
সুইফটিদের সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলে এসেছে পপ সেনসেশন টেইলর সুইফটের বহুল প্রতীক্ষিত অ্যালবাম ‘দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’! আর এসেই নতুন রেকর্ডের জন্ম দিয়েছে অ্যালবামটি। ‘দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’ মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক ও অ্যামাজন মিউজিকের ইতিহাসে এক দিনে সবচেয়ে বেশি শোনা অ্যালবামের রেকর্ড গড়েছে। এই রেকর্ড গড়তে ২৪ ঘণ্টার কম সময় লেগেছে।

এই অ্যালবামের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত গান হলো ‘ফোর্টনাইট’। গানটি স্পটিফাইয়ে এক দিনে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম করা গান হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। অবশ্য এর বিশেষ কারণ রয়েছে। এখানে টেইলরের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন আমেরিকার জনপ্রিয় র্যাপার ও সংগীতশিল্পী পোস্ট ম্যালন। শুধু তা–ই নয়। টেইলরের সঙ্গে বসে তিনি গানটি লিখেছেনও। অ্যালবাম বের হওয়ার আগেই এই খবর পৌঁছে গিয়েছিল সব সুইফটিদের কাছে। বলতে গেলে তাঁরা অধীর আগ্রহে গানটি শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এবং গানটি সবাই খুবই পছন্দ করেছেন।
টেইলর সাধারণত পপ, কান্ট্রি ও ইন্ডি ফোক ঘরানার গান গেয়ে থাকেন। অন্যদিকে পোস্ট ম্যালন পুরোদস্তুর র্যাপ শিল্পী। দুজন ভিন্ন ঘরানার শিল্পী মিলে একসঙ্গে ডিস্টোপিয়ান রোমান্টিক পপ-সিন্থ গান গেয়েছেন। গানটির শ্রুতিমধুরতা সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

শুধু গান নয়। এর মিউজিক ভিডিওটিও বেশ ভালো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এটাই ইউটিউবে মুক্তি পাওয়া অ্যালবামটির প্রথম মিউজিক ভিডিও। এক দিনের মাথায় দুই কোটির বেশিবার দেখা হয়েছে গানটি। সাদা–কালো মিউজিক ভিডিওটিল সিনেমাটোগ্রাফি অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। আর এমন হবে না–ই বা কেন? ভিডিওটির সিনেমাটোগ্রাফার চারবারের অস্কার মনোনয়ন পাওয়া রড্রিগো প্রিয়েতো। এর আগেও তিনি টেইলরের ‘দ্য ম্যান’, ‘কার্ডিগান’, ‘উইলো’ গানের ভিডিওর সিনেমাটোগ্রাফার ছিলেন। মিউজিক ভিডিওটি যেন সবাইকে এক পরাবাস্তব জগতে নিয়ে যায়।

এই মিউজিক ভিডিওতে টেইলর ও পোস্ট ম্যালন ছাড়া আরও ছিলেন হলিউডের জনপ্রিয় মেধাবী তারকা ইথান হক ও জশ চার্লস। এর মধ্য দিয়ে এই দুই তারকার একটা রিইউনিয়ন হয়ে গেল। ইথান ও জশকে শেষ একসঙ্গে দেখা গেছে ১৯৮৯ সালের মুক্তি পাওয়া বিখ্যাত মুভি ‘ডেড পোয়েটস সোসাইটি’তে। তাঁদের দুজনকে টেইলরের ভিডিওতে দেখে সুইফটিরাই শুধু নয়, ‘ডেড পোয়েটস সোসাইটি’র ভক্তরাও বেশ উচ্ছ্বসিত। অনেকে মজা করে বলছেন, ‘কেবল টেইলরের পক্ষেই সম্ভব নির্যাতিত কবি ও মৃত কবিদের এক করা।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম