
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়ালেও কেন যেন এর আগে যাওয়া হয়নি আমাদের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে। আবার কথায় বলে, যেকোনো নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতিই মানুষের আকর্ষণটা বেশি থাকে। দীর্ঘ ১০ মাস পর্যটনের লীলাভূমি নারিকেল জিঞ্জিরায় যাওয়া বন্ধ ছিল। এ কথা তো সবাই জানি আমরা যে একসময় বন্দীদের নির্বাসনে পাঠানো হতো এই নির্জন আর নারকেল গাছে ভরা দ্বীপে। সেখান থেকেই এর নাম হয়েছে নারিকেল জিঞ্জিরা। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। কিন্তু রাত যাপনের ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকেরা যেতে উৎসাহিত হননি। জাহাজও চলাচল করেনি। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি দুই মাস রাত যাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। অদম্য আকর্ষণ আর আটকে রাখা গেল না। ছুটির ভ্রমণগন্তব্য ঠিক করতে আর দু'বার ভাবতেও হলো না। নিজের চোখে দেখতে না গিয়ে পারলাম না এই প্রবাল দ্বীপের অপার্থিব সৌন্দর্য। আর গিয়ে যা দেখলাম, তা আসলে না ভাষায় বর্ণনা করা যায়, না ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা যায়! তবুও ইচ্ছে করল সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সেন্ট মার্টিনের সম্মোহনী সুন্দর ছবির গল্প। ছবি: লেখক









