হাউস অব হান: ঢাকার রসনাবিলাসে চীনা স্বাদের নতুন অধ্যায়
শেয়ার করুন
ফলো করুন

খাবারের অভিজ্ঞতা কি কেবল স্বাদেই সীমাবদ্ধ? খাবারের সৌরভ, পরিবেশনের ধরন, অন্দরসজ্জা, আলোছায়ার খেলা কিংবা স্থাপত্যের নান্দনিকতা—সব মিলিয়েই তৈরি হয় একটি রেস্তোরাঁর নিজস্ব পরিচয়। বিশেষত চীনা খাবারের মতো সমৃদ্ধ রন্ধনঐতিহ্যের ক্ষেত্রে উপকরণের বৈচিত্র্য, রান্নার কৌশল ও স্বাদের ভারসাম্য ভোজনের অভিজ্ঞতাকে দেয় আলাদা মাত্রা। সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক বিলাসবহুল পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীতে যাত্রা শুরু করেছে ‘হাউস অব হান’। পাঁচতারকা হোটেল ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় চীনা খাবারের নিজস্ব স্বাদের পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে প্রকৃতিনির্ভর স্থাপত্য, সমকালীন প্রাচ্য নান্দনিকতা ও পরিশীলিত আতিথেয়তা।

রেস্তোরার প্রবেশমুখ
রেস্তোরার প্রবেশমুখ

চীনের রাজবংশ হান ডাইনেস্টির (খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬–খ্রিষ্টীয় ২২০) নাম অনুসারে রেস্তোরাঁটির নাম রাখা হয়েছে ‘হাউস অব হান’। ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় এর উদ্বোধনী আয়োজন। চীনা মাস্টারশেফ চেনের নেতৃত্বে রেস্তোরাঁর মেনুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটা এখন এমন একটি গন্তব্য, যেখানে ঐতিহ্যবাহী চীনা খাবারের স্বাদ মিলবে আধুনিক পরিবেশনায়। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা ও ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিনী নায়ার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বিজ্ঞাপন

চীনা খাবারের স্বাদে নিজস্বতার খোঁজ

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় রন্ধনশৈলীগুলোর মধ্যে চীনা খাবারের অবস্থান উল্লেখযোগ্য। বিশাল ভূখণ্ড, ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক পরিবেশ ও আঞ্চলিক খাদ্যসংস্কৃতির প্রভাবে এই রান্নায় তৈরি হয়েছে স্বাদের অসংখ্য ধারা। কোথাও ঝাল ও সুগন্ধি মসলার প্রাধান্য, কোথাও হালকা সসের সঙ্গে উপকরণের স্বাভাবিক স্বাদ ধরে রাখার চেষ্টা, আবার কোথাও মিষ্টি ও টক স্বাদের মেলবন্ধন। হাউস অব হানের খাবারের তালিকায়ও চীনা রন্ধনশৈলীর এই বৈচিত্র্য তুলে ধরার প্রয়াস রয়েছে।

মাস্টারশেফ চেনের (ডান থেকে দ্বিতীয়) সঙ্গে অশ্বিনী নায়ার (ডান থেকে তৃতীয়) ও অন্য অতিথিরা
মাস্টারশেফ চেনের (ডান থেকে দ্বিতীয়) সঙ্গে অশ্বিনী নায়ার (ডান থেকে তৃতীয়) ও অন্য অতিথিরা

রেস্তোরাঁটির ভাবনা সম্পর্কে অশ্বিনী নায়ার বলেন, হাউস অব হান কেবল আরেকটি রেস্তোরাঁ নয়; এটি মাস্টারশেফ চেনের রন্ধনশৈলীর প্রকাশ। তাঁদের উদ্দেশ্য ঢাকার মানুষের জন্য এমন একটি গন্তব্য তৈরি করা, যেখানে বিলাসবহুল পরিবেশের পাশাপাশি খাবারের স্বাতন্ত্র্য ও নিজস্ব স্বাদকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তাঁর মতে, চীনা খাবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হলেও ঢাকার হোটেলগুলোতে স্বতন্ত্র পরিচয় নিয়ে বিলাসবহুল পরিবেশে চীনা খাবার পরিবেশনের ক্ষেত্রে একটি সুযোগ রয়েছে। সেই জায়গা পূরণ করার লক্ষ্য থেকেই হাউস অব হানের পরিকল্পনা।

বিজ্ঞাপন

স্যুপ থেকে ডিম সাম, শুরুতেই স্বাদের বৈচিত্র্য

হাউস অব হানের খাবারের তালিকায় রয়েছে স্যুপ, ডিম সাম, মাংস, সামুদ্রিক খাবার, মাছ, সবজি, ভাত ও মিষ্টান্ন। খাবারের শুরুতেই পরিবেশন করা হয় সামুদ্রিক চিংড়ি, ভেটকি মাছ, টোফু ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে তৈরি স্যুপ। সামুদ্রিক উপকরণের স্বাদ আর টোফুর কোমল গঠনের সমন্বয়ে তৈরি এই পদ খাবারের শুরুতেই এনে দেয় ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা।

সুপ
সুপ

চীনা খাবারের অন্যতম পরিচিত অনুষঙ্গ ডিম সামের জন্য রয়েছে বিশেষ আয়োজন। হাউস অব হানের ডিম সাম বাস্কেটে থাকছে চিংড়ির শুমাই, ঝাল মুরগির ডাম্পলিং এবং স্বচ্ছ আবরণে তৈরি সবজির ডাম্পলিং। ভিন্ন পুর, গঠন ও স্বাদের সমন্বয়ে সাজানো এই পরিবেশনা ডিম সাম প্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় সংযোজন।

ঐতিহ্যবাহী উষ্ণ হোয়াইট টি
ঐতিহ্যবাহী উষ্ণ হোয়াইট টি

খাবারের পাশাপাশি পানীয় হিসেবেও রয়েছে চীনের ঐতিহ্যবাহী উষ্ণ হোয়াইট টি। এর কোমল স্বাদ ও সুগন্ধ ভোজনের অভিজ্ঞতায় যোগ করে প্রশান্তির আবহ। বিশেষ করে স্যুপ ও ডিম সামের মতো পদের সঙ্গে উষ্ণ চায়ের পরিবেশনা পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও উপভোগ্য।

ঝাল, সুগন্ধ ও মসলার অনন্য সমন্বয়

মসলাদার খাবার পছন্দ করেন যাঁরা, তাঁদের জন্য রয়েছে চংকিং চিলি চিকেন। মচমচে মুরগির মাংসের সঙ্গে শুকনা মরিচ, সিচুয়ান গোলমরিচ, রসুন ও তিলের সমন্বয়ে তৈরি এই পদে ঝাল ও সুগন্ধের প্রাধান্য রয়েছে। মুরগির মচমচে আবরণ আর মসলার তীব্রতা পদটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

হুনান বিফ উইথ পিকলড গ্রিন চিলি
হুনান বিফ উইথ পিকলড গ্রিন চিলি

অন্যদিকে, হুনান অঞ্চলের রান্নার ধরনে তৈরি হুনান বিফ উইথ পিকলড গ্রিন চিলিতে গরুর মাংসের সঙ্গে কাঁচামরিচের আচারে টক-ঝাল স্বাদের সমন্বয় রাখা হয়েছে। চীনা রান্নার বিভিন্ন আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদ ভোজনের অভিজ্ঞতায় যোগ করতে পারে নতুন মাত্রা।

সামুদ্রিক খাবার ও মাছের পদে ভিন্নতা

জেড প্রনস
জেড প্রনস

সামুদ্রিক খাবারের তালিকায় আছে জেড প্রনস। ব্রকলি, আদা, রসুন ও হালকা সয়া সসের সঙ্গে দ্রুত কষিয়ে রান্না করা চিংড়ির এই পদে উপকরণের নিজস্ব স্বাদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মসলা ও সসের পরিমিত ব্যবহার চিংড়ির স্বাদের সঙ্গে সবজির সতেজতার সখ্য তৈরি করে।

চিলি চিকেন
চিলি চিকেন

মাছের পদে আছে ম্যান্ডারিন ফিশ। মুচমুচে করে ভাজা মাছের সঙ্গে মিষ্টি-টক সস, ক্যাপসিকাম ও পেঁয়াজপাতার সমন্বয় এতে তৈরি করেছে স্বাদের ভিন্নতা। মাছের পরিচিত স্বাদের সঙ্গে সসের মিষ্টি-টক বৈশিষ্ট্য যুক্ত হওয়ায় পদটি হয়ে উঠেছে চীনা খাবারের আরেকটি আকর্ষণীয় পরিবেশনা।

হাউস অব হান চিলি ফ্রায়েড রাইস
হাউস অব হান চিলি ফ্রায়েড রাইস

ভাতের পদে রয়েছে হাউস অব হান চিলি ফ্রায়েড রাইস। মুরগি, চিংড়ি, ডিম, গাঁজানো মরিচ ও রেস্তোরাঁর নিজস্ব ঝাল মসলার মিশ্রণে তৈরি এই পদে রয়েছে একাধিক উপকরণের সমন্বয়।

মন ভরাবে শেফ চেনের এই বিশেষ মিষ্টি
মন ভরাবে শেফ চেনের এই বিশেষ মিষ্টি

শেষ পাতে থাকছে শেফ চেনের বিশেষ মিষ্টান্নের আয়োজন। সব মিলিয়ে খাবারের তালিকাটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে অতিথিরা স্যুপ ও ডিম সাম দিয়ে শুরু করে মূল খাবার ও মিষ্টান্ন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন।

ছাদজুড়ে ঢেউখেলানো নকশা, বেতের বুননে প্রাচ্য নান্দনিকতা

হাউস অব হানের অন্যতম আকর্ষণ এর অভ্যন্তরীণ নকশা। প্রকৃতিনির্ভর নকশা ও সমকালীন প্যারামেট্রিক স্থাপত্যের সমন্বয়ে তৈরি এই পরিবেশে আধুনিকতার সঙ্গে মিশেছে চীনের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নান্দনিকতা। রেস্তোরাঁয় প্রবেশের পর নজর কাড়ে ঢেউখেলানো ছাদের অবয়ব, যার অনুপ্রেরণা প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রবাহ ও জৈবিক রেখা।

হাউস অব হানের অন্যতম আকর্ষণ এর অভ্যন্তরীণ নকশা
হাউস অব হানের অন্যতম আকর্ষণ এর অভ্যন্তরীণ নকশা

প্যারামেট্রিক নকশার ধারণায় কম্পিউটারনির্ভর পরিকল্পনার মাধ্যমে ছাদ থেকে স্তম্ভ পর্যন্ত মসৃণ ও অবিচ্ছিন্ন রূপ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্থাপত্যে তৈরি হয়েছে গতিশীলতা ও প্রবহমানতার অনুভূতি। ছাদের রেখা কেবল ওপরের অংশে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং পুরো অন্দরসজ্জার সঙ্গে তৈরি করেছে একটি দৃশ্যগত সংযোগ।

ছিদ্রযুক্ত বেতের বুনন
ছিদ্রযুক্ত বেতের বুনন

নকশার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিদ্রযুক্ত বেতের বুনন। পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী আসবাব ও অন্দরসজ্জায় বেতের ব্যবহার দীর্ঘদিনের। সেই পরিচিত কারুশিল্পকে বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ করে ছাদে তৈরি করা হয়েছে স্বতন্ত্র নান্দনিক বিন্যাস। বেতের বুননের পেছন থেকে আলোর ব্যবহার পুরো পরিবেশে সৃষ্টি করেছে আলো-ছায়ার আকর্ষণীয় খেলা। ঐতিহ্যবাহী উপকরণকে সমকালীন স্থাপত্যের অংশ করে তোলার এই প্রয়াস রেস্তোরাঁটির বিলাসবহুল আবহে যোগ করেছে আলাদা মাত্রা।

উষ্ণ রং ও মিনিমাল নকশায় পরিশীলিত পরিবেশ

অন্দরসজ্জায় সোনালি আভাযুক্ত কাঠের রং, হালকা রঙের টেরাজো মেঝে এবং মসৃণ বাঁকানো অবয়বের ব্যবহার পরিবেশে এনেছে উষ্ণতা ও আভিজাত্য। অতিরিক্ত সাজসজ্জার পরিবর্তে এখানে উপকরণের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, আলোর বিন্যাস ও স্থাপত্যের রেখাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে নকশায় যেমন রয়েছে আধুনিকতার ছাপ, তেমনি রয়েছে প্রাচ্য ঐতিহ্যের কোমল উপস্থিতি।

এই ধরনের নকশায় সৌন্দর্য তৈরির জন্য সব সময় অতিরিক্ত উপকরণের প্রয়োজন হয় না। বরং উপকরণের রং, বুনন, আলো এবং ফাঁকা জায়গার পরিকল্পিত ব্যবহারের মধ্য দিয়ে পরিবেশকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। হাউস অব হানের অন্দরসজ্জায় সেই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়।

খাবারের টেবিলে বসে সময় কাটানো, বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া অথবা ব্যবসায়িক বৈঠক—বিভিন্ন উপলক্ষের জন্য পরিবেশটিকে একটি সামগ্রিক অভিজ্ঞতার অংশ করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। স্থাপত্যের নান্দনিকতা এখানে কেবল সাজসজ্জা নয়; বরং খাবার ও আতিথেয়তার অভিজ্ঞতারই অংশ।

খাবারের বাইরেও একটি সামগ্রিক অভিজ্ঞতা

এক সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এই পরিবেশ দারুণ
এক সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এই পরিবেশ দারুণ

রেস্তোরাঁটির স্থাপত্য ও পরিবেশ সম্পর্কে অশ্বিনী নায়ার বলেন, বর্তমানে বাইরে খেতে যাওয়া মানে শুধু বসে খাবার গ্রহণ করা নয়। বন্ধু, পরিবার কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে মানুষের একসঙ্গে সময় কাটানোর ক্ষেত্রেও রেস্তোরাঁ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে কারণেই হাউস অব হানের নকশা ও অন্দরসজ্জার প্রতিটি সূক্ষ্ম দিক বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

অতিথিরা রেস্তোরাঁয় এসে উপভোগ করবেন খাবার ও আবহ
অতিথিরা রেস্তোরাঁয় এসে উপভোগ করবেন খাবার ও আবহ

তাঁদের প্রত্যাশা, অতিথিরা রেস্তোরাঁয় এসে শুধু খাবার উপভোগ করবেন না, বরং এর পরিবেশের সঙ্গেও পরিচিত হবেন এবং পুরো সময়টিকে স্মরণীয় করে তুলতে পারবেন। ঢাকার ভোজনরসিকদের উদ্দেশে তাঁর আমন্ত্রণ, যাঁরা বিলাসবহুল পরিবেশে চীনা খাবারের নিজস্ব স্বাদ উপভোগ করতে চান, তাঁরা আসতে পারেন হাউস অব হানে।

ঢাকার রেস্তোরাঁ সংস্কৃতিতে নতুন কোনো গন্তব্যের পরিচয় তৈরি করতে খাবারের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসম্মত পরিবেশনা, ধারাবাহিকতা ও নিজস্বতা। হাউস অব হান সেই জায়গায় চীনা রন্ধনঐতিহ্য, মাস্টার শেফের নেতৃত্ব, সমকালীন স্থাপত্য এবং বিলাসবহুল আতিথেয়তাকে একসূত্রে আনার চেষ্টা করেছে।

রঙের ব্যবহার দৃষ্টি কাড়ে
রঙের ব্যবহার দৃষ্টি কাড়ে

এর ঢেউখেলানো ছাদ, বেতের বুননে তৈরি নান্দনিক বিন্যাস, উষ্ণ রঙের অন্দরসজ্জা এবং চীনা খাবারের বৈচিত্র্যময় তালিকা মিলিয়ে রেস্তোরাঁটি তুলে ধরেছে নিজস্ব পরিচয়। তবে শেষ পর্যন্ত অতিথিদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে খাবারের স্বাদ, পরিবেশনার মান এবং প্রতিটি ভোজনের অভিজ্ঞতা কতটা ধারাবাহিকভাবে ধরে রাখা যায়, তার ওপর। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এই সমন্বয় যদি প্রতিদিনের সেবায় প্রতিফলিত হয়, তাহলে হাউস অব হান ঢাকার বিলাসবহুল ভোজনজগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হয়ে উঠতে পারে।

ছবি: ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ৩০
বিজ্ঞাপন