
এখন বেশির ভাগ সময় অনুভূত হচ্ছে গরম আবহাওয়া। এ কারণে ঘর থেকে বেরোলেই ঘেমে-নেয়ে একাকার হতে হচ্ছে। বেড়াতেই বের হওয়া হোক বা কাজে, কিছু টিপস অনুসরণ করলে বেশ ফুরফুরে আর সতেজ থাকা যায় এমন গরমে।
.jpg?w=640&auto=format%2Ccompress&fmt=webp)
শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হোক আর ত্বক—হাইড্রেটেড না রাখলেই বিপদ। ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া পানির অভাব পূরণ করতে হবে খেয়াল করে। এই পানি একবারে বোতলের পর বোতল পান করে লাভ হবে না। বরং যেখানেই যান, নিজের কাছে একটি পানির বোতল রাখুন। চুমুক দিয়ে পান করুন পানি কিছুক্ষণ পরপর। পানি খুব হিমশীতল না হওয়াই ভালো। আর অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়াতে হবে সচেতনভাবে।
বের হওয়ার আগে গোসল করে নিলে দেহ-মনে ফুরফুরে ভাব আসবেই। তবে এ ক্ষেত্রে চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। নিয়মিত গোসল করলে শরীরের তাপীয় অবস্থার ভারসাম্য থাকে। প্রয়োজন হলে ফিরে আরেকবার গোসল করে নেওয়া যায়। গোসলের সময় মেনথলযুক্ত ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান-শ্যাম্পু ব্যবহার করলে তরতাজা অনুভূতি মিলবে।

ভ্যাপসা গরমে ভারী, তেলতেলে খাবার বা ফাস্টফুড অস্বস্তি বাড়ায়, হাঁসফাঁস লাগে। এ সময় তাজা ফল, সালাদ, সবজির নানা পদ খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। টক দইও এ ক্ষেত্রে কার্যকর। ফল ও সবজির আঁশ হজম ভালো করে, কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখে। আর সেই সঙ্গে ত্বক ও চুল ভালো রাখে। তাই সব মিলে এমন গরমে সতেজ থাকতে এসবই রাখতে হবে দিনের খাদ্যতালিকায়।
.jpg?w=640&auto=format%2Ccompress&fmt=webp)
আইস ফেসিয়াল বা সকালে চেহারায় বরফপানির ট্রিটমেন্ট এখন অত্যন্ত ট্রেন্ডি এক রূপচর্চার প্রক্রিয়া। এতে ত্বকের লোমকূপের স্ফীতি কমে যায় বলে সিবাম ও ঘাম-তেলের আধিক্য হয় না। আবার সারা দিনে মাঝেমধ্যে ঠান্ডা পানির মিস্ট স্প্রে করলে তরতাজা অনুভূতি দেয়। রিফ্রেশিং ভেজা ওয়াইপও ব্যবহার করা যায়।
.jpg?w=640&auto=format%2Ccompress&fmt=webp)
এমন আর্দ্র আর গরম আবহাওয়ায় মেকআপে মিনিমালিজম খুবই প্রয়োজন। ফাউন্ডেশন ছাড়া শুধু বিবি ক্রিম বা টোনার, ময়েশ্চারাইজারের পর লুজ পাউডার ব্যবহার করা যায়। সানস্ক্রিন বেশ জরুরি, কড়া রোদ না থাকলেও। এ সময় যথাসম্ভব কম প্রসাধনী ব্যবহার করলেই আরাম মিলবে।

গরমে ঘাম হবেই। কিন্তু যদি তা সীমা ছাড়ায়, অ্যান্টিপার্স্পারেন্ট ব্যবহার করা যায়। ডিওডোরেন্ট তো এ সময় খুবই প্রয়োজনীয়। ঘামের আধিক্য ও দুর্গন্ধ নিজেকেই কষ্ট দেয় আগে। সম্ভব হলে ঘামে ভেজা অন্তর্বাস বা টপটি বদলে নিলে ভালো। এতে ফুরফুরে লাগবে নিজেরই।

এমন ভ্যাপসা গরমে ফেব্রিক ও পোশাকের রং ঠিক থাকলে অনেকটাই আরামে থাকা সম্ভব। ঘামে হোক বা বৃষ্টিতে, দ্রুত শুকায় এমন ফেব্রিক নির্বাচন করা উচিত। প্রাকৃতিক তন্তু আর প্রাকৃতিক রঙের পোশাক পরলে ফুরফুরে থাকতে সাহায্য করবে তা, নিঃসন্দেহ!
ছবি: পেকজেলস ডট কম
হিরো ইমেজ: পূর্ণ দাস, মডেল: সুষ্মিতা মণ্ডল