাটানো যায়। কটেজ বা রুমসহ ডে লং প্যাকেজের মূল্য ৫০০০ টাকা। রিসোর্টে নাইট স্টে প্যাকেজের জন্য ডিলাক্স এসি রুম বা ফ্যামিলি ডিলাক্স রুম রয়েছে। দুজনের জন্য ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারসহ এর খরচ ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা। এই প্যাকেজে সুইমিং, বোটিং ও ফিশিং ফ্রি। যদি শুধু বোটিং বা ফিশিং করতে চান, তবে ১৫ মিনিটের জন্য বোটিং ফি ১০০ টাকা এবং ধরা মাছের জন্য আলাদা পেমেন্ট দিতে হয়।

রিসোর্টটি পূর্বাচল বাণিজ্য মেলার ঠিক পেছনে অবস্থিত এবং কুড়িল বিশ্বরোড থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। কুড়িল থেকে অটো বা বিআরটিসি বাসে কাঞ্চন ব্রিজের আগে নামার পর আলাদা করে অটোতে রিসোর্টে পৌঁছানো যায়, যার খরচ প্রায় ৬০–৮০ টাকা। রিসোর্টে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক, করপোরেট ইভেন্ট বা বিশেষ আয়োজনের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। লাইভ বারবিকিউর ও অন্যান্য সুবিধা আছে, যা দিন-রাতের জন্য পুরো অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় করে তোলে। ঢাকার খুব কাছেই, সবুজে ঘেরা, শান্ত পরিবেশে আরামদায়ক এবং মজাদার দিন কাটাতে পূর্বাচল নিঝুমপল্লী রিসোর্ট সত্যিই আদর্শ গন্তব্য।
www.facebook.com/groups/1121964339427612
বসুন্ধরা ও পূর্বাচলের শান্ত এলাকায় অবস্থিত এই চার বেডরুমের বাংলো আপনাকে শহরের কাছেই নিঃশব্দ শান্তি এবং বিলাসিতার এক দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা দেবে আপনাকে। বিমানবন্দর থেকে মাত্র ১০ মিনিটের দূরত্বে, আর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিং মল, যমুনা ফিউচার পার্কও মাত্র ১০ মিনিটের গাড়ির দূরত্বে। চাইলে শপিং, খাবার বা বিনোদন—সবকিছুই সহজেই উপভোগ করা যায়। পাশে থাকা প্রাকৃতিক লেক ও নদীতে প্রাইভেট বোট ভাড়া করে শান্ত ক্রুজ বা সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়।

বাংলোর চারটি ঘরই সুইমিংপুলের সঙ্গে সংযুক্ত, যার মধ্যে একটি ৪৫০ বর্গফুটের ঘর পুলের ওপেন ভিউ দেয়। পুলে ডুব দিতে বা পুল সাইডে বসে সময় কাটাতে পারবেন দারুণ প্রশান্তিতে। এ ছাড়া ছোট্ট বাগান, বারবিকিউ স্টেশন, পুল টেবিল ও দুটি প্রশস্ত লিভিং এরিয়া আছে। ডাইনিং এরিয়া এবং সম্পূর্ণ সুসজ্জিত কিচেন থেকে চাইলে নিজেই রান্নার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। পরিবার, বন্ধু বা জুটির সঙ্গে একটি আরামদায়ক, শান্তিপূর্ণ এবং বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার জন্য দ্য কোজি নেস্ট হয়ে উঠতে পারে ঢাকার একদম কাছের এক আদর্শ রিসোর্ট। সকালে কফি নিয়ে পুলের দিকে তাকিয়ে দিনের শুরু করা বা সন্ধ্যায় নদী পাড়ে হেঁটে আসার অভিজ্ঞতা এই শীতে নিঃসন্দেহে ভালো লাগবে আপনার।
www.facebook.com/profile.php?id=61552969290808