
ঝাঁঝালো মসলার গন্ধ নেই, তেলের আধিক্য নেই, নেই স্বাদ ঢেকে দেওয়ার মতো বাহারি উপকরণের ব্যবহার। অথচ একবার মুখে তুললেই টের পাওয়া যায়—সরলতার মধ্যেও খাবার হতে পারে দারুণ সুস্বাদু। স্থানীয় শাকপাতা, মাছ, শুঁটকি, বাঁশকোঁড়ল, বুনো উদ্ভিদ আর নানা ফারমেন্টেড উপকরণে মণিপুরি রান্নার যে স্বতন্ত্র জগৎ, তার বৈচিত্র্য চমকে দিতে পারে ভোজনরসিকদের। মণিপুরি খাবারের মূল সৌন্দর্যই যেন এর স্বাভাবিকতায়। রান্নায় অতিরিক্ত মসলা বা তেল ব্যবহার না করে উপকরণের নিজস্ব স্বাদ ও ঘ্রাণকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ফলে প্রতিটি পদে আলাদা করে অনুভব করা যায় ব্যবহৃত উপকরণের স্বাদ। আজ ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে মণিপুরি খাবারের সেই বৈচিত্র্যময় জগৎ তুলে ধরতে চাই আমরা। জেনম পাতা মণিপুরি রান্নার অন্যতম উল্লেখযোগ্য স্থানীয় উপকরণ। নিজস্ব ঘ্রাণ ও স্বাদের কারণে এই পাতা খাবারে এনে দেয় আলাদা বৈশিষ্ট্য। অল্প তেল-মসলা দিয়ে রান্না করা হয় জেনম পাতাসহ বিভিন্ন স্থানীয় উপকরণ। এতে অক্ষুণ্ন থাকে উপকরণের স্বাভাবিক স্বাদ ও ঘ্রাণ। এই অনন্য খাবারের স্বাদ ও বৈচিত্র্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন সিলেটের শিবগঞ্জের চাখুম রেস্তোরাঁর এক্সিকিউটিভ শেফ অভিরুপ কুমার সিংহ। চলুন, জেনে নেওয়া যাক জিভে জল আনা কয়েকটি মণিপুরি পদের কথা।


















ছবি: হাল ফ্যাশন