ঢাকার সেরা ১০ মোগল স্থাপত্য
শেয়ার করুন
ফলো করুন

ঢাকার প্রতিটি অলিগলিতে লুকিয়ে আছে মোগল আমলের অমূল্য ইতিহাস। দুর্গ, মসজিদ, সমাধি আর ঈদগাহ—সবকিছুই আজও সাক্ষ্য দেয় একসময়ের অতীতের সমৃদ্ধ মোগল রাজধানীর। ছবির গল্পে দেখে আসা যাক ঢাকার সেরা ১০ মোগল স্থাপত্য।

ছবি: উইকিপিডিয়া ও শিশির চৌধুরী

লালবাগের কেল্লা

১/১০
সপ্তম মুঘল সম্রাট মির্জা আবু আল-ফয়াজ কুতুবউদ্দিন মুহাম্মদ আজম নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন, তবে নবাব শায়েস্তা খাঁ অসম্পূর্ণ রেখে যান। কেল্লার ভেতরে সমাধি, বাগান আর মসজিদ মিলিয়ে এটি ঢাকার স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।
সপ্তম মুঘল সম্রাট মির্জা আবু আল-ফয়াজ কুতুবউদ্দিন মুহাম্মদ আজম নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন, তবে নবাব শায়েস্তা খাঁ অসম্পূর্ণ রেখে যান। কেল্লার ভেতরে সমাধি, বাগান আর মসজিদ মিলিয়ে এটি ঢাকার স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।
বিজ্ঞাপন

হাজি শাহবাজ মসজিদ

২/১০
রমনা এলাকায় অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৭৯ সালে শাহজাদা আজমের সময়কালে। হাইকোর্টের পেছনে এবং তিন নেতার মাজারের কাছাকাছি অবস্থিত এই স্থাপনা আজও ঐতিহ্যের সাক্ষী।
রমনা এলাকায় অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৭৯ সালে শাহজাদা আজমের সময়কালে। হাইকোর্টের পেছনে এবং তিন নেতার মাজারের কাছাকাছি অবস্থিত এই স্থাপনা আজও ঐতিহ্যের সাক্ষী।
বিজ্ঞাপন

লালবাগ শাহি মসজিদ

৩/১০
লালবাগ কেল্লার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত এই মসজিদটি নির্মিত হয় ১৭০৩ সালে। এটি মোগল আমলের একমাত্র মসজিদ যা সম্পূর্ণ কাঠের বিম দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।
লালবাগ কেল্লার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত এই মসজিদটি নির্মিত হয় ১৭০৩ সালে। এটি মোগল আমলের একমাত্র মসজিদ যা সম্পূর্ণ কাঠের বিম দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।

হোসেনি দালান

৪/১০
ঢাকার বকশীবাজারে অবস্থিত প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের পুরোনো শিয়া উপাসনালয় ও কবরস্থান। সম্রাট শাহজাহানের আমলে নির্মিত এই দালান ঢাকার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ঢাকার বকশীবাজারে অবস্থিত প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের পুরোনো শিয়া উপাসনালয় ও কবরস্থান। সম্রাট শাহজাহানের আমলে নির্মিত এই দালান ঢাকার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সাতগম্বুজ মসজিদ

৫/১০
ধারণা করা হয় ১৬৮০ সালে নবাব শায়েস্তা খাঁ এটি নির্মাণ করেন। নামের মতোই মসজিদে সাতটি গম্বুজ, যা মোগল শৈলীর স্বাক্ষর বহন করে।
ধারণা করা হয় ১৬৮০ সালে নবাব শায়েস্তা খাঁ এটি নির্মাণ করেন। নামের মতোই মসজিদে সাতটি গম্বুজ, যা মোগল শৈলীর স্বাক্ষর বহন করে।

আম্বার শাহ শাহি মসজিদ

৬/১০
আম্বার শাহ শাহি মসজিদপ্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী পুরোনো এই মসজিদ কারওয়ান বাজারে অবস্থিত। আধুনিক ভবনের আড়ালে হারিয়ে গেলেও স্থাপত্যে এখনো মোগল ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট।
আম্বার শাহ শাহি মসজিদপ্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী পুরোনো এই মসজিদ কারওয়ান বাজারে অবস্থিত। আধুনিক ভবনের আড়ালে হারিয়ে গেলেও স্থাপত্যে এখনো মোগল ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট।

তারা মসজিদ

৭/১০
পুরান ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তারা মসজিদ মোগল শৈলী ও নকশার চমৎকার নিদর্শন। ১৮ শতকে জমিদার মির্জা গোলাম পীর এটি নির্মাণ করেন। সাদা-নীল তারকা খচিত টাইলসের জন্যই এর এমন নামকরণ।
পুরান ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তারা মসজিদ মোগল শৈলী ও নকশার চমৎকার নিদর্শন। ১৮ শতকে জমিদার মির্জা গোলাম পীর এটি নির্মাণ করেন। সাদা-নীল তারকা খচিত টাইলসের জন্যই এর এমন নামকরণ।

মুসা খান মসজিদ

৮/১০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত এই মসজিদ মুসা খাঁর নামে পরিচিত। একসময় চারপাশ ছিল বাগ-ই-মুসা খাঁ, এখন তা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সীমাবদ্ধ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত এই মসজিদ মুসা খাঁর নামে পরিচিত। একসময় চারপাশ ছিল বাগ-ই-মুসা খাঁ, এখন তা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সীমাবদ্ধ।

চকবাজার শাহি মসজিদ

৯/১০
১৬৭৬ সালে শায়েস্তা খাঁ এটি নির্মাণ করেন। প্রায় ৮০০ বছরের পুরোনো বলে প্রচলিত হলেও ঐতিহাসিকেরা একে সপ্তদশ শতকের নিদর্শন মানেন। এটি পুরান ঢাকার উঁচু মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম।
১৬৭৬ সালে শায়েস্তা খাঁ এটি নির্মাণ করেন। প্রায় ৮০০ বছরের পুরোনো বলে প্রচলিত হলেও ঐতিহাসিকেরা একে সপ্তদশ শতকের নিদর্শন মানেন। এটি পুরান ঢাকার উঁচু মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ধানমন্ডি ঈদগাহ

১০/১০
প্রায় ৪০০ বছর আগে শাহ সুজার দেওয়ান মির আবুল কাসিমের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ঈদগাহটি আজও ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোড এলাকায় গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে।প্রতিটি স্থাপনা আজও ঢাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য সম্পদ। মোগল আমলের এই নিদর্শনগুলো আমাদের অতীতকে শুধু স্মরণ করায় না; বরং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঢাকার স্থাপত্যিক ঐতিহ্যকে অমর করে রাখে।
প্রায় ৪০০ বছর আগে শাহ সুজার দেওয়ান মির আবুল কাসিমের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ঈদগাহটি আজও ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোড এলাকায় গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে।প্রতিটি স্থাপনা আজও ঢাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য সম্পদ। মোগল আমলের এই নিদর্শনগুলো আমাদের অতীতকে শুধু স্মরণ করায় না; বরং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঢাকার স্থাপত্যিক ঐতিহ্যকে অমর করে রাখে।
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫: ০০
বিজ্ঞাপন