
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী লোকজ শিল্প খাদি বাই নুভিয়া পোশাককে বরাবরই করেছে আকর্ষণীয়। এই ব্র্যান্ড এবার জমিন অলংকরণে পটচিত্র, গাজীর পট, মধুবনী, ওয়ার্লি, সিরামিক আর্ট আর পপ–আর্টের মোটিফকে নান্দকিনভাবে উপস্থাপন করেছে তাদের পূজা সংগ্রহের পোশাকে। এর সঙ্গে আছে নানা ধরনের ফুলেল মোটিফ। উজ্জ্বল রঙের সঙ্গে মোটিফের সামঞ্জস্যপূর্ণ উপস্থিতি এই অস্থির সময়ের বিষাদময়তা ঘুচিয়ে তুলতে পারবে। উৎসব হয়ে উঠবে আনন্দমুখর।
.jpeg?w=640&auto=format%2Ccompress&fmt=webp)
ষষ্ঠী থেকে দশমী— পাঁচ দিনের সাজপোশাকে চাই নতুনত্ব। খাদি বাই নুভিয়ার পূজার বিশেষ আকর্ষণ দুর্গা মোটিফ প্রিন্ট করা শাড়ি। সাদা জমিন আর লাল পাড়ের এই শাড়ির আঁচলের ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দুর্গা ও তাঁর সন্তানদের। আঁচলের মাঝে দুর্গা। মায়ের চারপাশ ঘিরে আছে সন্তানেরা— চারদিকে লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ আর কার্তিক। দৃষ্টি এড়ায় না পদ্মের উপস্থিতিও। পাড় ও আঁচলে আলপনা মোটিফ শাড়িকে দিয়েছে উৎসবের আমেজ।
‘নিজেকে খুশি রাখার জন্য নেতিবাচকতাকে দূরে ঠেলে জীবনকে প্রতিমুহূর্তে উপভোগ করতে হবে’—এই বার্তা নিয়ে এবারের সংগ্রহে আরেকটি বিশেষ শাড়ি এনেছে খাদি বাই নুভিয়া। নাম দেওয়া হয়েছে ‘থিঙ্ক হ্যাপি থটস’। জমিনে ডুরে প্যাটার্ন আর আঁচলে ‘থিঙ্ক হ্যাপি থটস’ ডুডল করা। সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করা এবং নিজের আনন্দের জন্য কাজ করে যাওয়ার ভাবনা থেকে শাড়িটি করা হয়েছে বলে জানান খাদি বাই নুভিয়ার স্বত্বাধিকারী ফাতেমা তুজ জোহরা নুভিয়া।

গাজীর পট ও মধুবনী নকশার মিশিয়ে করা হয়েছে ‘মাধুকরী’ শাড়ি। মুনসিল্ক কাপড়ে নীলাভ ধূসর শাড়ির জমিন ও পাড়জুড়ে বর্ণিল ডিজিটাল প্রিন্টে ফুটে ওঠেছে গাজী পীরের আখ্যান আর মধুবনী আর্টের সৌন্দর্য। আধুনিক পপ–আর্ট ও অন্যান্য জনপ্রিয় আর্টফর্ম থেকে প্রাণিত হয়ে নকশা করা হয়েছে ‘ফ্লোরা’ শাড়ি। কালো মুনসিল্ক শাড়িতে ডিজিটাল প্রিন্টে ক্যাকটাস ও নারীর মুখাবয়ব ফুটে উঠেছে। ‘হিরণবালা’ শাড়ি মোগল আর্টে প্রেরণায় করা। ‘অরু’ শাড়ি নজর কাড়ছে পটচিত্র ও ওয়ার্লি আর্টের যুগলবন্দীতে।
খাদি বাই নুভিয়ার দুর্গাপূজা সংগ্রহে আরও আছে ফুল ও প্রকৃতির প্রেরণায় ডিজাইন করা শাড়ি। হালকা মভ ‘ঝুমকো’ শাড়িতে আছে বিমূর্ত ফুলেল প্রিন্ট। পূজাসহ অন্যান্য যেকোনো উৎসব ও অনুষ্ঠানে শাড়িগুলো পরা যাবে। খাদি বাই নুভিয়ার রঙিন সালোয়ার-কামিজ সমানভাবে নজর কাড়ছে ক্রেতাদের। শাড়ির মতো গাজীর পট, মাধুবনী, পটচিত্র, ওয়ার্লি আর্ট ও সিরামিক আর্ট ফুটে উঠেছে কামিজের জমিনে। গোলাপি, সাদা, নেভি ব্লু, অফহোয়াইট, ধূসর, হলুদ রঙের সালোয়ার-কামিজ গরমেও স্বস্তি দেবে।
.jpg?w=640&auto=format%2Ccompress&fmt=webp)
শুধু পূজা নয়, অফিস, ক্যাম্পাস ও যেকোনো দাওয়াতে বেশ মানিয়ে যাবে পোশাকগুলো। পুরো সেট কিংবা শুধু কামিজ বা কামিজ-ওড়না, কামিজ-সালোয়ার যেকোনোভাবেই কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
ছবি: খাদি বাই নুভিয়া