
চোখ ধাঁধানো সুন্দরী এই প্রেতিনী৷ তবে তার সৌন্দর্যের সর্বনাশা ফাঁদে পড়লে প্রাণটা খোয়াতে হবে, বোঝাই যায়। উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি তার অদম্য আকর্ষণ জাগায় যে কারো মনে। ভূত সম্পর্কিত শাস্ত্র বলে কুমারী আর অবিবাহিতা মেয়েদের অপঘাতে মৃত্যু হলে তবেই প্রেতিনী রূপে আবির্ভাব হয় তার। হয়তো সুন্দরী মেয়েটিকে অনেক অত্যাচার সইতে হয়েছিল। কারো হিংস্রতার কবলে পড়েছিল হয়তো হতভাগ্য মেয়েটি। কেউ কি তাকে নির্মমভাবে খুন করেছিল? কে সে? হয়তো তার নিজেরই ভালোবাসার মানুষ। যাকে সে অনেক বিশ্বাস করেছিল, নিজের সবটা দিয়ে ভালোবেসেছিল। আবার কোনো অচেনা আততায়ী হয়তো তার অপঘাতে মৃত্যুর জন্য দায়ী। প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বা নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে না পেয়ে আত্মহত্যা করেও অনেকের প্রেতাত্মা প্রেতিনী হয়ে ঘুরে বেড়ায় বলে জানা যায়। প্রেতিনীকে চলিত ভাষায় পেত্নী বলতে আসলেই মন চায় না। আলুথালু চুল আর ডাগর চোখে তার প্রবল মায়া। অথচ সেই চোখ হঠাৎ জ্বলে ওঠে প্রতিশোধের অনলে। বুঝিবা কখনো বিষন্নও হয়ে ওঠে তার কাজল লেপ্টে থাকা চোখ। সাজতে ভালোবাসে প্রেতিনী। ভালোবাসে জমকালো শাড়ি আর গয়না পরতে। তবু সেই সাজ দেখে মুগ্ধ হওয়ার কেউ নেই, ভালোবাসা নিবেদন করার কেউ নেই। তাই তো যার প্রতি নজর পড়ে তাকে নিজের করে পেতে চায় এই ভূতসুন্দরী। প্রেমই তো চায় প্রেতিনী একটুখানি। বেঁচে থাকতে তো পেল না। এখন প্রেতাত্মা হয়ে জোর করেই না হয় আদায় করে নিল। এই ভূতসুন্দরীর দেখা পেতে হলে পুরনো কোনো এক বাড়িতে যেতে হবে, যে বাড়িটিকে ঘিরে বহু গল্প প্রচলিত আছে৷ সেখানকার কড়িবর্গায় প্রতিধ্বনির মতো শোনা যায় প্রেতিনীর রক্ত জল করা হাসি, আচমকা চিৎকার আর ভয় ধরানো গানের সুর। থামের আড়াল থেকে হঠাৎ সামনে এসে সে যদি বলে, আমি যে তোমার!






ফটোগ্রাফি: অনিক মজুমদার
লাইটস: শুভ্রদেব হালদার
রূপ ও কেশসজ্জা: আব্রাহাম আহাম্মেদ অপু
লোকেশন: দোতলা ( ফ্যাশনের সুপরিচিত যৌথ উদ্যোগ)
মডেল: শ্রেয়া
বিশেষ কৃতজ্ঞতা: দোতলাবাসী