
বন্দর নগরীর বৃহত্তম হাসপাতাল, এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম, বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৩ পালন উপলক্ষে হৃদ্রোগ বিষয়ে সচেতনতামূলক স্বাস্থ্য আলোচনা এবং র্যালির আয়োজন করেছে। ‘হৃদয় দিয়ে হৃদয়কে জানুন’—এবারের হার্ট দিবসের এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
এ ছাড়া বক্তারা মতামত ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। বক্তারা হৃদ্রোগের প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। হৃদ্রোগ ও কার্ডিওভাসকুলার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
হৃদ্রোগ বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. শেখ মো. হাসান মামুন বলেন, ‘হৃদরোগ একটি নীরব ঘাতক এবং এর ঝুঁকির কারণ ও লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের ঝুঁকি কমাতে পারি।’

হৃদ্রোগ বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জহিরুদ্দিন মাহমুদ ইলিয়াস বলেন, ‘আমাদের হৃৎস্বাস্থ্য সম্পর্কে জানা এবং নিয়মিত চেকআপ করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করতে পারলে আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও পেতে পারি এবং গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধ করতে পারি।’
হৃদ্রোগ বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. তারিক বিন আবদুর রশিদ বলেন, হৃদ্রোগ একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং ধূমপান ত্যাগ করার মতো জীবনধারা পরিবর্তন করে আমরা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারি।
কার্ডিওথোরাসিক এবং ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কোঅর্ডিনেটর ডা. আসিফ আহমেদ বিন মইন বলেন, হৃদ্রোগের ঝুঁকির কারণ থাকলে (যেমন উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিস) ঝুঁকি কমাতে হৃদ্রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।
ছবি: এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম