
লেডি ডায়ানা। ব্রিটিশ রাজপরিবারে বর্তমান রাজা চার্লসের সঙ্গে বিয়ের সূত্রে প্রিন্সেস ডায়ানা হিসেবে পরিচিত হন তিনি। সেবামূলক কাজের জন্য যেমন তিনি বিশ্বজুড়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন, তেমনি তাঁর স্বতন্ত্র পোশাকের ধরনও তাঁকে করে তুলেছে ফ্যাশন ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত চরিত্র। প্রিন্সেস ডায়ানার ফ্যাশন জার্নিকে কিংবদন্তি বললেও যেন কম বলা হয়। মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও ফ্যাশন দুনিয়ায় তাঁর প্রভাব এতটাই প্রবল যে, আজও নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি অনুপ্রেরণার নাম। শুধু পোশাক নয়, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস ও নিজস্ব স্টাইল দিয়ে তিনি তৈরি করেছিলেন এমন এক ফ্যাশন-উত্তরাধিকার, যা সময় পেরিয়েও পুরোনো হয়নি। ব্রিটিশ পরিবারের একসময়ের রাজবধূ থেকে আপন আলোয় উদ্ভাসিত এক শক্তিশালী গ্লোবাল নারী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠা প্রিন্সেস ডায়ানা বেঁচে থাকলে ৬৩ বছরে পা দিতেন এ বছর। ডায়ানার কিছু পোশাক এতটাই বিখ্যাত যে সেগুলোর আলাদা নামই হয়ে গেছে। ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’, ‘ট্রাভোল্টা ড্রেস’ কিংবা ডেভিড ও এলিজাবেথ ইমানুয়েলের নকশা করা রূপকথার মতো বিয়ের পোশাক; প্রতিটি পোশাকই পপ কালচারের ইতিহাসে লেখা আছে। ডিভোর্সের পর তিনি একসময় স্টাইল আইকনে পরিণত হন রিভেঞ্জ ড্রেসিং, বিকিনি আর 'রিস্ক' ফ্যাশনে। অথচ একসময় ঢিলেঢালা সোয়েটারের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখা ডায়ানাকে বলা হতো 'শাই ডি'। সেখান থেকে জীবনের বহু ধাপ পেরিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন এক অবিসংবাদিত স্টাইল আইকন, যিনি এই সময়ের ফ্যাশন দুনিয়াতেও সমান প্রাসঙ্গিক। আজকের দিনেই ২৯ বছর আগে পাপারাজ্জিদের তাড়া খেয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান প্রিন্সেস ডায়ানা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড ডোডি আল ফায়েদ। এই ঘটনা স্বতব্ধ করে দেয় ডায়ানার দুনিয়াজোড়া ভক্তদেরকে। যুগ থেকে যুগান্তরে আর এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের মানুষেরা তাঁকে স্মরণ করতে থাকবে, এ কথা বলাই যায়।





























ছবি: ইন্সটাগ্রাম