সংকটের ভয়ে দেশে তেল কেনার হিড়িক: কী কী কাজে আসে এই তেল আর কোন দেশে কত তেল লাগে
শেয়ার করুন
ফলো করুন

বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি জ্বালানি তেল। পরিবহন, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের বহু ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার অপরিহার্য। ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তেলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল সমীকরণ। যুদ্ধের ফলে সংকটের ভয়ে দেশের পাম্পগুলোতে লেগেছে তেল কেনার হিড়িক। অনেক পাম্পেই মোটরবাইকে ৫০০ টাকা আর প্রাইভেট কারে ১০০০ টাকার বেশি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। সে নিয়েও হচ্ছে উত্তেজনা। বিশ্ববাজারে কতটা বেকায়দায় আছে তেল নিয়ে বাংলাদেশ এখন? বর্তমান পরিস্থিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম, উৎপাদন এবং চাহিদার ভিত্তিতে কয়েকটি দেশ এগিয়ে আছে, আবার কিছু দেশ নানা কারণে চাপে রয়েছে।

পরিবহন, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের বহু ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার অপরিহার্য
পরিবহন, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের বহু ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার অপরিহার্য
বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে জ্বালানী তেলের সংকটের খবর শোনা মাত্রই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। কিন্তু আসলে তেল কোথায় কোথায় লাগে, সেটা বোঝা গেলে সংকটের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়। জ্বালানী তেলের ব্যবহার মূলত পাঁচটি বড় খাতে ভাগ করা যায়:

পরিবহন খাত

গাড়ি, ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, জাহাজ ও বিমান চালাতে তেল ব্যবহৃত হয়।

বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহার হয় এই খাতে।

তাই তেলের দাম বা সরবরাহে সমস্যা হলে যাতায়াত ব্যাহত হয়, পরিবহন খরচ বেড়ে যায়, এবং পণ্যের দাম বাড়ে।

বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে
বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে

বিদ্যুৎ উৎপাদন

অনেক দেশে তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, বিশেষ করে যারা কয়লা বা গ্যাসে নির্ভরশীল নয়।

তেলের সংকট হলে বিদ্যুতের দাম বেড়ে যায় এবং সময়মতো সরবরাহ নাও হতে পারে।

শিল্প ও উৎপাদন

কারখানায় যন্ত্রপাতি চালানো, গরম করা বা শক্তি উৎপাদনের জন্য তেল লাগে।

পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে তেল থেকে তৈরি হয় প্লাস্টিক, সিনথেটিক ফাইবার, সার, রং, রাসায়নিক ও বিভিন্ন উপকরণ।

কৃষি ও সেচ

ট্রাক্টর, সেচ পাম্প ও কৃষি যন্ত্রপাতি চালাতে তেল ব্যবহার হয়।

তেলের দাম বেড়ে গেলে কৃষিকাজের খরচও বেড়ে যায়, যা খাদ্য উৎপাদনকে প্রভাবিত করে।

দৈনন্দিন ব্যবহার ও অন্যান্য প্রয়োজন

তেল থেকে তৈরি হয় গৃহস্থালি জ্বালানি, লুব্রিক্যান্ট, ক্যান্ডেল, গ্যাসোলিন-জাতীয় কিছু উপকরণ।

অনেক দেশে রান্না ও গরম পানি সরবরাহেও তেলের ওপর নির্ভরতা থাকে।

বিজ্ঞাপন

২০২৬ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৫ থেকে ৮৫ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম সাধারণত এর চেয়ে কয়েক ডলার কম থাকে। তবে বিভিন্ন দেশে কর ও ভর্তুকির কারণে খুচরা বাজারে তেলের দাম অনেক ভিন্ন হয়। কিন্তু ফেব্রুয়ারি শেষের হামলার পর মাত্র কয়েক দিনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২০ শতাংশ-র বেশি বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ, এই পরিস্থিতি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের দিকে যেতে পারে।

ফেব্রুয়ারি শেষের হামলার পর মাত্র কয়েক দিনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২০ শতাংশ-র বেশি বেড়ে গেছে
ফেব্রুয়ারি শেষের হামলার পর মাত্র কয়েক দিনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২০ শতাংশ-র বেশি বেড়ে গেছে

সাধারণভাবে যুক্তরাষ্ট্রে এক লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ০.৯ থেকে ১.১ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০০–১২০ টাকা)। সৌদি আরবে সরকার ভর্তুকি দেওয়ায় দাম তুলনামূলক কম; প্রায় ০.৬ ডলার প্রতি লিটার। অন্যদিকে ইউরোপে করের কারণে দাম অনেক বেশি। জার্মানি ও ফ্রান্সে পেট্রোলের দাম প্রায় ১.৭ থেকে ২ ডলার প্রতি লিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ভারতে পেট্রোলের দাম প্রায় ১.৩ ডলার বা তার বেশি, আর বাংলাদেশে বর্তমানে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম ১০০ টাকার কাছাকাছি বা তার কিছু বেশি। বাংলাদেশে বছরের শুরুতেই তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে কমিয়ে। সে রেট অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল ১০০, পেট্রোলবা গ্যাসোলিন ১২০ আর অকটেন কেনা যাবে ১২২ টাকা কিন্তু সম্ভাব্য তেল সঙ্কট এই সব হিসাব এলোমেলো করে দিচ্ছে।

উৎপাদনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক, প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। এরপর রয়েছে সৌদি আরব ও রাশিয়া, যাদের উৎপাদন প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লাখ ব্যারেলের মধ্যে। এই তিন দেশের উৎপাদন নীতি বিশ্ববাজারের দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কিন্তু ইরান ও ভেনেজুয়েলার মতো তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতি, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সেভাবে তেল উৎপাদন বা পরিবহণ করতে পারছে না।

বৈশ্বিক ব্যবহারের চিত্র

তেলের বিশ্ববাজার এখনো যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও রাশিয়ার মতো উৎপাদক দেশ এবং চীন ও ভারতের মতো ভোক্তা দেশের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। দাম, চাহিদা ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থের কারণে তেলকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সমীকরণ প্রতিনিয়ত নতুন রূপ নিচ্ছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের শুরুতে তেলের সরবরাহ নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমবর্ধমান সংকটজনক হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেল ট্যাংকারগুলোর চলাচলও বিঘ্নিত হয়। এতে ইরান ও হরমুজ প্রণালির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল দেশগুলো যেমন বাংলাদেশ, ভারত ও চীন সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছে।

বর্তমানে উৎপাদন, দাম, চাহিদা এবং বাণিজ্যের দিক থেকে কয়েকটি দেশ বিশ্ব তেলবাজারে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশও।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশও।

যুক্তরাষ্ট্র: উৎপাদন ও ভোগ দুই দিকেই শীর্ষে

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। শেল অয়েল প্রযুক্তির কারণে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। একই সঙ্গে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা দেশও। দৈনিক প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ব্যবহার হয় সেখানে। যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম সাধারণত লিটারপ্রতি প্রায় ০.৯ থেকে ১.১ ডলারের মধ্যে থাকে। পরিবহন খাতেই দেশটির তেলের সবচেয়ে বড় ব্যবহার।

সৌদি আরব: ওপেকের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ব তেলবাজারের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি। দেশটি ওপেক জোটের নেতৃত্বে রয়েছে এবং উৎপাদন বাড়ানো বা কমানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে সৌদি আরব। সরকার ভর্তুকি দেওয়ায় দেশটিতে পেট্রোলের দাম সাধারণ অবস্থায় তুলনামূলক কম। প্রায় ০.৬ ডলার প্রতি লিটার। সৌদি আরব ও কাতার বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদক দেশ হলেও, তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো যেমন সৌদি আরবের রাস তানুরা রিফাইনারি ও কাতারের এলএনজি কেন্দ্র সংঘাতের কারণে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গেছে।

সৌদি আরবের রাস তানুরা রিফাইনারি সংঘাতে বন্ধ হয়ে গেছে
সৌদি আরবের রাস তানুরা রিফাইনারি সংঘাতে বন্ধ হয়ে গেছে

রাশিয়া: নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও বড় রপ্তানিকারক

রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় তেল ও গ্যাস উৎপাদক দেশ। প্রতিদিন প্রায় ৯০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন করে তারা। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের বাজার অনেকটাই হারিয়েছে রাশিয়া। ফলে তারা এখন চীন ও ভারতের মতো এশীয় দেশগুলোর দিকে বেশি ঝুঁকেছে। তবুও বিশাল জ্বালানি সম্পদের কারণে বিশ্ব তেলবাজারে রাশিয়ার প্রভাব এখনো উল্লেখযোগ্য। চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র আজ সাগরে আটকে থাকা রাশিয়ার জ্বালানি তেল কেনার জন্য নিষেধাজ্ঞা থেকে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৩০ দিনের জন্য এ বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

চীন: বিশাল চাহিদার বাজার

চীন বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল ভোক্তা দেশ। প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ব্যবহার করে তারা। শিল্প উৎপাদন, পরিবহন এবং বিশাল উৎপাদন খাতের কারণে দেশটির তেলের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে অনেক তেল উৎপাদক দেশ এখন চীনের বাজারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাজার ঠিক রাখতে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে চীন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাজার ঠিক রাখতে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে চীন
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাজার ঠিক রাখতে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে চীন

ভারত: দ্রুত বাড়ছে জ্বালানি নির্ভরতা

ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল তেল ভোক্তা দেশগুলোর একটি। প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা রয়েছে সেখানে। দেশটি মূলত আমদানিই করে এই তেল। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নগরায়নের কারণে ভারতের জ্বালানি চাহিদা আগামী বছরগুলোতে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের ওপর ব্যাপক নির্ভরশীল (বিশেষ করে ইরাক ও সৌদি আরব থেকে)। দাম বৃদ্ধি দেশটির অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। এই কারণে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ: আমদানিনির্ভর বাস্তবতা

বাংলাদেশ নিজস্ব তেল সম্পদের দিক থেক একেবারেই সমৃদ্ধ নয়, ফলে দেশটি প্রায় পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়। এর বড় অংশ ব্যবহৃত হয় পরিবহন খাতে; বাস, ট্রাক, নৌযান ও কৃষিযন্ত্র চালাতে। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং সেচ ব্যবস্থাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল লাগে।

যুদ্ধের ফলে তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ ও পণ্যের দামও বাড়ে
যুদ্ধের ফলে তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ ও পণ্যের দামও বাড়ে

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ পড়ে। কারণ আমদানি বিল বেড়ে যায় এবং সরকারকে ভর্তুকি দিতে হয়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং অনেক সময় জ্বালানি সংকটও দেখা দেয়। তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ ও পণ্যের দামও বাড়ে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।এই যুদ্ধ,তেলের দাম বৃদ্ধি আর তেল সংকটের প্রভাব পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই শাকসবজি, নিত্যদিনের ভোগ্য পণ্য আর মাছ-মাংস-ডিমের দাম বেড়ে যায়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আমদানির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল হওয়ায় বাংলাদেশ বেশ ভঙ্গুর অবস্থানে আছে তেল সূচকে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, হরমুজ স্রোতে সংঘাত চলতে থাকলে বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের দেশেও তেলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে

তেলের বিশ্বরাজনীতি এখনো উৎপাদক বড় শক্তি যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও রাশিয়ার হাতে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। অন্যদিকে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল। ফলে বৈশ্বিক তেল রাজনীতির প্রতিটি পরিবর্তন সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে।

তথ্যসূত্র: গ্লোবাল নিউজ, দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি, প্রথম আলো

ছবি: পেকজেলস, ইন্সটাগ্রাম, প্রথম আলো

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬: ৫২
বিজ্ঞাপন