
আজ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আলবিসেলেস্তেরা এখনো শিরোপার লড়াইয়ে টিকে আছে। সমর্থকদের আশা, আরও একটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবেন লিওনেল মেসিরা। আর সেই অভিযানে তাঁদের সঙ্গী হয়েছে দীর্ঘদিনের সহযোগী জার্মান ক্রীড়াসামগ্রীর ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস।
এবারের হোম জার্সিতে বরাবরের পরিচিত আকাশি-সাদা ডোরাকাটা নকশা থাকলেও অ্যাডিডাস যুক্ত করেছে সূক্ষ্ম গ্র্যাডিয়েন্ট ইফেক্ট। নীল ডোরার ভেতরের শেডগুলো অনুপ্রাণিত হয়েছে আর্জেন্টিনার তিনটি বিশ্বজয়ের স্মৃতি থেকে। যেন ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২—তিনটি সোনালি অধ্যায় একই নকশায় একসূত্রে গাঁথা।
অ্যাওয়ে জার্সির গল্পও আলাদা। কালো বেসের ওপর ফুটে উঠেছে ঘূর্ণায়মান নীল-সাদা মোটিফ, যার অনুপ্রেরণা বুয়েনস এইরেসের ঐতিহ্যবাহী ফিলেতেয়াদো পোর্তেনিও লোকশিল্প। উনিশ শতকের শেষভাগে জন্ম নেওয়া এই শিল্পধারা ইউনেসকোর স্বীকৃত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। একসময় বুয়েনস এইরেসের ঘোড়ার গাড়ি ও বাসের গায়ে দেখা মিলত এর রঙিন অলংকরণের। সেই নগর-সংস্কৃতিই এবার আধুনিক ছোঁয়ায় জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনার অ্যাওয়ে জার্সির নকশায়।
তবে শুধু মাঠেই নয়, এই জার্সিকে অ্যাডিডাস তারকারা নিয়ে গেছেন অন্য মাত্রায়। হোম আর অ্যাওয়ে—দুই কিটেই নিজেদের মতো করে স্টাইল করেছেন তাঁরা, যার ছবি জায়গা পেয়েছে অ্যাডিডাসের ইনস্টাগ্রাম পেজে। ছেলেরা কীভাবে আর্জেন্টিনার জার্সি স্টাইল করতে পারেন, তার অনুপ্রেরণা হতে পারে এসব ছবি। সময়ের সঙ্গে ফুটবল জার্সি এখন আর শুধু মাঠের পোশাক নয়; স্ট্রিট স্টাইল আর ফ্যাশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের কাছে। এই জার্সি স্টাইল করার উপায়ের কোনো সীমা নেই। আজকের আয়োজনে থাকল মেসি, ম্যাক অ্যালিস্টার, দে পল আর নিকো পাজের স্টাইলিংয়ের গল্প।













