নিতা আম্বানির তুমুল আলোচিত লাল শাড়িটি কি আসলেই জামদানি? কী জানা যাচ্ছে এ নিয়ে
শেয়ার করুন
ফলো করুন

ভারতের ধনাঢ্য আম্বানি পরিবারের কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকে। বিশেষ করে পরিবারের ফ্যাশনেবল কর্ত্রী ও রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান নিতা আম্বানির পোশাক আর গয়না সবসময় লাইমলাইটে চলে আসে। তিনি পরেনও একের পর এক দারুণ সব চোখধাঁধানো অ্যাটায়ার। দেশি পোশাকেই বেশি দেখা যায় তাঁকে। সেই সঙ্গে হীরা-জহরতের চোখ কপালে তোলা দামে গয়না থাকে।

লাল শাড়িটি কি আসলে জামদানি?
লাল শাড়িটি কি আসলে জামদানি?

সব মিলিয়ে নিতা আম্বানির নতুন লুক মানেই ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে। এর মাঝেই বিলিয়নিয়ার স্বামী মুকেশ আম্বানি অর্থাৎ পরিবাপ্রধানের জন্মদিন গেল ১৯ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে পরিবারের সবাই মিলেই মুম্বাইয়ের সিদ্ধিনায়ক মন্দিরে পূজা দিতে যান। সেদিন ছিল অক্ষয় তৃতীয়া। আর সেখানেই নিতা আম্বানিকে দেখা যায় এক নজরকাড়া লাল শাড়িতে। বাংলার শাড়ির সঙ্গে দক্ষিণের মন্দিরের আদলে অ্যান্টিক ফিনিশের সোনার হার ও দুল পরেছেন নীতা। হাতে লাল, সোনালি চুড়ি। খোলা চুল আর সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুর।

বিজ্ঞাপন

এই পুরো সাজের ছবিও আছে তাঁর স্টাইলিস্ট আনবারাসু মহাদেবনের ইন্সটাগ্রামে। মেকওভারের দায়িত্বে ছিলেন ভারতের বিখ্যাত মেকআপ এক্সপার্ট মিকি কনট্রাকটর। এখন সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছে যে এটি আসলেই জামদানি কিনা।

ছবি জুম করলে চিরায়ত মোটিফের জামদানি মনে হয় শাড়িটিকে। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায়ও তাই বলা হয়েছে। লেখা আছে, লাল টুকটুকে ''ঢাকাই'' পরে মন্দিরে গিয়েছেন নিতা। ওপার বাংলায় যে জামদানিকে অনেক আগে থেকে ঢাকাই ডাকা হয় তা তো অনেকেরই জানা।

বিজ্ঞাপন

এদিকে হিন্দুস্তান টাইমসের ফ্যাশন রিভিউ বলছে অন্য কথা। সেখানে বলা হচ্ছে এটি অরগাঞ্জা সিল্ক শাড়িতে এমব্রয়ডারি করা ট্র্যাডিশনাল মোটিফে। নিতা আম্বানি বা আনবারাসুর সামাজিক মাধ্যমে কোথাও উল্লেখ নেই এটি কী শাড়ি। জামদানি বলা হলেও কত কাউন্ট বা এর উৎস নিয়ে কোথাও কোনো কথা নেই।  

আবার ভিডিওতে শাড়ির টেক্সচার ও ফ্লো দেখে জামদানি লাভাররা একে হাতে বোনা জামদানি মানতে নারাজ। আর কম কাউন্টের মেশিনে বোনা জামদানি মোটিফের কাজ করা শাড়ি নিতা আম্বানির মতো অথেনটিক ফ্যাশনেবল নারী পরবেন সেটিও যেন কেমন। সব মিলিয়ে এ নিয়ে আলোচনা থামছেই না। ভারতের এত বিখ্যাত ধনাঢ্য পরিবারের কর্ত্রী জামদানি পরলে তা আমাদের জন্যই ভালোলাগার বিষয়। তবে এ নিয়ে ধোঁয়াশা আর আলোচনা এখনও চলমান।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, দ্য হিন্দুস্তান টাইমস

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ২৭
বিজ্ঞাপন