
বাংলাদেশের মিস ওয়ার্ল্ড-যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। তবে এরপর কয়েক বছর তা ছিল অনিয়মিত। ২০১৭ সালে আবারও আয়োজন করা হয় মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা। সেবার তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে বিজয়ী হন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছিলেন জান্নাতুল হিমি ও রুকাইয়া জাহান চমকের মতো পরিচিত মুখ। প্রথম রানারআপ হয়েছিলেন জেসিয়া ইসলাম। তবে এভ্রিলের বিজয়ের পরপরই শুরু হয় বিতর্ক। জানা যায়, ১৬ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিযোগীদের অবিবাহিত হতে হয়। কিন্তু এভ্রিল তাঁর বৈবাহিক অবস্থার তথ্য প্রতিযোগিতার আয়োজকদের কাছে জানাননি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর মুকুট বাতিল করা হয়। পরে সেই মুকুট ওঠে প্রথম রানারআপ জেসিয়া ইসলামের মাথায়। তিনিই মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এভ্রিল জানিয়েছিলেন, গ্রামের বাড়িতে পরিবারের চাপে অল্প বয়সেই তাঁকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও জানান, সেই বিয়ে কখনোই মন থেকে মেনে নেননি এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট হারালেও এভ্রিল আলোচনার বাইরে চলে যাননি। মডেলিংয়ের পাশাপাশি লেডি বাইকার হিসেবে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেন তিনি। মোটরসাইকেল চালানোর বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে নজর কেড়েছেন বারবার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিনোদন অঙ্গনে তাঁর উপস্থিতি আগের তুলনায় কমে যায়। ধীরে ধীরে যেন আড়ালে চলে যান এভ্রিল। এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর উপস্থিতিই ভক্তদের কাছে পুরোনো সেই পরিচিত মুখটির খোঁজ দেয়।















সূত্র: প্রথম আলো, উইকিপিডিয়া, বিবিসি নিউজ বাংলা
ছবি: প্রথম আলো ও এভ্রিলের ইন্সটাগ্রাম