

ডার্ক চকলেটের মূল উপাদান কোকো। এতে রয়েছে ফ্ল্যাভানল নামের এক ধরনের ফেনলিক যৌগ, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। গবেষণা বলছে এই উপাদান,
* হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়
* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
* প্রদাহ কমায়
* ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে
এমনকি কোকো স্নায়ুতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয় এবং বয়সের ছাপ ধীরে আনে।

কোকো ও আমাদের অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ সম্পর্ক। কোকো ফ্ল্যাভানল ল্যাক্টোবাসিলাস ও বিফিডোব্যাকটেরিয়াম-এর মতো উপকারী জীবাণু বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হজম শক্তি বাড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত হয় এবং সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

কোকো বিনে থাকে-
* আঁশ: ২৬-৪০%
* প্রোটিন: ১৫-২০%
* চর্বি: ১০-২৪%
* খনিজ: ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, কপার
* ভিটামিন: এ, বি ও ই
* মিথাইলজ্যানথিনস: থিওব্রোমিন ও ক্যাফেইন
* ফ্ল্যাভোনয়েড: এপিক্যাটেচিন, ক্যাটেচিন, প্রোসায়ানিডিনসহ আরও নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
এই উপাদানগুলো কোষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় এবং দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।

ডার্ক চকলেট বেছে নেওয়ার সময় খেয়াল রাখুন যেন সেটি উচ্চমানের কোকো সমৃদ্ধ, কম চিনি ও কৃত্রিম উপাদানমুক্ত হয়। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ (প্রায় ২০-২৫ গ্রাম) খেলেই এটি-
* মিষ্টির চাহিদা মেটাবে
* মনকে প্রশান্ত করবে
* হৃদ্যন্ত্র ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করবে
ডার্ক চকলেট তাই কেবল বিলাসিতা নয়, বরং প্রকৃতির উপহার। পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি একাধারে মিষ্টি আনন্দ ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার চাবিকাঠি।
সূত্র: সাইন্স ডিরেক্ট
ছবি: পেকজেলসডটকম ও ফ্রি পিক