
সাগর, নদী, পাহাড় মিলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য লীলাভূমি চট্টগ্রাম। ভ্রমণপিপাসুদের পছন্দের তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এই জেলা। চট্টগ্রামের নেভাল চট্টগ্রামবাসী ও পর্যটকদের সবার কাছেই সমান জনপ্রিয়।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ারে বসে সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাস আর জাহাজ-নৌকা চলাচলের দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ কে-ই বা হাতছাড়া করতে চাইবে! এমন পরিবেশের গরমাগরম পেঁয়াজুর সঙ্গে সুস্বাদু কাঁকড়া যেন এক অনবদ্য জুটি।

নেভালের অন্যতম সিগনেচার খাবার হলো এখানকার পেঁয়াজু আর কাঁকড়া ভুনা। প্রতিদিন বিকেল হলেই পরিবার ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে নেভালে আড্ডা জমান খাদ্যরসিক আর সমুদ্রবিলাসীরা। এই আড্ডা চলে রাত পর্যন্ত। তবে সন্ধ্যায় সবচেয়ে জমজমাট থাকে নেভাল।

নেভালে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে আসা মাহমুদ বলেন, নেভালে এলে সব সময়ই এই পেঁয়াজু আর কাঁকড়া ভুনা খাওয়া হয়। ছোট ছোট এই পেঁয়াজুগুলোর ঠিক যতটা মুচমুচে, কাঁকড়া ভুনাও স্বাদে ঠিক ততটাই অনন্য।
এখানে রাস্তার এক পাশে রয়েছে বসার জন্য চেয়ার আর তার সামনেই সমুদ্র। আরেক পাশে রয়েছে সারি সারি খাবারের দোকান। দোকানগুলো আসলে এই পেঁয়াজু আর কাঁকড়া ভুনার জন্যই জনপ্রিয়।

অর্ডার দেওয়ার পর গরম গরম পেঁয়াজু ভেজে দেন দোকানি। মসলাদার কাঁকড়া ভুনাও পরিবেশন করা হয়। পেঁয়াজুর সঙ্গে থাকে কাঁচা পেয়াজ ও শসা।

এখানকার খাবারের ভিন্ন ও বিশিষ্ট স্বাদের কারণ জানতে চাইলে একজন দোকানি জানান, মসুরের ডালের সঙ্গে একটি সিক্রেট মসলা ব্যবহার করেন তাঁরা।

আর সমুদ্রের টাটকা কাঁকড়া সংগ্রহ করে ব্যবহার করেন বলেই তাঁদের কাঁকড়া ভুনা এত সুস্বাদু হয়ে থাকে বলে জানান তিনি। প্রতি বাটি কাঁকড়া ভুনার দাম পড়বে ৮০ টাকা আর প্রতি বাটি পেঁয়াজু ৪০ টাকা।
ছবি: সানজিদা রহমান দিহান