
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিয়ে এখন নিজেই নিজেকে সে দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে গ্রীনল্যান্ড দখলের খায়েশও প্রকাশ পেয়েছে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যে।
আর এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক স্যাটায়ার এক্স পোস্ট এখন রীতিমতো ভাইরাল। মিস হোয়াইট নামের ইউজারের এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ছেলে ব্যারন ট্রাম্পের সঙ্গে ডেনমার্কের রাজকুমারী ইসাবেলার একটি রাজবংশীয় বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারেন। আর সেই বিয়ের শর্ত হিসেবে যৌতুক হিসেবে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের হবে। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে থাকাতেই এই প্রসঙ্গ এসেছে।
এটি নিছকই একটি মিম বা সার্কাজম মাত্র। এই আইডিয়াকে ব্যঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও এটি মানুষের মনে দাগ কেটেছে, কারণ এর পেছনে রয়েছে বাস্তব ও ক্রমেই বাড়তে থাকা উত্তেজনা। গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে ওয়াশিংটন ও কোপেনহেগেনের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র নাকি অপারেশন নর্দার্ন শিল্ড নামে সম্ভাব্য আগ্রাসনের পরিকল্পনাও করছে, আর ডেনমার্ক যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। আধুনিক ভূমি বিরোধ মেটাতে এমন এক মধ্যযুগীয় সমাধানের এই ব্যঙ্গধর্মী কল্পনা কূটনৈতিক অচলাবস্থার অদ্ভুত বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।


ইসাবেলার এখন আঠারো বছর, আর ব্যারনের ঊনিশ। কাপল হিসেবে কিন্তু দারুণ লাগবে এই দুইজনকে। ডেনমার্কের রাজা ফ্রেডেরিক ও রানী মেরীর বড় কন্যা ইসাবেলা। এদিকে ব্যারন ট্রাম্প বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়ার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একমাত্র সন্তান। গ্রিনল্যান্ডেও মার্কিন আগ্রাসনের খায়েশ নিয়ে ট্রাম্পের অপর তিতিবিরক্ত মানুষ এখন এই বিয়ে নিয়ে ভাইরাল পোস্টে নানা তীর্যক মন্তব্য করছেন।
সূত্র: নিউজউইক, বোরড পান্ডা
ছবি: ইন্সটাগ্রাম