

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তারা আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন। তাঁকে দেখা গেল একেবারে অন্য রকম আবহে, লেপার্ড প্রিন্টের পোশাকে। তবে এই ‘বুনো’ সাজে বন্যতার চেয়ে বরং বেশি চোখে পড়েছে পুরোনো হলিউডের গ্ল্যামার।

এই ফ্লোর–ছোঁয়া পোশাকটির দাম প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পোশাকের অফ–শোল্ডার স্কুপড নেকলাইন ও বডি–হাগিং সিলুয়েটে ফুটে উঠেছে তাঁর অবয়ব। বাদামি–কালো লেপার্ড প্রিন্টের এই পোশাকটির লম্বা ফিটেড হাতাও বেশ নজরকাড়া।

সঙ্গে তারা পরেছেন একই লেপার্ড প্রিন্টের পয়েন্টেড–টো পাম্পস। গয়নায় পুরোনো দিনের আভিজাত্য ফুটে উঠেছে। গলায় শোভা পাচ্ছে ভিনটেজ গিভেঞ্চি নেকলেস, কানে শ্যানেলের দুল। চুলেও ছিল সেই পুরোনো দিনের গ্ল্যামার।

মেকআপও খুব বেশি ভারী নয়, তবে গ্ল্যামার কমেনি একটুও। চোখে গাঢ় উইংড আইলাইনার ও ব্রোঞ্জ টোনের আইশ্যাডো। ত্বকে উষ্ণ ব্রোঞ্জ আভা আর ঠোঁটে গ্লসি নুড–ব্রাউন লিপস্টিক।

তারা সুতারিয়ার বুনো লেপার্ড প্রিন্টের বিপরীতে কিয়ারা আদভানি বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই ভিন্ন মেজাজের লুক। মাথা থেকে পা পর্যন্ত সাদা পোশাকে তাঁকে মনে হয়েছে কোনো ভাস্কর্য। মস্কোভিত্তিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেই নো মোরের পোশাকে তাঁর উপস্থিতিতে ছিল মিনিমালিজমের ছাপ। অফ–শোল্ডার স্ট্র্যাপের সাদা করসেট টপ পরেছিলেন কিয়ারা।

কোমরের নিচে আর্কিটেকচারাল পেপলামের মতো ভাঁজ পোশাকটিকে দিয়েছে ভাস্কর্যের মতো আবেদন। এর সঙ্গে শরীর বেয়ে নেমে আসা ড্রেপড স্কার্ট আর সাহসী থাই–হাই স্লিট যোগ করেছে নাটকীয়তা। পোশাকের সৌন্দর্যকে মূল আকর্ষণ রাখতে কিয়ারা বেছে নিয়েছিলেন একেবারে মিনিমাল অনুষঙ্গ।

কানে হীরার দুল, হাতে শুধু আংটি। চুলে করেছেন ব্রাশড–আউট ভলিউমিনাস ওয়েভ। পরিপাটি ভ্রু, নরম স্মোকি আই লুক ও গ্লসি নুড লিপস্টিকে পুরো সাজ পেয়েছে নিখুঁত ফিনিশিং।

পশ্চিমা পোশাকে রুক্মিণী বসন্তের সাজেও ধরা পড়েছে স্নিগ্ধতার ছোঁয়া। মিন্ট রঙের স্ট্র্যাপলেস মিডি লেস গাউনে তাঁকে মনে হয়েছে যেন রূপকথার কোনো চরিত্র। পোশাকের আসল আকর্ষণ লেসের আবরণ আর করসেট ধাঁচের ফিটেড বডিস। এর সঙ্গে কোমর থেকে নেমে এসেছে ভলিউমিনাস মিডি স্কার্ট।

গাউনের সঙ্গে রুক্মিণী পরেছেন পরিমিত গয়না। গলায় হীরার সিম্পল নেকলেস, কানে ফ্লোরাল স্টাড আর হাতে আংটি। পায়ে শোভা পেয়েছে সাদা বো–ডিটেইলযুক্ত স্লিংব্যাক হিল। সব মিলিয়ে রুক্মিণীর এই লুক ছিল স্নিগ্ধ ও গ্ল্যামারাস।


পশ্চিমা গ্ল্যামারাস পোশাকের পথে না হেঁটে নয়নতারা বেছে নিয়েছিলেন চিরচেনা শাড়ি। আর তাতেই তাঁকে লেগেছে অন্য রকম আকর্ষণীয়। ঝলমলে টেক্সচারের রাস্ট অরেঞ্জ বা মরচে–কমলা রঙের শাড়িতে নজর কেড়েছেন এই দক্ষিণি তারকা।


সঙ্গে একই রঙের স্টাইলিশ স্লিভলেস ব্লাউজ জুটি হয়েছে। গয়না ও সাজসজ্জায় বাড়তি কিছু যোগ না করে নয়নতারা চুল বেঁধেছেন পরিপাটি খোঁপায়। সঙ্গে ছিল মিনিমাল সোনালি গয়না, কাজলকালো চোখ ও ছোট্ট টিপ। সব মিলিয়ে সাদামাটা অথচ আভিজাত্যপূর্ণ এই সাজে তাঁকে মনে হয়েছে ভারতীয় সৌন্দর্যের এক আধুনিক প্রতিচ্ছবি।

আসন্ন সিনেমার জন্য শেয়ার করা ছবিতে কালো গাউনে হুমা কুরেশি হয়ে উঠেছেন মোহনীয়। তাঁর লুকে একদিকে ফুটে উঠেছে আভিজাত্য, অন্যদিকে ছিল সাহসী গ্ল্যামারের ছাপ।

তিনি পরেছিলেন ওয়ান–শোল্ডার গাউন। বডি–হাগিং সিলুয়েটের পাশাপাশি কোমর থেকে নিচের দিকে স্বচ্ছ কাপড়ের ওপর ছড়িয়ে থাকা কালো বিডের কাজ গাউনটিকে দিয়েছে আরও নাটকীয়তা ও আবেদন। এর সঙ্গে গয়না ও সাজসজ্জায় হুমা রেখেছিলেন মিনিমাল ছোঁয়া।

কানে ঝলমলে হুপ দুল, খোলা চুলে নরম ঢেউ আর গ্ল্যামারাস মেকআপে পুরো লুক পেয়েছে পরিপূর্ণতা। কালো গাউনে হুমার এই উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।
ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যশ হাজির হয়েছিলেন একেবারে পরিপাটি ও স্টাইলিশ লুকে। চারকোল ধূসর রঙের স্যুটের সঙ্গে পরেছিলেন কালো শার্ট। স্যুটের বোতাম খোলা রেখে তাঁর সাজে ছিল আত্মবিশ্বাস ও আধুনিকতার ছাপ। সাদামাটা রঙের এ সমন্বয়েই অনুষ্ঠানে আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন এই তারকা।