নববর্ষের উদযাপনে থাকুক বৈশাখী শারকুটোরি বোর্ড
শেয়ার করুন
ফলো করুন

সেই ১৫০০ শতাব্দীতে ফ্রান্সে শারকুটোরি বোর্ডের উদ্ভব হলেও আজ সারা বিশ্বেই সাজানো গোছানো এই ফিঙ্গারফুডের আয়োজন বেশ পরিচিত আর জনপ্রিয়ও। শারকুটোরি সাধারণত কাঠের তৈরি বোর্ড, গাছের গুঁড়ি বা পাথরের স্ল্যাবে পরিবেশন করা হতো। বিভিন্ন রকম সংরক্ষিত মাংস, চিজ, কুকিজ ও ড্রাই ফ্রুট দিয়ে সাজানো হতো এটি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই শারকুটোরি বোর্ড যেমন ফরাসি ফুড কালচারে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তেমনি এর উপকরণেও এসেছে বৈচিত্র্য।

উপকরণে বৈচিত্র্য
উপকরণে বৈচিত্র্য

আর এই বৈচিত্র্যের হাওয়া থেকে বাদ পড়েনি আমাদের দেশও। বিভিন্ন উৎসবে বন্ধু ও প্রিয়জনদের আড্ডায় খাবার টেবিলে এখন শোভা পায় সুপার ট্রেন্ডি শারকুটোরি বোর্ড বিভিন্ন রূপে। কখনো সালাদ কখনো বা ফল আবার কখনো আচার বা ডেজার্ট দিয়ে শৈল্পিকভাবে সাজানো হয় এটি।

বিজ্ঞাপন

এই শারকুটোরি বোর্ড সাজানোটাও এক ধরনের শিল্পই যা শিল্পী তার মনের মাধুরী মিশিয়ে করেন। এই আয়োজন শুধু খাবার টেবিলের শোভাই বাড়ায় না। বরং ভালোবাসা আর রুচির প্রকাশ ঘটায় যা দিয়ে সহজেই মন জয় করা যায় আমন্ত্রিত অতিথির। আর উৎসব ও খাবারদাবার তো একেবারে অঙ্গাঅঙগি ভাবেই জড়িত। তা সে উৎসব হোক না ধর্মীয় বা সামাজিক। তাই হালফ্যাশনের নববর্ষের আয়োজনে থাকছে নতুন সাজে নতুন রূপে আমাদের বৈশাখী শারকুটোরি বোর্ড, যা সেজেছে বৈশাখী মেলার সাজে।

সব পাবেন এখানে। টক, ঝাল, মিষ্টি
সব পাবেন এখানে। টক, ঝাল, মিষ্টি
এমন ফিউশনই তো চাই
এমন ফিউশনই তো চাই

নতুন বছরের শুরু আর বাঙালির রসগোল্লা আর জিলাপি দিয়ে মিষ্টি মুখ হবেনা তা কি হয়! কাঁচা আম আর কাসুন্দি সেও তো থাকবেই। থাকতে হবে আড্ডার প্রতীক মুড়ি, চানাচুর মাখা। মেলার মুরুলি, মুড়কি, খাগড়া, নিমকি, বাতাসা, হাওয়াই মিঠাই, মিষ্টি পানও সাজতে পারে এই বৈশাখী শারকুটোরিতে।

এ যেন রূপসী বাংলার রূপ
এ যেন রূপসী বাংলার রূপ
কিন্তু পরিবেশনার আমেজটি আন্তর্জাতিক
কিন্তু পরিবেশনার আমেজটি আন্তর্জাতিক

আর সঙ্গে বৈশাখের নানা রকম রঙিন ফল হলে তো কথাই নেই। পাকা পেঁপের বাসন্তী রং, তরমুজের টকটকে লাল, কচকচে পেয়ারা আর কাঁচা আমের সবুজের সঙ্গে আনারসের হলুদ মিলে এ যেন আমাদের রূপসী বাংলার রূপ শারকুটরি বোর্ডের আদলে সেজেছে আজ। উদযাপনে বৈচিত্র্য আসুক এমন। তবে শেকড় থাকুক শক্ত, ঐতিহ্য থাকুক অটুট৷

বিজ্ঞাপন
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬: ০০
বিজ্ঞাপন