
কানের দ্বিতীয় উপস্থিতির জন্য উর্বশী বেছে নেন ডিজাইনার তাসমিম জোবায়েরের স্প্রিং/সামার ২০২৬ কালেকশনের একটি কতুর গাউন। হল্টার-নেকের এই পোশাকে ছিল ডিপ প্লাঞ্জিং নেকলাইন, বডি-স্কাল্পটেড সিলুয়েট এবং নিখুঁত ক্রিস্টাল ও পার্ল এমব্রয়ডারির কাজ।

নিউড-পিচ রঙের বেসের ওপর মুক্তা ও ঝলমলে পাথরের লেয়ার পুরো লুকটিকে দিয়েছে রাজকীয় আবহ। ফিটেড বডিস থেকে ভলিউমিনাস ফ্লোর-লেংথ স্কার্ট, গাউনটির প্রতিটি অংশই যেন হয়ে উঠেছে হাই-ফ্যাশন কতুরের স্টেটমেন্ট।
এই লুকের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর ‘পার্লকোর’ স্টাইল। চলতি মৌসুমে আন্তর্জাতিক রেড কার্পেটে মুক্তা-নির্ভর এই ট্রেন্ড বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উর্বশীর গাউনেও মুক্তা ও ক্রিস্টালের ভারী কাজ পুরো পোশাককে দিয়েছে এক ধরনের আর্মার অনুপ্রাণিত লুক। যেখানে নারীত্ব আর কতুর গ্ল্যামার একসঙ্গে ধরা দিয়েছে।

লুকটিকে আরও আলোচনায় এনেছে তার ব্যতিক্রমী অ্যাকসেসরিজ। উর্বশীর হাতে ছিল জুডিথ লাইবারের ক্রিস্টাল-স্টাডেড ক্রাউন-শেপড ক্লাচ, যার নাম ‘ক্রাউন ডায়ানা’। ব্র্যান্ডটির ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি রাজকীয় স্টেটমেন্ট পিস এবং প্রিন্সেন ডায়ানর স্টাইল থেকে অনুপ্রানীত।
মুকুট-আকৃতির এই ক্লাচই যেন হয়ে ওঠে পুরো লুকের কেন্দ্রবিন্দু। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন ডায়মন্ড ইয়াররিং ও স্ট্যাকড ব্রেসলেট, যা পোশাকের অতিরিক্ত চাকচাক্যকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে তুলে ধরে।

মেকআপেও উর্বশী রেখেছেন তার সিগনেচার গ্ল্যাম টোন। গ্লোয়িং বেস, উইংড আইলাইনার, গ্লসি নিউড লিপস এবং সফট কার্ল করা চুল পুরো লুককে দিয়েছে পালিশড ও রেড-কার্পেট উপযোগী ফিনিশ।

তার এই উপস্থিতি যেন স্পষ্ট করে দেয়, মিনিমালিজম তার জন্য নয়। বরং আরও উজ্বল, আরও ড্রামাটিক এবং আরও বোল্ড ফ্যাশন স্টেটমেন্টই উর্বশীর নিজস্ব পরিচয়।
কান ২০২৬-এ উর্বশী রাউতেলার দ্বিতীয় লুক শুধু একটি ফ্যাশন মোমেন্ট নয়, বরং আত্মবিশ্বাসী ম্যাক্সিমালিজমের এক স্পষ্ট উদাহরণ।

মুক্তা, ক্রিস্টাল, কতুর এবং রাজকীয় অ্যাটিটিউড সব মিলিয়ে তিনি যেন মনে করিয়ে দিলেন, কখনও কখনও ফ্যাশনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নির্ভীকভাবে আলাদা হয়ে ওঠা।