
এই বিশেষ সৈকতটি গড়ে তোলা হচ্ছে আল মামজার এলাকায়, যা দুবাইয়ের জনপ্রিয় উপকূলীয় অঞ্চলের একটি অংশ। প্রায় ১,২৫,০০০ বর্গমিটার বিস্তৃত এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। প্রথম ধাপের প্রায় ৪৫ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ কাজ শেষ হলে এটি হবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম আধুনিক ও নারীবান্ধব বিচ।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয় এখানে পাচ্ছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার। এজন্যই ছবি তোলার অনুমোদন থাকবে না এখানে।

আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সৈকতটি পরিচালিত হবে শুধুমাত্র নারী কর্মীদের দ্বারা। প্রবেশ থেকে নিরাপত্তা, লাইফগার্ড থেকে অন্যান্য সেবা— সবখানেই থাকবেন প্রশিক্ষিত নারীকর্মী। ফলে, আল মামজার কর্নিশে অবকাশযাপন করতে আসা দর্শনার্থীরা পাবেন এক নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ।
শুধু সমুদ্র ও বালুকাবেলা নয়, এই বিচে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক জীবনধারার নানা উপাদান। আল মামজার ক্রিক বিচ ও আল মামজার পার্ককে সংযুক্ত করেছে প্রায় ১,০০০ মিটার সড়ক। আর এই বুলেভার্ডে থাকবে দৌড়ানো, হাঁটা ও সাইকেল চালানোর জন্য পৃথক ব্যবস্থা। ক্যাফে, ফিটনেস জোন, সাইক্লিং ট্র্যাকসহ নানা আয়োজনে এই সৈকত হয়ে উঠবে এক পূর্ণাঙ্গ লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন।

আরও একটি আকর্ষণীয় দিক হলো, এই সৈকত ২৪ ঘণ্টাই নারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এমনকি রাতেও এখানে সাঁতার কাটার সুযোগ থাকবে। হাই-টেক লাইটিং সিস্টেম এবং দক্ষ নারী লাইফগার্ডের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা।
টেকসই অবকাঠামো ও নান্দনিক নকশার সমন্বয়ে পুরো প্রকল্পটিকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এটি হবে শান্ত, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি নারীবান্ধব সৈকত। এখানে নারীর স্বাচ্ছন্দ্যই হয়ে উঠবে আসল আভিজাত্য।
ছবি: এআই