
কে ক্র্যাফট
দেশীয় ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফট একুশের গৌরবের বিষয়গুলো পোশাকে ফুটিয়ে তুলেছে। এবারের মোটিফে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে থাকছে মাতৃভাষার ইতিহাস, লাইন মোটিফ, ট্রাইবাল, টার্কিশ, টেকশ্চার, বর্ণ ও শব্দমালার বিন্যাস।

এ ছাড়া ট্র্যাডিশনাল ও জ্যামিতিক নকশায় সৃজনশীল অলংকরণে তৈরি হয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, লং কুর্তি, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট। সুতি, লিনেন, হাফসিল্ক কাপড়ে তৈরি পোশাকগুলোতে নকশা ফুটিয়ে তুলতে হাতের কাজ, স্ক্রিন ও ব্লক প্রিন্ট ও টাই-ডাই মিডিয়ার ব্যবহার হয়েছে।

কালো, লাল, ধূসর, সাদা রং পেয়েছে প্রাধান্য। পরিবারের সবার উপযোগী পোশাক আর যুগল পোশাকও রয়েছে কে ক্র্যাফটের একুশ সংগ্রহে।
রঙ বাংলাদেশ
ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশের একুশ সংগ্রহ এবার সাজানো হয়েছে বর্ণমালা ও পাখির রঙের থিমে। এই সংগ্রহের রং—সাদা, কালো, ধূসর ও লাল। সুতি, হাফসিল্ক, লিনেন, ক্রেপ বেছে নেওয়া হয়েছে পোশাক তৈরিতে।

আর পোশাকের জমিন অলংকরণের মাধ্যম হিসেবে স্থান পেয়েছে স্ক্রিন ও ব্লকপ্রিন্ট, টাই-ডাই ও এমব্রয়ডারি। একুশের সংগ্রহে রয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, সিঙ্গেল

কামিজ, সিঙ্গেল ওড়না, ব্লাউজ, আনইস্টিচড ড্রেস, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট ও উত্তরীয়। উৎসব পরিপূর্ণতা পেতে পরিবারের সবার জন্য একই থিমের পোশাকও আছে একুশ সংগ্রহে। আর উপহারসামগ্রী হিসেবে আছে একুশের নানা ডিজাইনের মগ। রয়েছে গয়না, মেয়েদের ব্যাগ ও পার্স।
সাদাকালো
দেশীয় ফ্যাশন হাউস সাদাকালোর একুশ সংগ্রহের নাম ‘বাংলা হোক চিরন্তন’। শহীদ মিনারের গঠনগত নান্দনিকতা থেকে উৎসাহিত হয়ে এবং একুশের আলপনা ও জ্যামিতিক নকশার সঙ্গে বাংলা বর্ণমালার সংমিশ্রণে তৈরি হয়েছে একুশের পোশাক।

দেশীয় কাপড়ে ব্লক ও স্ক্রিন প্রিন্ট আর এমব্রয়ডারির মাধ্যমে নকশা করা হয়েছে পোশাকগুলোতে। এ ছাড়া এবারের শব্দমূল ‘বাংলা হোক চিরন্তন’কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানারূপে। শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, শার্ট, উত্তরীয়সহ থাকছে ছোট্ট সোনামণিদের জন্য একুশের বিশেষ সমারোহ।
