রূপচর্চায় ছাগলের দুধের সাবান
শেয়ার করুন
ফলো করুন

আমরা অনেকে জানি না, বাণিজ্যিকভাবে তৈরি সব সাবান আসলে প্রাকৃতিকভাবে স্যাপোনিফিকেশন প্রক্রিয়ায় বানানো হয় না। এ বিষয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) তথ্য অনুযায়ী, বাজারে মাত্র কয়েকটি সাবানই সত্যিকারের সাবান। এর বেশির ভাগ সিনথেটিক ডিটারজেন্ট পণ্য।

কিন্তু রূপসচেতন মানুষের প্রাকৃতিক সাবানের চাহিদার বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে, ছাগলের দুধের সাবান জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর কারণ হলো এ সাবানের প্রশান্তিদায়ক বৈশিষ্ট্য আর সরল ও সংক্ষিপ্ত উপাদানের তালিকা।

বিজ্ঞাপন

ছাগলের দুধের সাবান সাবানায়ন বা স্যাপোনিফিকেশন নামে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এতে একটি অ্যাসিড, চর্বি এবং তেল—লাই নামক বেসের সঙ্গে মেশানো হয়। বেশির ভাগ সাবানের জন্য লাই তৈরি করা হয় পানি ও কস্টিক সোডা বা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সমন্বয়ে। কিন্তু এখানে পানির বদলে ছাগলের দুধ ব্যবহার করা হয়।

ছাগলের দুধে সম্পৃক্ত এবং অসম্পৃক্ত চর্বি উভয়ই রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটি সাবান উৎপাদনের জন্য আদর্শ। এ ছাড়া এ সাবানে উদ্ভিদভিত্তিক তেল যেমন নারকেল বা জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করা হয়।

ছাগলের দুধ ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এটি দিয়ে তৈরি সাবানও এর থেকে কোনো অংশে ব্যতিক্রম নয়। রূপচর্চায় বিভিন্ন রূপে এটি কার্যকর হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

ক্লিনজার

ছাগলের দুধের সাবান ত্বকের প্রাকৃতিক ফ্যাটি অ্যাসিড অপসারণ না করেই ধুলা–ময়লা, বাড়তি ঘাম-তেল পরিষ্কার করে।

এক্সফোলিয়েটর

ছাগলের দুধের সাবানের প্রাকৃতিক আলফা হাইড্রোক্সি অ্যাসিড হচ্ছে ল্যাকটিক অ্যাসিড। এটি ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করে ত্বককে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্রণ প্রতিরোধ করতেও বেশ সহায়ক।

ময়েশ্চারাইজার

ছাগলের দুধের সাবানে থাকে হিউম্যাকটেন্ট। এটি পরিবেশ থেকে পানি টেনে নিয়ে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

ছবি: পেকজেলসডটকম

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৩, ০৬: ০০
বিজ্ঞাপন