কানের রানির দেখা নেই কেন? দেখুন রেডকার্পেটে তাঁর যত স্মরণীয় লুক
শেয়ার করুন
ফলো করুন

কান চলচ্চিত্র উৎসবের সময় উপমহাদেশীয় ও পশ্চিমা ফ্যাশন সমালোচকেরা সবচেয়ে বেশি যাঁর লুক দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, তিনি হলেন বলিউড ডিভা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। প্রতি বছরই তাঁর উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয় আলাদা উন্মাদনা। তবে এবার এখনো কানের লালগালিচায় দেখা মেলেনি তাঁর। ফলে ফ্যাশন সমালোচক থেকে শুরু করে ভক্ত সবার মনেই একটাই প্রশ্ন, কানের রানির হলো কী?

দীর্ঘ অনেক বছর ধরে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের অন্যতম আইকনিক মুখ হিসেবে পরিচিত ঐশ্বরিয়া। গ্লোবাল বিউটি অ্যাম্বাসেডর ও ভারতীয় সিনেমার প্রতিনিধি হিসেবে নিয়মিতই তিনি অংশ নিয়ে আসছেন এই উৎসবে। তাঁর রেড কার্পেট লুক, পোশাক ও স্টাইলিং ঘিরে প্রতি বছরই তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনা। বিমানবন্দর লুক থেকে শুরু করে গালা  সবকিছুতেই নজর থাকে ভক্তদের। তাই কান ২০২৬-এ ঐশ্বরিয়ার অনুপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনা।

বিশেষ করে, ল’রিয়াল প্যারিসের কান ক্যাম্পেইন ও পোস্টারে তাঁকে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি আরও বেশি আলোচনায় আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে নানা কথা। একজন ভক্ত লিখেছেন, “এটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে! ল’রিয়াল এমন একজন কিংবদন্তিকে বাদ দিয়েছে, যিনি পুরো এশিয়ায় ব্র্যান্ডটির পরিচিতি বাড়িয়েছেন।” আরেকজন মন্তব্য করেন, “নতুন মুখদের জায়গা দিতে গিয়ে আপনারা ভুলে যাচ্ছেন, ঐশ্বরিয়াই এই ব্র্যান্ডকে এশিয়ায় জনপ্রিয় করে তুলেছেন।”

তবে উৎসবের শুরুর দিকে দেখা না গেলেও, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সমাপনী আয়োজনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই বলি ডিভার। ২০০২ সালে ‘দেবদাস’ সিনেমার প্রচারণা নিয়ে প্রথমবার কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় পা রেখেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সেই শুরু থেকে আজ পর্যন্ত, প্রতি বছরই গ্ল্যামারাস উপস্থিতি আর নজরকাড়া লুকে কান মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। দুই দশকে কানের লালগালিচায় ঐশ্বরিয়ার সবচেয়ে আইকনিক কান লুক নিয়েই আজকের আয়োজন।

১/২৯
২০০২ সালে ‘দেবদাস’ সিনেমার প্রচারণার সময় প্রথমবার কানের লালগালিচায় পা রাখেন ঐশ্বরিয়া। নীতা লুল্লার ডিজাইন করা ঝলমলে হলুদ-সোনালি শাড়ির সেই নজরকাড়া লুক দিয়ে হয়ে তিনি উঠেছিলেন কানের রানি। পশ্চিমা ফ্যাশনের ভিড়ে সেই লুক ছিল একদম আলাদা ।
২০০২ সালে ‘দেবদাস’ সিনেমার প্রচারণার সময় প্রথমবার কানের লালগালিচায় পা রাখেন ঐশ্বরিয়া। নীতা লুল্লার ডিজাইন করা ঝলমলে হলুদ-সোনালি শাড়ির সেই নজরকাড়া লুক দিয়ে হয়ে তিনি উঠেছিলেন কানের রানি। পশ্চিমা ফ্যাশনের ভিড়ে সেই লুক ছিল একদম আলাদা ।
বিজ্ঞাপন
২/২৯
পরের বছরও তিনি ভরসা রাখেন একই ডিজাইনারের ওপর। এবার ঐশ্বরিয়া হাজির হন এক ব্যতিক্রমী লুকে।  উজ্জ্বল লাইম গ্রিন শাড়ির সঙ্গে তিনি পরেছিলেন মাল্টিকালার স্টোন-ডিটেইলিং করা স্প্যাগেটি-স্ট্র্যাপ টপ। সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে তাঁর ব্লাউজের এই বিকল্প স্টাইলিং।  সে সময় কানের রেড কার্পেটে এমন রঙের ব্যবহার ছিল বেশ অপ্রচলিত।
পরের বছরও তিনি ভরসা রাখেন একই ডিজাইনারের ওপর। এবার ঐশ্বরিয়া হাজির হন এক ব্যতিক্রমী লুকে।  উজ্জ্বল লাইম গ্রিন শাড়ির সঙ্গে তিনি পরেছিলেন মাল্টিকালার স্টোন-ডিটেইলিং করা স্প্যাগেটি-স্ট্র্যাপ টপ। সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে তাঁর ব্লাউজের এই বিকল্প স্টাইলিং।  সে সময় কানের রেড কার্পেটে এমন রঙের ব্যবহার ছিল বেশ অপ্রচলিত।
বিজ্ঞাপন
৩/২৯
২০০৪ সালে ঐশ্বরিয়া  আবারও হাজির হন নীতা লুল্লার ডিজাইন করা সাহসী কাট-আউট গাউনে। উদ্বোধনী আয়োজনে তাঁর এই  রিভিলিং গাউন লুকটি নিয়ে সে সময় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। অনেকেই এটিকে তাঁর অন্যতম  বিতর্কিত কান লুকগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেন।
২০০৪ সালে ঐশ্বরিয়া  আবারও হাজির হন নীতা লুল্লার ডিজাইন করা সাহসী কাট-আউট গাউনে। উদ্বোধনী আয়োজনে তাঁর এই  রিভিলিং গাউন লুকটি নিয়ে সে সময় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। অনেকেই এটিকে তাঁর অন্যতম  বিতর্কিত কান লুকগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেন।
৪/২৯
২০০৫ সালে এসেছিলেন প্লাঞ্জিং গুচি গাউনে।
২০০৫ সালে এসেছিলেন প্লাঞ্জিং গুচি গাউনে।
৫/২৯
এই উপস্থিতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রেড কার্পেট ফ্যাশনে ঐশ্বরিয়ার আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত রূপ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এই উপস্থিতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রেড কার্পেট ফ্যাশনে ঐশ্বরিয়ার আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত রূপ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৬/২৯
নববিবাহিত ঐশ্বরিয়া স্বামী অভিষেক বচ্চনের হাত ধরে কানের লালগালিচায় হাজির হয়েছিলেন ২০০৭ সালে। দুজনের রসায়ন ও উপস্থিতি মুহূর্তেই সবার নজর কাড়ে। ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের সেই আবহও যেন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল তাঁদের এই রেড কার্পেট উপস্থিতিতে।সে সময় তাঁকে দেখা যায় জর্জিও আরমানির স্ট্র্যাপলেস গাউনে
নববিবাহিত ঐশ্বরিয়া স্বামী অভিষেক বচ্চনের হাত ধরে কানের লালগালিচায় হাজির হয়েছিলেন ২০০৭ সালে। দুজনের রসায়ন ও উপস্থিতি মুহূর্তেই সবার নজর কাড়ে। ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের সেই আবহও যেন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল তাঁদের এই রেড কার্পেট উপস্থিতিতে।সে সময় তাঁকে দেখা যায় জর্জিও আরমানির স্ট্র্যাপলেস গাউনে
৭/২৯
আগের বছরের  লুকটি তাঁর এতটাই পছন্দ হয়েছিল যে পরের বছরও তিনি একই ডিজাইনারের আরেকটি স্ট্র্যাপলেস গাউন বেছে নেন।
আগের বছরের  লুকটি তাঁর এতটাই পছন্দ হয়েছিল যে পরের বছরও তিনি একই ডিজাইনারের আরেকটি স্ট্র্যাপলেস গাউন বেছে নেন।
৮/২৯
২০১৪ সালে তাঁর কান রেড কার্পেট মাতানো রবার্টো কাভালি ফিশটাইল গাউনটিও ছিল বেশ নজরকাড়া । স্ট্র্যাপলেস সোনালি গাউনটি ঝড় তুলেছিল ফ্যাশন দুনিয়ায়।
২০১৪ সালে তাঁর কান রেড কার্পেট মাতানো রবার্টো কাভালি ফিশটাইল গাউনটিও ছিল বেশ নজরকাড়া । স্ট্র্যাপলেস সোনালি গাউনটি ঝড় তুলেছিল ফ্যাশন দুনিয়ায়।
৯/২৯
ছবিটি ২০১৫ সালের ৬৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের।  ঐশ্বরিয়া একটি ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত হন রালফ অ্যান্ড রুসোর ডিজাইন করা স্ট্র্যাপলেস বলগাউনে।
ছবিটি ২০১৫ সালের ৬৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের।  ঐশ্বরিয়া একটি ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত হন রালফ অ্যান্ড রুসোর ডিজাইন করা স্ট্র্যাপলেস বলগাউনে।
১০/২৯
২০১৬ সালে ঐশ্বরিয়া পরেছিলেন লেবানিজ ডিজাইনার রামি কাদির ডিজাইন করা ফ্লোরাল প্যাস্টেল গাউন।
২০১৬ সালে ঐশ্বরিয়া পরেছিলেন লেবানিজ ডিজাইনার রামি কাদির ডিজাইন করা ফ্লোরাল প্যাস্টেল গাউন।
১১/২৯
এই লুকটির সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল তাঁর সাহসী ল্যাভেন্ডার-পার্পল লিপস্টিক, যা সে সময় ব্যাপক মিডিয়া কভারেজ ও অনলাইন আলোচনার জন্ম দেয়।
এই লুকটির সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল তাঁর সাহসী ল্যাভেন্ডার-পার্পল লিপস্টিক, যা সে সময় ব্যাপক মিডিয়া কভারেজ ও অনলাইন আলোচনার জন্ম দেয়।
১২/২৯
লালগালিচায় ঐশ্বরিয়ার সবচেয়ে স্মরণীয় লুক কল্পনা করলে, অনেকের মনেই ভেসে ওঠে ২০১৭ সালের সেই আইকনিক নীল বলগাউনটি । এই লুককে অনেকেই ঐশ্বরিয়ার “সিন্ডারেলা মোমেন্ট” বলে জানেন।  
লালগালিচায় ঐশ্বরিয়ার সবচেয়ে স্মরণীয় লুক কল্পনা করলে, অনেকের মনেই ভেসে ওঠে ২০১৭ সালের সেই আইকনিক নীল বলগাউনটি । এই লুককে অনেকেই ঐশ্বরিয়ার “সিন্ডারেলা মোমেন্ট” বলে জানেন।
১৩/২৯
যেন রূপকথার রাজকীয় আবহ ফুটে উঠেছিল তাঁর সাজে ।
যেন রূপকথার রাজকীয় আবহ ফুটে উঠেছিল তাঁর সাজে ।
১৪/২৯
২০১৮ সালে ডিজাইনার মাইকেল সিনকোর সঙ্গে জুটি বাধেন ঐশ্বরিয়া রাই । কানের লালগালিচায় হাজির হন একেবারে ব্যতিক্রমী লুকে।
২০১৮ সালে ডিজাইনার মাইকেল সিনকোর সঙ্গে জুটি বাধেন ঐশ্বরিয়া রাই । কানের লালগালিচায় হাজির হন একেবারে ব্যতিক্রমী লুকে।
১৫/২৯
আল্ট্রা ভায়োলেট, মিডনাইট ব্লু ও লাল থ্রেডওয়ার্কের সূক্ষ্ম কাজে তৈরি এই আউটফিটে ছিল ভারী ক্রিস্টালের অলঙ্করণ। বাটারফ্লাই-অনুপ্রাণিত এই গাউনটির সঙ্গে ছিল ২০ ফুট লম্বা বাটারফ্লাই কেপ
আল্ট্রা ভায়োলেট, মিডনাইট ব্লু ও লাল থ্রেডওয়ার্কের সূক্ষ্ম কাজে তৈরি এই আউটফিটে ছিল ভারী ক্রিস্টালের অলঙ্করণ। বাটারফ্লাই-অনুপ্রাণিত এই গাউনটির সঙ্গে ছিল ২০ ফুট লম্বা বাটারফ্লাই কেপ
১৬/২৯
২০১৯ সালে তিনি রেড কার্পেটে ছড়িয়ে দেন ঝলমলে রাজকী আভা। পরেছিলেন লেবানিজ ডিজাইনার জ্যঁ-লুই সাবাজির মেটালিক গোল্ড মেরমেইড গাউন। গাউনের নিচের অংশে ছিল লম্বা কেপ-সদৃশ ট্রেন।
২০১৯ সালে তিনি রেড কার্পেটে ছড়িয়ে দেন ঝলমলে রাজকী আভা। পরেছিলেন লেবানিজ ডিজাইনার জ্যঁ-লুই সাবাজির মেটালিক গোল্ড মেরমেইড গাউন। গাউনের নিচের অংশে ছিল লম্বা কেপ-সদৃশ ট্রেন।
১৭/২৯
একদিকে স্ট্রাকচার্ড হাই-শোল্ডার অ্যাসিমেট্রিক্যাল স্লিভ এবং অন্যদিকে গভীর প্লাঞ্জিং নেকলাইন পুরো লুকটিকে দিয়েছে সাহসী ও আধুনিক আবেদন।
একদিকে স্ট্রাকচার্ড হাই-শোল্ডার অ্যাসিমেট্রিক্যাল স্লিভ এবং অন্যদিকে গভীর প্লাঞ্জিং নেকলাইন পুরো লুকটিকে দিয়েছে সাহসী ও আধুনিক আবেদন।
১৮/২৯
আরেকটি লুকে পরেছেন মাল্টি-লেয়ার্ড সাদা গাউন।
আরেকটি লুকে পরেছেন মাল্টি-লেয়ার্ড সাদা গাউন।
১৯/২৯
রাফল ডিটেইলিং ও মানানসই ফক্স-ফার স্কার্ফ পুরো লুকটিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।  
রাফল ডিটেইলিং ও মানানসই ফক্স-ফার স্কার্ফ পুরো লুকটিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।
২০/২৯
ডিজাইনার গৌরব গুপ্তের বার্থ অব ভেনাস গাউনে কান-এ বিশ বছর সেলিব্রেট করেছিলেন ২০২২ সালে এই বিশ্ব সুন্দরী। স্ট্রাকচার্ড এই প্যাস্টেল মভ গাউনটির কথা ভোলা যায় না। যা তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৩,৫০০ ঘণ্টা।
ডিজাইনার গৌরব গুপ্তের বার্থ অব ভেনাস গাউনে কান-এ বিশ বছর সেলিব্রেট করেছিলেন ২০২২ সালে এই বিশ্ব সুন্দরী। স্ট্রাকচার্ড এই প্যাস্টেল মভ গাউনটির কথা ভোলা যায় না। যা তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৩,৫০০ ঘণ্টা।
২১/২৯
কান অভিষেকের দুই দশক পূর্তিতে লালাগালিচায় তাঁকে দেখা যায় ডলচে অ্যান্ড গাবানার চোখধাঁধানো কালো ও ফুলেল গাউনে ।
কান অভিষেকের দুই দশক পূর্তিতে লালাগালিচায় তাঁকে দেখা যায় ডলচে অ্যান্ড গাবানার চোখধাঁধানো কালো ও ফুলেল গাউনে ।
২২/২৯
২৩/২৯
দুবাইভিত্তিক বিলাসবহুল ডিজাইনার লেবেল সোফি কতুরের অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি বিশাল হুড তোলা গাউনে কানের রানি । ২০২৩ সালে এই পোশাকে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। অনেকে তাঁকে ফয়েলে প্যাঁচানো শর্মা রোলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন মন্তব্যে।
দুবাইভিত্তিক বিলাসবহুল ডিজাইনার লেবেল সোফি কতুরের অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি বিশাল হুড তোলা গাউনে কানের রানি । ২০২৩ সালে এই পোশাকে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। অনেকে তাঁকে ফয়েলে প্যাঁচানো শর্মা রোলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন মন্তব্যে।
২৪/২৯
২০২৪ সালে দুটি লুকে রেড কার্পেটে হাজির হন বলিউড ডিভা।তিনি ব্যতিক্রম ধাঁচের চোখধাঁধানো সাজপোশাক মুগ্ধ করেছে ফ্যাশনপ্রেমীদের। সাদা–কালো সুইটহার্ট নেকলাইনের গাউনে ছিল ড্রামাটিক পাফি স্লিভ। বুকের কাছে গলানো সোনার পাত দিয়ে নকশা করা, যা দেখতে অনেকটাই বজ্রপাতের নকশার মতো । গাউনের লম্বা ট্রেনে বড় বড় সোনার ফুলের এমবেলিশমেন্ট।
২০২৪ সালে দুটি লুকে রেড কার্পেটে হাজির হন বলিউড ডিভা।তিনি ব্যতিক্রম ধাঁচের চোখধাঁধানো সাজপোশাক মুগ্ধ করেছে ফ্যাশনপ্রেমীদের। সাদা–কালো সুইটহার্ট নেকলাইনের গাউনে ছিল ড্রামাটিক পাফি স্লিভ। বুকের কাছে গলানো সোনার পাত দিয়ে নকশা করা, যা দেখতে অনেকটাই বজ্রপাতের নকশার মতো । গাউনের লম্বা ট্রেনে বড় বড় সোনার ফুলের এমবেলিশমেন্ট।
২৫/২৯
সে বছর তাঁর এই পোশাক অনেকেরই মনে ধরেনি তবে আলোচলা হয়েছে অনেক।
সে বছর তাঁর এই পোশাক অনেকেরই মনে ধরেনি তবে আলোচলা হয়েছে অনেক।
২৬/২৯
। আরেকটি লুকে বেছে নেন ভারতীয় ডিজাইনার ফাল্গুনী শেন পিককের রুপালি ফিরোজা ‘টিনসেল’ গাউন। এতেও আছে বিশাল বড় ড্রামাটিক স্লিভ ও লম্বা ট্রেন। এই পোশাকে প্রিয় তারকাকে দেখে অনেকের যেমন ভালো লেগেছে আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তাঁর স্টাইলিস্টের কঠোর সমালোচনা।
। আরেকটি লুকে বেছে নেন ভারতীয় ডিজাইনার ফাল্গুনী শেন পিককের রুপালি ফিরোজা ‘টিনসেল’ গাউন। এতেও আছে বিশাল বড় ড্রামাটিক স্লিভ ও লম্বা ট্রেন। এই পোশাকে প্রিয় তারকাকে দেখে অনেকের যেমন ভালো লেগেছে আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তাঁর স্টাইলিস্টের কঠোর সমালোচনা।
২৭/২৯
 ২০২৫ সালেও কানের রানির দেখা মেলেনি প্রথমেই। প্রথম লুকে  ভারতের গ্লোবাল ডিজাইনার মনীষ মালহোত্রার ডিজাইন করা চোখজুড়ানো আইভরি অনসম্বলে একেবারে ট্র্যাডিশনাল লুকে এসেছিলেন তিনি ।
২০২৫ সালেও কানের রানির দেখা মেলেনি প্রথমেই। প্রথম লুকে  ভারতের গ্লোবাল ডিজাইনার মনীষ মালহোত্রার ডিজাইন করা চোখজুড়ানো আইভরি অনসম্বলে একেবারে ট্র্যাডিশনাল লুকে এসেছিলেন তিনি ।
২৮/২৯
বেনারসী শাড়ি, ম্যাচিং ওড়না আর রুবি পাথরের চোখধাঁধানো গয়নার সঙ্গে সিঁদুর নজর কেড়েছে তাঁর।
বেনারসী শাড়ি, ম্যাচিং ওড়না আর রুবি পাথরের চোখধাঁধানো গয়নার সঙ্গে সিঁদুর নজর কেড়েছে তাঁর।
২৯/২৯
দ্বিতীয় লুকেও হতাশ করেননি  না ঐশ্বরিয়া। ভারতীয় ডিজাইনার গৌরব গুপ্তর নকশা করা স্ট্রেপলেস গাউনে উপস্থিত হয়েছিলেন লালগালিচায়। সিলভার সিকুইন বসানো হলিউড ঘরানার কালো ভেলভেট গাউনের সঙ্গে নিয়েছেন ফ্লোর ছোঁয়া রুপালি কেপ। এই পোশাকের বিশেষত্ব আর নজরকাড়া দিকটি এই লম্বা কেপ।
দ্বিতীয় লুকেও হতাশ করেননি  না ঐশ্বরিয়া। ভারতীয় ডিজাইনার গৌরব গুপ্তর নকশা করা স্ট্রেপলেস গাউনে উপস্থিত হয়েছিলেন লালগালিচায়। সিলভার সিকুইন বসানো হলিউড ঘরানার কালো ভেলভেট গাউনের সঙ্গে নিয়েছেন ফ্লোর ছোঁয়া রুপালি কেপ। এই পোশাকের বিশেষত্ব আর নজরকাড়া দিকটি এই লম্বা কেপ।
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১১: ৫৬
বিজ্ঞাপন