হ্যালোউইন স্পেশাল: মিজুলার হেমন্ত— হ্যালোউইনে ছমছমে সন্ধ্যা
শেয়ার করুন
ফলো করুন

যুক্তরাষ্ট্রের মন্টনা অঙ্গরাজ্যের পাহাড়ঘেরা শহর মিজুলা, যেখানে হেমন্ত মানেই রং, গন্ধ আর নীরব সৌন্দর্যের মেলবন্ধন। চারপাশের পাহাড়ে পাতাগুলো এখন ঝরে পড়ছে একে একে। ম্যাপল, বার্চ আর অ্যাস্পেন যেন নিজেদের রঙিন পোশাক খুলে নিচ্ছে শীতের প্রস্তুতিতে। বাতাসে হালকা ঠান্ডা ভাব আর আকাশে ভাসে মেঘ—মনে হয়, আর কিছুদিন পরই নেমে আসবে প্রথম তুষার, ঢেকে দেবে শহরের পথঘাট।

বাড়ির বাইরে এভাবে দেখা যায় নানা আকৃতির কুমড়া
বাড়ির বাইরে এভাবে দেখা যায় নানা আকৃতির কুমড়া
রাস্তাঘাটে ছমছমে অনুভূতি তৈরি করে হ্যালোউইন
রাস্তাঘাটে ছমছমে অনুভূতি তৈরি করে হ্যালোউইন

সন্ধ্যা নামলেই মিজুলার রাস্তাগুলোতে নামে এক অন্য রকম ছমছমে অনুভূতি। বাতাসে হেমন্তের স্নিগ্ধ শীতলতা আর রাস্তার ধারে কুমড়ার ভেতর জ্বলে থাকা মোমবাতির আলো যেন নীরব গল্প বলে। হ্যালোউইনের সময় শহরের বাড়িগুলোর সামনে সাজানো সেই কুমড়াগুলো—কেউ হাসছে, কেউ ভয় দেখাচ্ছে—অন্ধকারে তাদের মুখে লেগে থাকে রহস্যের আভা।

বিজ্ঞাপন

শিশুরা তখন ভূতের পোশাক পরে ক্যান্ডির ঝুড়ি হাতে দৌড়াচ্ছে দরজায় দরজায়। কেউ পরেছে কালো টুপি, কেউ মুখে দিয়েছে ভয়াল মাস্ক। বড়রাও বাদ যায় না—ক্যাফেগুলোর জানালা দিয়ে দেখা যায় কফির ধোঁয়া আর শোনা যায় হাসির কলরব।

পাতাঝরার দিনে হ্যালোউইন ভয় ধরায়
পাতাঝরার দিনে হ্যালোউইন ভয় ধরায়
শীতের অপেক্ষায় মিজুলা
শীতের অপেক্ষায় মিজুলা

হেমন্তের এই শেষ প্রান্তে মিজুলা যেন নিঃশব্দে অপেক্ষা করছে—তুষারে ঢাকা এক নতুন ঋতুর জন্য। কুমড়ার বাহারি নকশা, ঝরা পাতা আর আসন্ন শীতের গন্ধে মোড়া এই শহর তখন হয়ে ওঠে এক সোনালি ও সাদা স্বপ্নের সংযোগস্থল।

বিজ্ঞাপন
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ১২: ০০
বিজ্ঞাপন