নতুন এই ঈদ কালেকশনের শাড়িগুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আরামদায়ক ফ্যাব্রিক, পরিমিত রঙের ব্যবহার এবং সূক্ষ্ম নকশার দিকে। দৈনন্দিন ব্যবহার থেকে শুরু করে উৎসব কিংবা বিশেষ কোনো আয়োজন—সব ক্ষেত্রেই মানিয়ে যাবে এমন ভাবনায় তৈরি করা হয়েছে প্রতিটি শাড়ি।
নিজস্ব উইভিং ডিজাইনে মোটিফের সৃজনশীল প্রয়োগ, মনোমুগ্ধকর রঙের সমন্বয় এবং বিভিন্ন মাধ্যমের ব্যবহার এই কালেকশনকে করেছে আরও বৈচিত্র্যময়।
উৎসবের আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে শাড়ির আঁচল, পাড় ও জমিনে স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে নিখুঁত এমব্রয়ডারি ও কারচুপির কাজ। কোথাও ভারী স্ক্রিন প্রিন্টের সঙ্গে সূক্ষ্ম সূচিকর্ম, আবার কোথাও আলাদা কাপড়ের সংযোজনে তৈরি করা হয়েছে ভিন্নধর্মী নকশা।
ফলে শাড়িগুলো যেমন উৎসবের পার্টি বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য মানানসই, তেমনি স্বাভাবিক সময়েও সহজেই পরা যাবে।
দিনের বেলায় স্বাচ্ছন্দ্যময় ঈদ সাজের জন্য সুতি বা তাঁতের সুতি শাড়ি হতে পারে দারুণ পছন্দ। আর সন্ধ্যা কিংবা রাতের আয়োজনে সিল্ক, জয়শ্রী সিল্ক, হাফ সিল্ক কিংবা অর্গানজার শাড়ি যোগ করবে বাড়তি আভিজাত্য।
নকশার দিক থেকেও এই কালেকশনে রয়েছে নানা ধরনের মোটিফের সমাহার। মুঘল আর্ট, ফ্লোরাল, জামদানি অনুপ্রাণিত নকশা, ট্র্যাডিশনাল কাঁথা স্টিচ, ইজনিক, পেইসলে, আলাম ও টার্কিশ মোটিফ—সব মিলিয়ে প্রতিটি শাড়ি যেন নিজস্ব গল্প বলছে।
রঙের প্যালেটেও রয়েছে দারুণ বৈচিত্র্য। মেরুন, ম্যাজেন্টা, পার্পল, ল্যাভেন্ডার, ভায়োলেট, পিংক, নেভি, কোবাল্ট, সাদা, পার্ল হোয়াইট, অফ-হোয়াইট, সিলভার, ব্রিক রেড, জেড গ্রিন, ইয়েলো, টিল ও কফি—এমন নানা শেডের সমাহারে শাড়িগুলো হয়ে উঠেছে উৎসবের জন্য প্রাণবন্ত।

উজ্জ্বল রং ও কনট্রাস্ট কম্বিনেশনের এই কালেকশনে রয়েছে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট ও কারচুপির সমন্বয়।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো—এই শাড়িগুলোর দাম রাখা হয়েছে বেশ সাশ্রয়ী। কালেকশনের শাড়ির মূল্য ২০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে। আর তাঁতের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে থাকা কে ক্র্যাফট-এর শোরুম ছাড়াও অনলাইন শপ ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সহজেই অর্ডার করা যাবে এই ঈদ কালেকশনের শাড়িগুলো।
ফলে ঘরে বসেই নিজের পছন্দের শাড়ি বেছে নেওয়া যাবে, আর ঈদের উৎসবে শাড়ির আভায় ফুটে উঠবে বাঙালিয়ানা ও উৎসবের সৌন্দর্য।
ছবি: কে ক্রাফট