চীনের পূর্ব উপকূলের শহর সাংহাই বিখ্যাত ফিউশন কুজিনের জন্য। বিভিন্ন ধরনের সয়া সস ও সিজনিং ব্যবহার করে খাবারের স্বাদকে সমৃদ্ধ করা হয়। স্টিমিং ও ব্রুয়িং তাঁদের রান্নার অন্যতম পদ্ধতি। সাংহাইয়ের জনপ্রিয় ও অথেনটিক পদগুলো এই নতুন রেস্তোরাঁয় ফিউচারিস্টিক থিমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিশেষ করে জেনারেশন জেডদের কাছে জনপ্রিয়।
সাইবার-পাঙ্ক থিম মানে ভবিষ্যৎকামী শহরের হাই-টেক ও নোয়্যার স্টাইল। অন্দরসজ্জায় আছে নিওন লাইট, হাই-টেক স্ক্রিন, সাইবারনেটিক এফেক্টস, গ্রাফিটি ও ডিজিটাল আর্ট। কিছুটা ধোঁয়াপূর্ণ পরিবেশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেটালের ব্যবহার জায়গাটিকে ভিন্নতর করেছে।
এখানকার খাবারে ফিউশন ও ফিউচারিস্টিক টুইস্ট লক্ষ্য করা যায়। পানীয়র মধ্যে আছে ‘মলিকিউলার গ্যাস্ট্রোনমি’সহ ককটেল ও স্মার্ট ড্রিঙ্কস। আবহসংগীতে বাজে ইলেকট্রনিক, সাইবার-ওয়েভ, সিথস বা ট্র্যাপ সংগীত।
ধানমন্ডির জিগাতলা মোড়ের সুবাস্তু রিয়ালটো টাওয়ারের তৃতীয় তলায় ২৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় রেস্তোরাঁটির। সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফারহিনা তাহরিম হাসান জানান, ছোটবেলা থেকেই তার খাবারের প্রতি আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ফুড ব্লগিং শুরু করেন। ডাম্পলিং কার্ট খোলার স্বপ্ন শেষমেশ বাস্তবায়িত হয় এই রেস্তোরাঁর মাধ্যমে।
তাহরিমার ভাষায়, এখানে শুধু খাবারের জন্য নয়; বরং মজার অভিজ্ঞতার জন্যও আসা যাবে। জায়গাটিতে স্ট্রিট ফাইটার ভিডিও গেমসহ ছোটদের জন্য খেলার আয়োজন আছে। দামও সাধ্যের মধ্যে। রেস্তোরাঁর অন্য দুই স্বত্বাধিকারী হলেন আসফাক আসিফ ও ফারহিনা তাহরিম হাসান।
ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে নিয়ন লাইটের ঝলক, দেয়ালে অ্যানিমে থিমের সজ্জা। স্টাফদের পোশাকে আছে ফিউচারিস্টিক আউটফিটের ছোঁয়া। মেনু অর্ডার করতে হয় টেবিলে রাখা কিউআর কোড স্ক্যান করে।
স্বাদ নিতে পারেন: অ্যাসরটেড ডাম্পলিং বাস্কেট, এগ ফ্রায়েড রাইস, কুং পাও চিকেন,
বিফ লং বিন, ডেজার্ট ‘সাগো চাও থাই’।
চেনা পরিবেশ থেকে বের হয়ে অন্যতর অভিজ্ঞতা খুঁজলে ব্যস্ত শহরের ক্লান্ত সন্ধ্যায় চলে যেতে পারেন এই সাইবার-পাঙ্ক থিমের রেস্তোরাঁয়।
ছবি: হাল ফ্যাশন