সফল হতে ১২ বছর ধরে রোজ ৩০ মিনিট ঘুমান এই জাপানি উদ্যোক্তা
শেয়ার করুন
ফলো করুন

শরীর ও মনকে ন্যূনতম ঘুমে সবচেয়ে বেশি কাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত করে তুলেছেন বলে দাবি দাইসুকি হরির। ১২ বছরের এই চর্চা তাঁর কর্মক্ষমতায় পরিবর্তন আনছে কি না, তা পরীক্ষা করতে মিউজিক, পেইন্টিং ও মেকানিক্যাল ডিজাইন করা শুরু করেন। হরির দাবি, ঘুমের এই নিয়ম অনুসরণ করেই কাজের ক্ষমতা বাড়িয়েছেন।

ছবি: দাইসুকি হরির ফেসবুক থেকে
ছবি: দাইসুকি হরির ফেসবুক থেকে

প্রথম দিকে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট করে ঘুম কমাতে থাকেন হরি। একটি প্রতিবেদনে তিনি জানান, যাঁরা কার্যক্ষমতা বাড়াতে চান, তাঁদের অনেকক্ষণ ঘুমানোর পরিবর্তে কম সময়ে ভালো ঘুমের অভ্যাস করা উচিত। উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন ডাক্তার ও অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের কথা। তাঁরা কাজে অল্প সময়ের বিরতি পান। কিন্তু তাঁদের কাজ করতে হয় দীর্ঘক্ষণ ও পুরো দক্ষতার সঙ্গেই।

বিজ্ঞাপন

অল্প ঘুমে সর্বোচ্চ কর্মক্ষমতা অর্জন করার এই চর্চা শুরুর দিকে একটু ক্লান্ত লাগতে পারে। ক্লান্তি ও তন্দ্রাভাব কাটাতে কফি খাওয়া আর খেলাধুলা করার পরামর্শ দেন হরি।
অবিশ্বাস্য এই দাবির সত্যতা যাচাই করার জন্য ‘উইল ইউ গো উইথ মি’ নামের একটি জাপানিজ রিয়েলিটি শোতে আমন্ত্রণ করা হয় হরিকে। সেখানে সবাইকে তাক লাগিয়ে মাত্র ২৬ মিনিট ঘুমাতে দেখা যায় তাঁকে। অল্প সময়ের এই ঘুমের পর তাঁকে কাজে পুরোপুরি সক্রিয় দেখা যায়।

ছবি: দাইসুকি হরির ফেসবুক থেকে
ছবি: দাইসুকি হরির ফেসবুক থেকে

হরির এই ঘুমের কৌশল নিয়ে এখন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ২ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থী তাঁর কাছে ‘আলট্রা শর্ট স্লিপার’-এর প্রশিক্ষণ নেওয়ার উল্লেখ মিলেছে হরির জীবনবৃত্তান্তের অনলাইন সংস্করণে।

কম ঘুমে বেশি কর্মক্ষম হওয়ার এই পদ্ধতি সবার জন্য কি না, তা নিয়ে নানা তর্কবিতর্ক হতে পারে। তবে হরির এই দিনে ৩০ মিনিট ঘুমিয়েও সক্ষমভাবে কাজ করার উদাহরণ আমাদের ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রচলিত ভাবনার জন্য একটা ধাক্কা বৈকি।

বিজ্ঞাপন
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৩: ০০
বিজ্ঞাপন