ফেসবুকে আবারও নতুন এআই ট্রেন্ড: কীভাবে বানাবেন নিজের কিউট কার্টুন প্রোফাইল ও ছবি
শেয়ার করুন
ফলো করুন

সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় ট্রেন্ড বদলায় দ্রুত, আর এআই আসার পর সেই পরিবর্তন যেন আরও গতিশীল হয়েছে। জিবলি স্টাইল আর ক্যারিকেচার ছবির পর ফেসবুকে এখন নতুন এআই ট্রেন্ড ‘ক্রেয়ন ড্রইং স্টাইল প্রোফাইল’। অর্থাৎ নিজের পছন্দ মতো ছবিকে কিউট স্কেচ আর্টে রূপান্তর করা।

এখন নতুন এআই ট্রেন্ড ‘ক্রেয়ন ড্রইং স্টাইল প্রোফাইল’। অর্থাৎ নিজের পছন্দ মতো ছবিকে কিউট স্কেচ আর্টে রূপান্তর করা।
এখন নতুন এআই ট্রেন্ড ‘ক্রেয়ন ড্রইং স্টাইল প্রোফাইল’। অর্থাৎ নিজের পছন্দ মতো ছবিকে কিউট স্কেচ আর্টে রূপান্তর করা।
টাইমলাইনজুড়ে এখন চোখে পড়ছে রঙিন, আদুরে প্রোফাইল ও ছবি
টাইমলাইনজুড়ে এখন চোখে পড়ছে রঙিন, আদুরে প্রোফাইল ও ছবি

টাইমলাইনজুড়ে এখন চোখে পড়ছে রঙিন, আদুরে প্রোফাইল ও ছবি। প্যাস্টেল টেক্সচার, হাতে আঁকা শিশুসুলভ দৃশ্য আর কাগজের মতো ব্যাকগ্রাউন্ডে তৈরি এই এআই-জেনারেটেড ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞাপন

ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি, ফেসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশটকে রূপ দিচ্ছেন একেবারে ১০ বছরের শিশুর আঁকা মতো সরল, কিউট ও কল্পনাপ্রবণ ক্রেয়ন স্কেচে। কোথাও দেখা যাচ্ছে নরম পেন্সিল শেডিং, কোথাও আবার ক্রেয়নের দাগে তৈরি উজ্জ্বল রঙের হালকা স্ট্রোক—সব মিলিয়ে এক ধরনের নস্টালজিক ভিজ্যুয়াল ফিল। ঠিক ছোট বেলায় আমরা যেমন আঁকতাম!

উজ্জ্বল রঙের হালকা স্ট্রোক—সব মিলিয়ে এক ধরনের নস্টালজিক ভিজ্যুয়াল ফিল। ঠিক ছোট বেলায় আমরা যেমন আঁকতাম!
উজ্জ্বল রঙের হালকা স্ট্রোক—সব মিলিয়ে এক ধরনের নস্টালজিক ভিজ্যুয়াল ফিল। ঠিক ছোট বেলায় আমরা যেমন আঁকতাম!
এটি করতে আলাদা কোনো ডিজাইন দক্ষতার প্রয়োজন নেই
এটি করতে আলাদা কোনো ডিজাইন দক্ষতার প্রয়োজন নেই

এই ট্রেন্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এটি করতে আলাদা কোনো ডিজাইন দক্ষতার প্রয়োজন নেই। কয়েকটি এআই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করলেই খুব সহজে নিজের ছবি বদলে ফেলা যাচ্ছে কিউট স্কেচ ভার্সনে।

বিজ্ঞাপন

কীভাবে বানাবেন নিজের কিউট কার্টুন প্রোফাইল ছবি?

প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। কয়েকটি ধাপে আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন—

১. একটি ভালো ছবি নির্বাচন করুন

যেখানে মুখ স্পষ্ট দেখা যায় এবং আলো ভালো থাকে, এমন একটি সেলফি বা ছবি বেছে নিন।

২. এআই অ্যাপ ব্যবহার করুন

বর্তমানে বিভিন্ন এআই টুল ও অ্যাপ আছে যেমন চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, টুন অ্যাপ, লেনসা এআই সহ অনেক কিছু। এগুলোর যেকোনো একটিতে ছবি আপলোড করতে হবে।

প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। কয়েকটি ধাপে আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন
প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। কয়েকটি ধাপে আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন

৩. চাহিদা মতো নির্দেশনা দিন

তারপর সঠিক নির্দেশনা দিন। যেমন ‘এই ছবিটি ক্রেয়ন ড্রয়িং স্টাইলে রিক্রিয়েট করে দাও। ডিটেইলিং দেখে যেন মনে হয় ১০বছরের কোনো শিশু এঁকেছে। আপনার আপলোড করে ছবির রঙ হুবহু কপি করবে না। সাদা কাগজে আঁকা শিশু সুলভ, সাবলীল যেন মনে হয় দেখে৷ আদুরে ও শিশুসুলভ করতে ছবিতে ফুল, মেঘ, সূর্য, তারা, ক্যান্ডি-এর মতো কিছু আদুরে উপাদান যোগ করবে।’

৪. কাস্টমাইজ ও সেভ করুন

চাইলেই ব্যাকগ্রাউন্ড, রঙ বা ইফেক্ট পরিবর্তন করে নিজের মতো করে সাজানো যায়। তারপর সেভ করে সরাসরি প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কেন এত জনপ্রিয় এই ট্রেন্ড?

সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষ এখন নিজেদের ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিকে আরও ক্রিয়েটিভভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে। কিউট ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করে ব্যবহারকারীরা শুধু অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণই করছে না, বরং ব্যক্তিত্বের একটি মজার ও নান্দনিক প্রকাশও  করছে।

মানুষ এখন নিজেদের ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিকে আরও ক্রিয়েটিভভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে
মানুষ এখন নিজেদের ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিকে আরও ক্রিয়েটিভভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে
এটি হয়ে উঠেছে সবার জন্য এক ধরনের ডিজিটাল খেলা।
এটি হয়ে উঠেছে সবার জন্য এক ধরনের ডিজিটাল খেলা।

এআই প্রযুক্তি সাধারণ ব্যবহারকারীর হাতে সৃজনশীলতার দরজা খুলে দিয়েছে। ফলে ছবি এডিটিং এখন আর শুধু প্রফেশনালদের কাজ নয়—এটি হয়ে উঠেছে সবার জন্য এক ধরনের ডিজিটাল খেলা।

ছবি: এআই

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ১৫: ২৫
বিজ্ঞাপন