
ভোট দেওয়া মানে শুধু নাগরিক দায়িত্বই নয়, নিজের মত প্রকাশের এক গর্বের মুহূর্তও। সেই মুহূর্তের ছবি স্মৃতিতে থাকুক পরিমিত স্টাইল আর সচেতনতার ছাপ নিয়ে।
নির্বাচনী আমেজ একদম তুঙ্গে । দীর্ঘদিন পর আবার উৎসবের আবহে ভোট হতে যাচ্ছে। অনেকেই প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছেন এবার, আবার অনেকের কাছেই ভোট মানে দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে আবেগ।


এমন দিনে শুধু ভোট নয়, ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে ভোট দেওয়া আর হাতের কালির ছাপের স্মৃতি ধরে রাখতে সেলফি বা হাতের ছবি তোলা একেবারেই স্বাভাবিক। তাই নির্বাচনী ফ্যাশন নিয়ে একটু ভাবনাচিন্তা তো করাই যায়। ভোট দিতে যাওয়ার লুক হওয়া চাই আরামদায়ক, পরিমিত আর রুচিশীল। খুব ভারী সাজ নয়, আবার একেবারে অগোছালোও নয়, ঠিক মাঝামাঝি একটা স্টাইলই এই দিনের জন্য পারফেক্ট।
পোশাকে আরামই প্রথম শর্ত
দিনভর লাইন, হাঁটাহাঁটি সব মিলিয়ে আরামটাই হতে হবে এদিনের প্রথম শর্ত। নারীদের জন্য সুতি বা লিনেন শাড়ি, সলিড রঙের কুর্তি-পালাজ্জো আর সালোয়ার-কামিজ ভালো অপশন।

পুরুষদের জন্য সুতি পাঞ্জাবি, টি শার্ট , সুতির শার্ট আর জিন্স আরামদায়ক ও স্মার্ট লুক দেবে। রঙের ক্ষেত্রে সাদা, অফ-হোয়াইট, বেইজ, হালকা নীল, সবুজ বা প্যাস্টেল শেড ভোটের দিনের পরিবেশের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যাবে।
গয়না ও অনুষঙ্গ
নির্বাচনের দিন ভোট দিতে গেলে ভারী গয়না এড়িয়ে চলাই ভালো । মেয়েদের ক্ষেত্রে ছোট স্টাড, হালকা ঝুমকা, সিম্পল ব্রেসলেট বা একটি ঘড়িই যথেষ্ট।

ক্রস-বডি ব্যাগ বা ছোট স্লিং ব্যাগ হলে হাত ফাঁকা থাকে তাই ছবি তোলার সময়ও সুবিধা হবে আপনার।
মেকআপে ফ্রেশ লুকই সেরা
হালকা বেস, একটু ব্লাশ, লিপবাম বা সেমি ম্যাট লিপস্টিক। ব্যাস এইটুকুই। অতিরিক্ত কনট্যুর বা ভারী আই মেকআপের দরকার নেই।

চুল খোলা, লো-বান বা সিম্পল পনিটেল, যেটায় আপনি সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ সেটাই করুন।

ভোট দেওয়া মানে শুধু নাগরিক দায়িত্বই নয়, নিজের মত প্রকাশের এক গর্বের মুহূর্তও। সেই মুহূর্তের ছবি স্মৃতিতে থাকুক পরিমিত স্টাইল আর সচেতনতার ছাপ নিয়ে। তাই ভোট দিতে যান মন খুলে, আত্মবিশ্বাস নিয়ে আর স্টাইলটা থাকুক একদম নিজের মতো।
ছবি: এআই ও তারকাদের ফেসবুক পেজ