
নতুন এই রেস্তোরাঁর নাম এথোস। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিনে অবস্থিত এটি। ৭৩ হাজার ফলোয়ার হয়ে গেছে এখনই এটির। এদিকে এই ইন্সটায় রয়েছে চোখ কপালে তোলা সব খাবারের ছবি। তবে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে খাবার পরিবেশন করছেন কারা, তা দেখলে।


এই তালিকায় আছেন বিলিয়নিয়ার জেফ বেজোস আর ইলন মাস্কও। সচেতন নেটিজেন মাত্রই বুঝে যাবেন, এগুলো সবই আসলে এআই জেনারেটেড ইমেজ। তবে যেকোনো কারণেই হোক, বেশ সাড়া জাগিয়েছে এই এথোস রেস্তোরাঁর ইন্সটা অ্যাকাউন্টটি।
প্রতিটি পোস্টেই আছে হাজারো লাইক ও কমেন্ট। একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়, খাবারগুলো আসলে বাস্তবসম্মত নয়। যেমন জলহস্তী শেপের ক্রোয়াসো বা হানিকম্ব চিজকেক।


এদিকে এই রেস্তোরাঁর ইন্সটাগ্রামে অ্যামাজন বস জেফ বেজোস আর টেক বিলিয়নার ইলন মাস্ককে দেখা যাচ্ছে খাবার ও পানীয় পরিবেশন করতে। বলাইবাহুল্য, এগুলো সবই এ আই ইমেজ। অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে মানুষ জেনে শুনেই এই রেস্তোরাঁর ইন্সটা অ্যাকাউন্ট জনপ্রিয় করে তুলছে। সেই সঙ্গে এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে গিয়ে রিজার্ভেশনও দিচ্ছেন অনেকে।
আবার এই রেস্তোরাঁর আছে নিজস্ব মার্চেন্ডাইজড টিশার্ট যেখানে লেখা আছে আমি এথোসে গিয়ে খেয়েছি। মানুষ টাকা দিয়ে এই টিশার্ট কিনছেনও। এখন প্রশ্ন হলো এই মিছেমিছি রেস্তোরাঁর অস্তিত্ব আছে কেন।
অনেকে না জেনেবুঝে এখানে লাইক কমেন্ট বা প্রশ্ন করলেও বেশিরভাগ মানুষ সচেতনভাবেই মজার ছলে রেস্তোরাঁটিকে ফলো করেন। অন্তর্জালে আসলে মানুষের আচরণ বোঝা দায়। যতদিন ক্রেজ থাকে ততদিন তাহলে চলুক জেফ বেজোস বা ইলন মাস্কের পরিবেশিত মিছেমিছি খাবারের ছবি নিয়ে মাতামাতি।
ছবি: এথোস এর ইন্সটাগ্রাম