
বন্ধুদের সঙ্গে খুব আয়োজন করে খেলা দেখতে বসেছেন। সমর্থনে জার্সি, পতাকা সবই আছে। হঠাৎ মনে হলো, বিশ্বকাপের আমেজের সাজপোশাকে কোথায় যেন কী নেই। বিশ্বকাপ উদ্যাপনে সাজসজ্জাও যোগ করতে পারে বাড়তি আনন্দ। তাই প্রিয় দলের ভক্ত হিসেবে নখে সাজিয়ে নিতে পারেন ট্রেন্ডি নেইল আর্টে। মজার বিষয় হচ্ছে, এই জেন্ডার ফ্লুইড ট্রেন্ডের সময়ে নেইল পলিশ কিন্তু শুধু মেয়েদের সজ্জা অনুষঙ্গ নয়, অর্থাৎ পুরো ফ্যাশন বিশ্বে নেইল পলিশ হয়ে উঠেছে ইউনিসেক্স অনুষঙ্গ। তাই ছেলেরাও দলের সমর্থনে দিব্যি নেইল আর্ট করতে পারেন।

চলতি বছরে বেশ কয়েক ধরনের নেইল পলিশ ট্রেন্ড পেয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা। এই ট্রেন্ডি স্টাইলের সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ্বকাপ থিম। এ বছর ম্যাট ফিনিশের নেইল পলিশ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিল। আর নখে মাল্টিকালার বা নানা রঙের নেইল পলিশ দিয়ে ডিজাইন করা ছিল অনেকটাই নতুন ধারার প্রকাশ। এ ছাড়া সবুজ, নীল, হলুদ, মিন্ট, ল্যাভেন্ডার, গোলাপি রং এ সময়ের পছন্দের তালিকার শীর্ষে আছে।
বিশ্বকাপ থিমে নেইল পলিশ পরার মজার দিক হলো রঙের ক্ষেত্রে কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম বা ট্রেন্ড নেই। যে দলের সমর্থন করছেন, সেই দলের অনুপ্রেরণায় নিজের মতো নেইল পলিশ লাগিয়ে নিতে পারেন।
ব্রাজিলের একনিষ্ঠ ভক্ত হলে নখে একই সঙ্গে নেভি ব্লু, সবুজ ও হলুদ রঙের নেইল পলিশ দিতে পারেন। এমনকি এক নখে দু-তিন রঙের ব্যবহারও করা যায়।

আর্জেন্টিনার ফ্যানরা ম্যাট শেডের সাদা বেজ নেইল পলিশের ওপর আকাশি রঙের ডট দিতে পারেন। নখের অর্ধেক সাদা ও অর্ধেক আকাশিও অন্য একটি নখে ব্যবহার করা যায়। প্রতিটি নখে সাদা-আকাশির ভিন্ন ভিন্ন প্যাটার্ন করলেও দারুণ লাগবে। নেইল পলিশের ওপরে পাথর বা পুঁতি ব্যবহারে নখে যোগ হবে গ্ল্যামার।
তবে নখে একসঙ্গে দু-তিন রং ব্যবহার করতে চাইলে প্রথম রংটি ভালোভাবে শুকাতে দিতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্য রং ব্যবহার করতে হবে।

মসৃণ ফিনিশের বদলে কাঠি বা স্পঞ্জ দিয়ে নেইল পলিশে ডিজাইন করে নিতে পারেন। নখে এক রঙের বেজ দিয়ে কোনাকুনি চিকন দাগ টানা যায় পতাকার রঙের মতো।