১৫ বিলিয়ন ডলারের ওয়াং-এর গায়ে ৩০ ডলারের টি-শার্ট, সিলিকন ভ্যালির টেক জায়ান্টদের আইকনিক ফ্যাশনের গল্প
শেয়ার করুন
ফলো করুন

ফেসবুকের মাতৃপ্রতিষ্ঠান মেটার উদ্যোগে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে মেটার সদর দপ্তরের ক্যাম্পাসে মেটা কানেক্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে মেটার নানা কারিগরি উদ্যোগের বিষয় আলোচিত হয়েছে।

হরিণমার্কা টি-শার্অটের সঙ্গে অনুষঙ্গ ও জুতাও অসাধারণ রকমের সাধারণ।
হরিণমার্কা টি-শার্অটের সঙ্গে অনুষঙ্গ ও জুতাও অসাধারণ রকমের সাধারণ।

কিন্তু সেসবের আলোচনার পাশাপাশি নেটিজেনরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছে একটি ৩০ ডলারের টি-শার্ট নিয়ে। মেটার প্রধান এআই কর্মকর্তা তরুণ আলেকজান্ডার ওয়াং সেখানে হরিণমার্কা টি-শার্ট নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। অনুষঙ্গ ও জুতাও অসাধারণ রকমের সাধারণ। কেউ কেউ ভাবছেন এটি সিলিকন ভ্যালিতে জবস, হুয়াং ও জাকারবার্গের পর নতুন একটা ফ্যাশনের সূচনা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

আলেকজান্ডার ওয়াংকে আমি অনুসরণ করি অনেক দিন ধরে। কারণ যখন সবাই এআই মডেল নিয়ে ভাবছে করোনার আগে আগে তখন ওয়াং ভেবেছেন, তিনি মডেলের জন্য ডেটাকে লেবেলিং ও এনোটেট করবেন। এমআইটির পড়াশোনা বাদ দিয়ে গড়ে তোলেন স্কেলএআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠানটি হয়ে যায় বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ। ২০২১ সালে আমি আমার বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ বই-এর সিকুয়েল লেখার কথা ভাবি। স্কেল এআইকে আমার নতুন বই-এর প্রথম কাহিনী হিসেবে ঠিক করি। ২০২১ সালের আগস্টে প্রথম আলোতে লিখলাম, স্কেল ডট এআই - তিন বছরেই বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ’। প্রথম আলোর ইউটিউবের জন্য ওকে নিয়ে একটা ভিডিওও করেছিলাম।

একসময় ওয়াংয়ের গল্পটা ছিল অন্য রকম
একসময় ওয়াংয়ের গল্পটা ছিল অন্য রকম

তখন ওয়াংয়ের গল্পটা ছিল অন্য রকম। এমআইটির ছাত্র, পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন, মাত্র ১৯ বছর বয়সে লুসি গুওর সঙ্গে শুরু করেছেন স্কেল এআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শেখানোর জন্য যে বিপুল পরিমাণ তথ্য ঠিকঠাক করে দিতে হয়, সেই আপাত নিরস কাজের মধ্যেই তারা খুঁজে পেয়েছিল বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।

বিজ্ঞাপন

তারপর পাঁচ বছরে অনেক কিছু বদলে গেছে। ২০২২ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে ওয়াং নিজে, ফোর্বসের মতে, সেসময়কার বিশ্বের বয়সে সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ার হয়েছেন। স্কেল এআই আরও অনেক বড় হয়েছে। আর গত বছর মার্ক জাকারবার্গের মেটা প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে তার প্রতিষ্ঠানে।

বিজনেস ইনসাইডার সাময়িকী মজা করে লিখেছে, ‘জাকারবার্গ যেন ১৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করেই ওয়াংকে মেটায় নিয়ে এসেছে’। এখন মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বড় দায়িত্ব তাঁর হাতে। সেই আলেকজান্ডার ওয়াংকে নিয়ে আবার লিখতে বসেছি। তবে এবার ১৫ বিলিয়ন ডলারের জন্য নয়। ৩০ ডলারের জন্য।

৩০ ডলারের একটা টি-শার্ট!!

কয়েক দিন আগে মেটা কানেক্ট সম্মেলনে ওয়াং মঞ্চে উঠেছে। সেটারই একটা ছবি দেখলাম বিজনেস ইনসাইডারে। ছবিটা দেখেই চোখ আটকে গেল। গায়ে হরিণের ছবি আঁকা ছোপছোপ রঙের টি-শার্ট। হাতায় লেখা ‘লেক তাহো’। সঙ্গে কালো প্যান্ট। পায়েও একই ছোপছোপ নকশার ক্রকস জুতা।

ওয়াং-এর ছবিটা দেখেই চোখ আটকে গেল
ওয়াং-এর ছবিটা দেখেই চোখ আটকে গেল

আমার মতো আরও অনেকেরই নিশ্চয়ই পোশাকটার দিকে চোখ গেছে। তবে কেউ কেউ শুধু চোখ রেখেই থামেননি। ইন্টারনেটের গোয়েন্দারা নেমে পড়েছেন টি-শার্টের রহস্য উদ্ধারে।

মেটার মতো বড়ো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বড় কর্মকর্তা, ১৫ বিলিয়ন ডলারের তকমা, তাঁর গায়ের টি-শার্টটা নিশ্চয় সাধারণ কিছু নয়! কেউ বললেন, দাম ৪০০ ডলার। কেউ আরও এগিয়ে সেটিকে ৮০০ ডলারের হার্মেসের টি-শার্ট বানিয়ে ফেললেন। ওয়াং এক্সের মন্তব্যে সেটির জবাব দিতে চেষ্টা করলেন। তবে, শেষ পর্যন্ত ওয়াং নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ব্যাপারটা খোলাসা করলেন। মজা করে বললেন, এই ‘অপবাদ’-এর রেকর্ডটা তাকে ঠিক করে দিতে হচ্ছে। তারপর হিসাব।

ওয়াং নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ব্যাপারটা খোলাসা করলেন
ওয়াং নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ব্যাপারটা খোলাসা করলেন

টি-শার্টটি তিনি কিনেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্রুজের একটি পুরোনো কাপড়ের দোকান থেকে। দাম ৩০ ডলার। পায়ের ক্রকস? প্রায় ৬০ ডলার। এমনকী মজা করে নিজের ক্যালভিন ক্লাইনের অন্তর্বাসের দামও জানিয়ে দিলেন। অনেক দাম!!! ৫ ডলার। এ পর্যন্ত জেনে আমার নানা জনের কথা মনে পড়লো। প্রযুক্তির দুনিয়ায় পোশাক নিয়ে এমন গল্প তো নতুন নয়। জবস, জাকারবার্গ বা এনভিডিয়ার সিইওকে নিয়েই তো পোশাকের কত্ত কিছু।

জবসের গলাবন্ধ কালো সোয়েটার

চোখ বন্ধ করে স্টিভ জবসকে ভাবলে অনেকেই আইফোনের কথা ভাবেন। কিংবা ম্যাকের কথা। কিন্তু কেন যেন “হালফ্যাশনের” সঙ্গে কিছুদিন কাজ করার সুবাদে কিনা জানি না, আমার ইদানীং কারও কথা ভাবলে তার পোশাকের কথা মনে পড়ে প্রথমে।

জবসের এই পোশাক একসময় তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে গিয়েছিল
জবসের এই পোশাক একসময় তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে গিয়েছিল

রবীন্দ্রনাথের জাদুকরের মতো আলোয়ান আর লম্বা কুর্তা তাই কখনো কখনো তাঁর গানকে ছাপিয়ে যায়। সেরকম জবসের কথা ভাবলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে গায়ে গলাবন্ধ কালো সোয়েটার, নীল জিনস আর পায়ে স্নিকার্স। জবসের এই পোশাক একসময় তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে গিয়েছিল!

জবস জাপানে সনির কারখানায় গিয়ে দেখেন কর্মীরা একই ধরনের পোশাক পরেন। তাঁর মাথায় ঢুকল, অ্যাপলের কর্মীদেরও এমন পোশাক দেওয়া যায় কি না। জাপানি পোশাক নকশাকার ইসেই মিয়াকের সঙ্গে এ নিয়ে কথাও বললেন। অ্যাপলের কর্মীরা অবশ্য সেই ধারণা মোটেই পছন্দ করলেন না। কাজেই অ্যাপলের “স্কুল ড্রেস” আর হলো না।

গলাবন্ধ কালো সোয়েটার হয়ে গেল তাঁর প্রায় স্থায়ী পোশাক
গলাবন্ধ কালো সোয়েটার হয়ে গেল তাঁর প্রায় স্থায়ী পোশাক

কিন্তু জবস নিজের জন্যই একটা পোশাক ঠিক করে ফেললেন, গলাবন্ধ কালো সোয়েটার। পরে সেটাই হয়ে গেল তাঁর প্রায় স্থায়ী পোশাক। ধারণা করা হয়, তাঁর প্রায় ১০০টি গলাবন্ধ কালো সোয়েটার ও জামা ছিল। জবস চলে গেছেন তাও প্রায় দেড় দশক হয়ে গেল। কিন্তু প্রযুক্তি দুনিয়ার পোশাকের গল্প শেষ হয়নি।

জেনসেন হুয়াংয়ের চামড়ার জ্যাকেট

এখন জাকারবার্গ বা ইলন মাস্কের চেয়ে বেশি দেখা যায় এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং-কে। ক’দিন আগে এক কোয়ার্টারে বিশাল ব্যবসা করার খবর দিতে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে তাঁর নাচটাও ভাইরাল হয়েছে। এনভিডিয়া এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামী কোম্পানি। আজ সেটির মার্কেট ভ্যালু দেখলাম ৫.৪১ ট্রিলিয়ন ডলার!

 চামড়ার জ্যাকেট ছাড়া কল্পনা করাই কঠিন এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে
চামড়ার জ্যাকেট ছাড়া কল্পনা করাই কঠিন এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে

এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহীকে চামড়ার জ্যাকেট ছাড়া কল্পনা করাই কঠিন। মঞ্চে উঠবেন, নিজের গল্প করবেন, কোনো উপদেশ দেবেন, কর্মীদের সঙ্গে নাচবেন কিংবা এআই-এর নতুন কোনো ঘোষণা দেবেন। গায়ে থাকবে চামড়ার জ্যাকেট। এটি এতটাই তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে, যে মানুষটির সঙ্গে পোশাকটাও যেন একটা ব্র্যান্ড হয়ে গেছে।২০১৬ সালে রেডিট-এর একটি AMA (Ask Me Anything)-এ জেনসেন হুয়াং নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছিলেন, “You may know me better as ‘the guy in the leather jacket who repeats things three times.’ Ha ha ha.” অর্থাৎ, “আপনারা হয়তো আমাকে আরও ভালো চেনেন ‘চামড়ার জ্যাকেট পরা যে লোকটা একই কথা তিনবার বলে’ হিসেবে।”

মার্ক জাকারবার্গের ধূসর টি-শার্ট

তারপর আছেন মার্ক জাকারবার্গ। ফেসবুক তথা মেটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা। একসময় তাঁর ধূসর টি-শার্ট আর হুডিওয়ালা জামা ছিল বিখ্যাত। তাঁর ধূসর টি-শার্ট এতটাই পরিচিত হয়ে ওঠে যে অনেকের ধারণা ছিল, তিনি বুঝি একই টি-শার্ট প্রতিদিন পরেন!!! ২০১২ সালে এক সাক্ষাৎকারে রহস্যটা ভেঙে দেন। জানান একই রকম ধূসর টি-শার্ট তাঁর আছে প্রায় ২০টি। একটি ড্রয়ারেই সেগুলো রাখা থাকে। আর ২০১৬ সালে তিনি নিজের আলমারির ছবিও দিয়েছিলেন। ছবিতে অন্তত ৯টি একই রকম ধূসর টি-শার্ট এবং ৭টি ধূসর হুডিওয়ালা জামা দেখা যায়।

বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মানেই স্যুট-টাই এই ধারণা ভাঙার পেছনে সিলিকন ভ্যালির যে কয়েকজনের ছবি আমাদের চোখের সামনে সবচেয়ে বেশি এসেছে, জাকারবার্গ তাঁদের একজন। বিশেষ করে আইবিএমের ফর্মাল পোষাকের যন্ত্রণা থেকে সিইওদের মুক্তি দেওয়াটা জাকারবার্গের হাত (নাকি শরীর!) দিয়েই হয়েছে। ইদানীং অবশ্য তাঁর পোশাকেও পরিবর্তন এসেছে। গলায় সোনার চেইন, দামি টি-শার্ট, কখনো টি-শার্টের গায়েই কোনো বার্তা। সেদিনের মেটা কানেক্টে যেমন তাঁর কালো টি-শার্টে লেখা ছিল, বিল্ডিং ইজ মাই লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ।

এবার ওয়াং - সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস

আলেকজান্ডার ওয়াংয়ের ব্যাপারটা আবার একটু আলাদা। তার ৩০ ডলারের টি-শার্টকে হয়তো স্টিভ জবসের গলা-ঢাকা কালো সোয়েটার বা জেনসেন হুয়াংয়ের চামড়ার জ্যাকেটের মতো পরিকল্পিত ব্যক্তিগত পরিচয় ভাবার দরকার নেই। আমি তাঁকে কমপ্লিট স্যুট-টাই পরতেও দেখেছি। শার্ট গায়েও দেখেছি। কাজে ওয়াং হয়তো তার প্রজন্মের মতো করেই পোশাক পরেছে। ওয়াংয়ের জন্ম ১৯৯৭ সালে। মানে জেন-জিদের প্রথম বছর।

পুরোনো কাপড়ের দোকানের টি-শার্ট, ক্রকস, ছোপছোপ নকশা সব মিলিয়ে বেশ আলুথালু একটা লুক। সঙ্গে আছে তার চুল। সামনে ও পাশে ছোট, পেছনের দিকে লম্বা। কেতাবি ভাষায় যে ছাঁটকে বলে ‘মুলেট’। ফ্যাশনপ্রেমী হিসেবে বললে ওয়াং-এর সাজকে বলতে হবে – সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস!!

সময়টা আসলেই অনেক বদলে গেছে। একসময় অনুষ্ঠানের গুরুত্ব হিসেবে পোশাকের একটা হিসাব-নিকাশ থাকত। এখনো আমাদের ব্যাংকগুলো “আইবিএম" ঘরানার রীতি মেনে চলে। অনুষ্ঠান যত গুরুত্বপূর্ণ, পোশাকও যেন তত ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হতে হবে। স্যুট, টাই, চকচকে জুতা – এ যেন পোশাক দিয়ে নিজের অবস্থান বোঝানো। আর এখন? পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির দায়িত্বে থাকা ২৯ বছরের এক তরুণ মেটার সবচেয়ে বড় সম্মেলনের মঞ্চে উঠে যাচ্ছেন পুরোনো কাপড়ের দোকান থেকে কেনা ৩০ ডলারের টি-শার্ট পরে। কেউ তাঁকে কম গুরুত্বপূর্ণ ভাবছে না। উল্টো তার টি-শার্ট নিয়েই সংবাদ হচ্ছে।

স্টিভ জবসের গলা-ঢাকা কালো সোয়েটার, জাকারবার্গের ধূসর টি-শার্ট, জেনসেন হুয়াংয়ের চামড়ার জ্যাকেট হয়ে আমরা এখন আলেকজান্ডার ওয়াংয়ের ৩০ ডলারের পুরোনো টি-শার্টে এসে পৌঁছেছি। হয়তো পোশাকের গল্পটাও আসলে প্রযুক্তি দুনিয়ার বদলে যাওয়ার গল্প। আগে পোশাক দেখে বোঝার চেষ্টা করা হতো মানুষটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন মনে হয় এর উল্টো।

আগে পোশাক দেখে বোঝার চেষ্টা করা হতো মানুষটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন মনে হয় এর উল্টো
আগে পোশাক দেখে বোঝার চেষ্টা করা হতো মানুষটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন মনে হয় এর উল্টো

মানুষটি গুরুত্বপূর্ণ বলেই তাঁর ৩০ ডলারের টি-শার্টটিও আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে এই লেখা পড়ে কাল থেকে ৩০ ডলারের (সাশ্রয়ী টি-শার্টের কথা ভাবলে দেশে জার্সি কাপড়ের ৮০-১০০ টাকার টি-শার্ট এটার তুল্য হতে পারে) পুরোনো টি-শার্ট পরে গুরুত্বপূর্ণ সভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু সাবধান। আগে আলেকজান্ডার ওয়াং হতে হবে। তারপর টি-শার্ট!!

ছবি: ইন্সটাগ্রাম ও এক্স

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭: ৩৮
বিজ্ঞাপন