
তিনটি ছবিতেই জেফারের উপস্থিতি বোল্ড, কনফিডেন্ট ও নেচারাল। কোথাও অতিরঞ্জিত ভঙ্গি নেই, তবু প্রতিটি ফ্রেমেই তিনি নজর কাড়ছেন সহজেই।

জেফারের পুরো লুকজুড়ে প্রাধান্য পেয়েছে কালো রঙ। লম্বা কালো কোট, ছোট প্লিটেড স্কার্ট, হাঁটু পর্যন্ত বুট আর কালো সানগ্লাস। সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে আধুনিক রক-চিক আবহ।
এই একরঙা স্টাইলকে ভেঙে দিয়েছে তার ডিজাইন করসেট টপ। সোনালি, বাদামি ও কালোর মিশেলে তৈরি এই টপ পুরো সাজে এনে দিয়েছে ভিনটেজ ইউরোপীয় আবহ, যা গথিক স্থাপত্যের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে।

ফ্যাশন দুনিয়ায় করসেট আবারও জনপ্রিয়। জেফারের এই লুকও সেই ট্রেন্ডেরই সুন্দর উদাহরণ। শরীরের গঠনকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি করসেটটি পুরো পোশাকে এনেছে নাটকীয়তা এবং পরিশীলিত সৌন্দর্য।

পেছনে দেখা যাচ্ছে সুউচ্চ গথিক স্মৃতিস্তম্ভের সূক্ষ্ম কারুকাজ। কালচে পাথরের সেই স্থাপত্যের সামনে জেফারের গাঢ় পোশাক যেন আরও বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
ছবিগুলোর কম্পোজিশনেও রয়েছে বৈচিত্র্য। কোথাও তিনি স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে, কোথাও সিঁড়ির রেলিং ধরে, আবার কোথাও স্থাপত্যকে পেছনে রেখে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন। ফলে প্রতিটি ছবিই আলাদা গল্প বলছে।

জেফারের লম্বা খোলা চুল পুরো লুকে এনে দিয়েছে স্বাভাবিক গ্ল্যামার। হালকা বাতাসে উড়তে থাকা চুল ছবিগুলোকে আরও জীবন্ত করেছে।
অন্যদিকে কালো সানগ্লাস যোগ করেছে রহস্যময় আবেদন। ভারী গয়না বা অতিরিক্ত সাজ ছাড়াই এই ছোট্ট অনুষঙ্গটি পুরো স্টাইলকে করেছে আরও আধুনিক।

বিদেশ ভ্রমণে অনেকেই আরামদায়ক পোশাককে প্রাধান্য দেন। কিন্তু জেফার দেখিয়ে দিলেন, আরাম আর স্টাইল দুটোই একসঙ্গে সম্ভব।
একটি স্টেটমেন্ট কোট, একটি করসেট টপ, ছোট স্কার্ট, লম্বা বুট এবং একটি সানগ্লাস। মাত্র কয়েকটি অনুষঙ্গ দিয়েই তৈরি করা যায় নজরকাড়া ট্রাভেল লুক।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম