
২০২০ সালের ৯ আগস্ট যাত্রা শুরু করে দেশীয়। সেই সময় দেশীয় পণ্যের ক্ষেত্রে “বেস্ট প্রাইসে বেস্ট কোয়ালিটি” নিশ্চিত করে এমন পরিচিত ব্র্যান্ডের অভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই শূন্যস্থান পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই শুরু হয় দেশীয়র পথচলা। প্রতিষ্ঠাতা জুটি জাহীর ও ইসরাত—একজন পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, অন্যজন আইনজীবী। প্রতিষ্ঠিত ও নিরাপদ পেশা ছেড়ে দু’জনই বেছে নেন উদ্যোক্তা হওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত। শূন্য থেকে শুরু করা এই যাত্রা আজ অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা।

দেশীয়র প্রোডাক্ট রেঞ্জে রয়েছে মেয়েদের কুর্তা, থ্রি পিচ, ব্লক ড্রেস, জামদানি শাড়ি, মণিপুরী শাড়ি, বাটিক শাড়িসহ নানান ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক পোশাক। পাশাপাশি হোম, বেডরুম ও ডাইনিং রুম ডেকোরের জন্যও পাওয়া যায় রুচিশীল নানা সামগ্রী। দেশীয়র প্রতিটি প্রোডাক্টেই থাকে দেশীয় নান্দনিকতা, ব্যবহারিকতা ও মানের প্রতি যত্ন।
গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাই দেশীয়র সবচেয়ে বড় শক্তি। তার প্রমাণ মেলে ফেসবুক পেজে পাবলিক রিভিউ ৭১৭টিরও বেশি, যার মধ্যে ৯৮ শতাংশই রিকমেন্ডেড। এই বিশ্বাসের ওপর ভর করেই দেশীয় পরিবার ধীরে ধীরে বড় হয়েছে। একে একে যুক্ত হয়েছে দেশীয় দই ঘর, দেশীয় ফ্যাক্টরি এবং বিদেশীয়—যা দেশীয়র পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।

দেশীয় আজ আর শুধু একটি অনলাইন শপ নয়; এটি সম্পর্ক আর গল্পের একটি প্ল্যাটফর্ম। যারা দেশীয় পণ্যে আস্থা রাখেন, স্থানীয় উদ্যোগকে সমর্থন করেন এবং উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন—তাদের জন্য দেশীয় এক অনুপ্রেরণার নাম। এই ইন্সপায়ারিং কাপল ও তাদের যাত্রার গল্প জানতে ঘুরে আসতে হবে দেশীয়র ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে।
ছবি: দেশীয়