
গরমে নাজেহাল জনজীবন। একদিকে অসহনীয় গরম, ভ্যাপসা অনুভূতি আর অন্যদিকে জ্যামের কারণেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হয়ে পড়ছে কষ্টসাধ্য। এ ছাড়া প্রচুর ঘামের সঙ্গে হিট স্ট্রোকের মতো বিষয়গুলো প্রায়ই চোখে পড়ছে। তাই গরম থেকে যেকোনো উপায়েই চাই মুক্তি। এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় হলো সঠিক পোশাক নির্বাচনে মনোযোগী হওয়া।

আরামদায়ক পোশাক পরলে গরমের অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া সম্ভব। গরম কম অনুভূত হয়, এমন আউটফিট এনেছে এবার অনলাইন ফ্যাশন উদ্যোগ সরলা। আরামদায়ক ফেব্রিকসকে তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ফেব্রিকসের পরেই চলে আসে পোশাকের রং নির্বাচন আর ডিজাইনের বিষয়টিও। এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিয়েছে সরলা।

ফেব্রিকস হিসেবে সুতির পাশাপাশি লিনেন, ভিসকচ, সিল্ক, জর্জেট ফেব্রিকস প্রাধান্য পেয়েছে। পোশাকে হালকা থেকে গাঢ়—সব ধরনের রংই ব্যবহার করা হয়েছে অপূর্ব কম্বিনেশনের মাধ্যমে। এই কালেকশনের প্রতিটি পোশাকই সুন্দর আর চোখে আরাম দেওয়ার মতো। শার্ট, টপস, কুর্তি, মিডি ড্রেস ও পালাজ্জো রয়েছে কালেকশনে।


শাড়িপ্রেমীদেরও হতাশ করেনি ব্র্যান্ডটি। রয়েছে চোখ জুড়ানো সুন্দর সব শাড়িও। ঈদ মাথায় রেখে শাড়িগুলো মূলত নকশা করা হয়েছে। চাইলে পরা যাবে যেকোনো অনুষ্ঠানে।
সরলার স্বত্বাধিকারী মানসুরা ইয়াসমিন স্পৃহা বলেন, ‘আমি বরাবরই প্রকৃতি, জনজীবন, রং—এগুলো থেকে প্রেরণা পাই। চারপাশে যা দেখি, তা-ই পোশাকের জমিনে ফুটিয়ে তুলি।

যেমন গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, জারুল, সোনালুর মতো নানা ধরনের ফুল ফোটে। অনেকটা অনাদরেই সেসব ফুল আমাদের মাতিয়ে রাখে। আমাদের পোশাকে এবার এসব ফুলের সমারোহ চোখে পড়বে ক্রেতাদের। আমরা ছোটবেলার মাঠে কুড়িয়ে পাওয়া দুপুরফুল বা দুপুরমণি নকশায় এনেছি। স্থান পেয়েছে জারুলও।


গ্রীষ্মকালীন নানা ফল, লেবু অথবা ঠান্ডা ঠান্ডা এক গ্লাস জুস দেখলেই এই গরমে মনটা আরামে ভরে ওঠে যেন। সেগুলোও পোশাকের জমিনে উঠে এসেছে। পোষা প্রাণিপ্রেমীদের জন্য “মিয়াও” থিমের শার্টও রয়েছে।’

মানসুরা ইয়াসমিন স্পৃহা আরও জানান, ‘ডিজাইন আর কাটিং না দেখে আপনি যে কাপড় পরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেটাই বেছে নেওয়া উচিত।’
ছবি: সরলা