বর্তমানে বিশ্বের ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার: ৭ জনেরই ভাগ্য বদলে দিয়েছে এআই
শেয়ার করুন
ফলো করুন

মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ধনী ৪০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করে, যা ‘ফোর্বস ফোর হান্ড্রেড’ নামে পরিচিত। ২০২৫ সালে এই তালিকায় ৪০ বছরের কম বয়সী বিলিয়নিয়ার ছিলেন চারজন। এবছর সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০। তাঁদের মধ্যে সাতজন নতুন করে তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। তাঁদের সম্পদের পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবসা। এআই সফটওয়্যার, মডেল প্রশিক্ষণের তথ্য সরবরাহ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি করে তাঁরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, তালিকার ১০ জনের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৬৯ বিলিয়ন ডলার। সম্পদের এই হিসাব করা হয়েছে ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের মূল্যায়ন অনুযায়ী। বয়সের ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি থেকে কম ক্রমে তাঁদের পরিচয় জেনে নেওয়া যাক।

১০. লুকাস ওয়ালটন

বয়স: ৩৯ বছর

সম্পদ: ৪৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: ওয়ালমার্ট

এই ১০ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক লুকাস ওয়ালটন। অন্যদের মতো প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গড়ে নয়, পারিবারিক উত্তরাধিকার সূত্রে এসেছে তাঁর সম্পদের বড় অংশ। তিনি ওয়ালমার্টের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের নাতি এবং জন ওয়ালটনের একমাত্র সন্তান। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সম্পদের বড় অংশ ছিল ওয়ালমার্টের শেয়ার।

শিকাগোভিত্তিক বিনিয়োগ ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বিল্ডার্স ভিশনের নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, টেকসই খাদ্যব্যবস্থা ও সমুদ্র সংরক্ষণে বিনিয়োগ করে। ২০২৬ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার বাস্কেটবল দল শিকাগো বুলসের কিছু সংখ্যক মালিকানাও কিনেছেন তিনি।

৯. ভ্লাদ তেনেভ

বয়স: ৩৯ বছর

সম্পদ: ৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: রবিনহুড

শেয়ারবাজারে লেনদেনের অ্যাপ রবিনহুডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদ তেনেভের জন্ম বুলগেরিয়ায়। তাঁর বাবা-মা দুজনই বিশ্বব্যাংকে কাজ করতেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সহপ্রতিষ্ঠাতা বাইজু ভাটের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

২০১৩ সালে তাঁরা রবিনহুড চালু করেন। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার কেনাবেচায় কমিশন তুলে দিয়ে ব্রোকারেজ খাতে পরিবর্তন আনে। ২০২১ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় রবিনহুড। প্রতিষ্ঠানটিতে তেনেভের প্রায় ৬ শতাংশ মালিকানাই তাঁর সম্পদের বড় উৎস।

রবিনহুডের দ্রুত বাড়তে থাকা ব্যবসাগুলোর একটি হলো ভবিষ্যৎ ঘটনা নিয়ে বাজি ধরার বাজার, যা ‘প্রেডিকশন মার্কেট’ নামে পরিচিত। এখানে ব্যবহারকারীরা নির্বাচনের ফলাফল, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, খেলাধুলার ফলাফল কিংবা আবহাওয়া কেমন হবে এসব বিষয়ে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি কেনাবেচা করতে পারেন। পাশাপাশি ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গণিতভিত্তিক যুক্তি নিয়ে কাজ করা এআই প্রতিষ্ঠান হারমোনিকের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

৮. টম ব্রাউন

বয়স: ৩৯ বছর

সম্পদ: ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: অ্যানথ্রপিক

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও জ্ঞানীয় বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন টম ব্রাউন। ওপেনএআইয়ের প্রথম ২০ জন কর্মীর একজন ছিলেন তিনি। ২০২০ সালে জিপিটি-৩ নামের ভাষাভিত্তিক এআই মডেল নিয়ে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের প্রধান লেখকও ছিলেন ব্রাউন। মানুষের মতো সাবলীল ভাষায় লিখতে সক্ষম এই মডেল এআই খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
২০২১ সালে ওপেনএআই ছেড়ে ছয় সহকর্মীর সঙ্গে অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির এআই চ্যাটবট ক্লডকে প্রশিক্ষণ দিতে যে কম্পিউটার ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা তদারকি করেন ব্রাউন।

৭. ড্যানিয়েলা আমোদেই

বয়স: ৩৯ বছর

সম্পদ: ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: অ্যানথ্রপিক

অ্যানথ্রপিকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েলা আমোদেই প্রযুক্তি খাতের একজন উদ্যোক্তা। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা ক্রুজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে অর্থ লেনদেনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্ট্রাইপে কাজ করেন তিনি। পরে ওপেনএআইয়ে নিরাপত্তা ও নীতিবিষয়ক কার্যক্রমের দায়িত্বে ছিলেন।
২০২১ সালে ভাই দারিও আমোদেইসহ ওপেনএআইয়ের আরও কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠা করেন ড্যানিয়েলা। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা, প্রকৌশল, পণ্য উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম তদারকির পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।

৬. এডউইন চেন

বয়স: ৩৮ বছর

সম্পদ: ১৮ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: সার্জ এআই

এআই মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ তথ্য। সেই তথ্য চিহ্নিত করা, এআইয়ের তৈরি উত্তর মূল্যায়ন এবং ভুল সংশোধনের কাজ করে সার্জ এআই। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এডউইন চেনের আনুমানিক সম্পদ ১৮ বিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বেড়ে ওঠা চেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে গণিত, ভাষাবিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারে কাজ করেন। ২০২০ সালে সার্জ এআই প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

গুগল ও অ্যানথ্রপিকের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসার মাধ্যমে সার্জ এআইয়ের বার্ষিক আয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, কোনো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ ছাড়াই এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির প্রায় ৭৫ শতাংশ মালিকানা চেনের হাতে।

বিজ্ঞাপন

৫. গ্রেগ ব্রকম্যান

বয়স: ৩৭ বছর

সম্পদ: ২৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: ওপেনএআই

ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান এই তালিকার দ্বিতীয় ধনী সদস্য। হার্ভার্ড ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে পড়লেও স্নাতক সম্পন্ন করেননি তিনি। ২৫ বছর বয়সে অর্থ লেনদেনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্ট্রাইপের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হন। পরে ২০১৫ সালে স্যাম অল্টম্যান ও ইলন মাস্কসহ অন্যদের সঙ্গে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওপেনএআই গড়ে তোলেন।

বর্তমানে ওপেনএআইয়ের এআই মডেলগুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং পণ্যসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকি করেন ব্রকম্যান। ২০২৬ সালের মে মাসে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে তাঁর মালিকানার অংশের মূল্য ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বলে উঠে আসে। স্ট্রাইপের প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের শেয়ারসহ আরও কিছু প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানে তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে।

৪. জ্যাক ক্লার্ক

বয়স: ৩৭ বছর

সম্পদ: ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: অ্যানথ্রপিক

প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হওয়ার আগে জ্যাক ক্লার্ক ব্লুমবার্গে সাংবাদিকতা করতেন। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি। পরে ওপেনএআইয়ে নীতিবিষয়ক পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। ২০২১ সালে সহকর্মীদের সঙ্গে অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠার পর এআই খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নীতিমালা তৈরির পক্ষে কাজ করছেন ক্লার্ক।

বর্তমানে অ্যানথ্রপিকের নিজস্ব গবেষণাকেন্দ্রের নেতৃত্ব দেন তিনি। এআই প্রযুক্তির সামাজিক প্রভাব নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখিও করেন।

৩. স্যাম ম্যাকক্যান্ডলিশ

বয়স: ৩৬ বছর

সম্পদ: ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: অ্যানথ্রপিক

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি করেছেন স্যাম ম্যাকক্যান্ডলিশ। পরে ওপেনএআইয়ে কাজ করার সময় এআই মডেলের সক্ষমতা কীভাবে বাড়ে, তা নিয়ে গবেষণা করেন। এ ক্ষেত্রে বেশি তথ্য ও কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করলে মডেলের কার্যক্ষমতা কীভাবে উন্নত হয়, সেটি ছিল তাঁর গবেষণার অন্যতম বিষয়।

অ্যানথ্রপিকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ম্যাকক্যান্ডলিশ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালের অক্টোবরে তিনি প্রধান স্থপতির দায়িত্ব নেন। এখন প্রতিষ্ঠানটির এআই মডেল কীভাবে তৈরি ও প্রশিক্ষিত হবে, সেই কাজ তদারকি করেন তিনি।

২. পামার লাকি

বয়স: ৩৩ বছর

সম্পদ: ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: আন্দুরিল

কিশোর বয়সেই ভার্চ্যুয়াল বাস্তবতার হেডসেট তৈরি করে পরিচিতি পান পামার লাকি। ২১ বছর বয়সে তাঁর প্রতিষ্ঠিত অকুলাস ফেসবুকের কাছে নগদ অর্থ ও শেয়ার মিলিয়ে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। পরে ২০১৭ সালে ফেসবুকের তৎকালীন মূল প্রতিষ্ঠান ছেড়ে একই বছর আন্দুরিল প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

আন্দুরিল স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, সেন্সর এবং এসব প্রযুক্তির সমন্বয়কারী এআইনির্ভর সফটওয়্যার তৈরি করে। ২০২৬ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠানটিকে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও সংশ্লিষ্ট সেবার জন্য সর্বোচ্চ ২০ বিলিয়ন ডলারের ১০ বছর মেয়াদি চুক্তি দেয়। মে মাসে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সংগ্রহের পর আন্দুরিলের মূল্যায়ন দাঁড়ায় ৬১ বিলিয়ন ডলারে।

১. স্টিভেন হাও

বয়স: ৩০ বছর

সম্পদ: ৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার

সম্পদের উৎস: কগনিশন

ফোর্বস ফোর হান্ড্রেড–এর তালিকার সবচেয়ে কমবয়সী সদস্য স্টিভেন হাও। কগনিশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রধান পণ্য ডেভিন একটি এআই এজেন্ট, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যারের কোড লিখতে ও ত্রুটি সংশোধন করতে পারে।

হাও ও তাঁর দুই সহপ্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালে স্বর্ণপদক জেতার পর হাও তথ্য চিহ্নিতকরণভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্কেল এআইয়ে প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেন। পরে ২০২৩ সালে কগনিশন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি দুই বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সংগ্রহ করে। এতে কগনিশনের মূল্যায়ন দাঁড়ায় ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা-শেয়ারধারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মালিকানার অংশীদার হাওয়ের সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

এআইয়ের উত্থান যে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের জন্য বিপুল সম্পদ গড়ার সুযোগ তৈরি করছে, ফোর্বসের এই তালিকা তারই প্রতিফলন। তবে সবার পথ এক নয়। কেউ এআই সফটওয়্যার ও মডেল তৈরির ব্যবসায়, কেউ তথ্য সরবরাহ ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে যুক্ত হয়ে সম্পদ গড়েছেন। রবিনহুডের মতো আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাও সম্পদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। আর লুকাস ওয়ালটনের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে পারিবারিক উত্তরাধিকার।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ৫৯
বিজ্ঞাপন