মাটির মটকায় অভিনব পিৎজা
শেয়ার করুন
ফলো করুন

মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৪ নম্বর রোডে ঢুকতেই হাতের বাঁ দিকে তাকালে চোখে পড়বে টি ট্রিট ব্যানারে একটি ছোট ছিমছাম ক্যাফে। চা, কফি, বিভিন্ন রোলসহ বাহারি সব নাশতার আয়োজন থাকে এখানে। তবে মজার ব্যাপার হলো, টি ট্রিট এবার ভোজনরসিকদের জন্য এনেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার পিৎজা। ভাবছেন, এ আর নতুন কী!

আসলেই অন্য সব গতানুগতিক পিৎজা থেকে আলাদা ভঙ্গিমায় হাজির করেছে তারা এই ইতালিয়ান খাবারের অভিনব ফিউশন। প্রথম দেখায় চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা হয়ে যেতে পারে। ক্লে পটে, অর্থাৎ মাটির মটকাতে অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত কায়দায় তৈরি করা হয় এই মটকা পিৎজা। মটকায় চা, বিরিয়ানিসহ বেশ কিছু খাবারের প্রচলন থাকলেও রাজধানীতে একেবারেই নবাগত এই ক্লে পট পিৎজা।

বিজ্ঞাপন

সাধারণত পিৎজা তৈরি হয় প্রশস্থ মোটা গোলাকৃতি রুটির ওপর সসেজ, চিকেন, নানা রকম সবজি, বিভিন্ন সস ও চিজের প্রলেপ দিয়ে। তবে ক্লে পট পিৎজার রন্ধনপ্রণালি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সসেজ, কর্ন, তিন থেকে চার স্তরের চিজের লেয়ার টুকরা করে কাটা বেক করা পিৎজা ডো, চিকেন, মাশরুমসহ ট্রি ট্রিট ক্যাফের সিক্রেট সব মসলার সংমিশ্রণে তৈরি করা হয় এই পিৎজা।

স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় তিন ধরনের সস। দেখতে অনেকটা বেকড পাস্তার মতো হলেও কোনোই মিল নেই। প্রচলিত পিৎজার স্বাদ পুরোপুরি না থাকলেও বেশ বৈচিত্র্যময় এর স্বাদ।

বিজ্ঞাপন

টি ট্রিটের কর্ণধার কাজী সাফায়েত হোসেন জানান, তিনি ভ্রমণপ্রিয়। তাই বিভিন্ন দেশে ঘোরার সুবাদে নানা জায়গার মাটি অথবা স্টিলের মটকায় খাবার পরিবেশন করা দেখেছেন তিনি। আর সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ফিউশনধর্মী এই ক্লে পট পিৎজা উদ্ভাবন করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাটির হাঁড়ি যেহেতু আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ, সেদিক থেকে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার কথা মাথায় রেখে এটি করা।’


দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভোক্তাদের পছন্দের উপযুক্ততা বিচার করে এটি তাঁদের মেন্যুতে যোগ করা হয়েছে। তাঁরা এই ক্লে পট পিৎজার তিনটি ধরন রেখেছেন। এগুলো হলো ইয়াম্মি পিৎজা ২০০ টাকা, নাগা ২৭৫ ও টি ট্রিট স্পেশাল পিৎজা ৩০০ টাকা। নিজেদের উদ্ভাবিত এই ফিউশনধর্মী খাবার বেশ গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ায় ভোজনরসিকদের জন্য ভবিষ্যতে আরও কিছু নতুন চমক নিয়ে আসছে টি ট্রিট ক্যাফে।

ছবি: টি ট্রিট ও লেখক

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫: ১৫
বিজ্ঞাপন