
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউল্যাব-এ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ফ্লো নিবেদিত ইয়ুথ ওয়েলনেস ফেস্টিভ্যালের প্রথম পর্ব; যেখানে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল মানসিক, শারীরিক ও আত্মিক স্বাস্থ্য। দুই শ শিক্ষার্থী দিনব্যাপী রিসার্চ হলে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। এই উৎসবের পরবর্তী পর্বগুলো আইইউবি, এআইইউবি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আছে। শিগগিরই তাদের অনেকেই কাজ ও পড়াশোনার প্রয়োজনে পরিবার থেকে দূরে থাকবে। তাই এ সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও অভ্যাসগুলোই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাদের সুস্বাস্থ্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। মানসিক চাপ ও হতাশার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া তাদের জন্য জানা আবশ্যক। পাশাপাশি তাদের খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ধ্যান সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় জ্ঞান রাখতে হবে।
ইয়ুথ ওয়েলনেস ফেস্টিভ্যালের এ আয়োজন সম্ভব হয়েছে পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুত সহযোগিতায়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে তুরাগ অ্যাকটিভ, প্রাইম ব্যাংক, রাইজ, সাজেদা ফাউন্ডেশন ও রিলাক্সি। এ ছাড়া ছিল আড়ং আর্থ।
ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম আয়োজনে ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ধ্যান ও ইয়োগার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘কীভাবে আমরা যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারি, যেহেতু তারাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ এবং স্বপ্নের ধারক।’
ঢাকা ফ্লোর যোগ প্রশিক্ষক ও সহপ্রতিষ্ঠাতা সাজিয়া ওমর বলেন, ‘সুস্থতাকে সামগ্রিকভাবে আত্মস্থ করতে হবে। এসডিজি ৩: স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা অর্জন করতে চাইলে সুস্থ জীবনযাপনের পরিবেশ তৈরি করতে হলে আমাদের একত্রিতভাবে কাজ করতে হবে।’

যোগাসন মানুষকে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ও অন্যান্য শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। ধ্যান ও মননশীলতা আমাদের একাগ্রতা, সমবেদনা, শান্তি ও সাম্প্রদায়িকয়তাকে উন্নত করে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টিগুণবিষয়ক উপলব্ধি আমাদেরকে ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং আত্মিক শান্তি অর্জন করতে সাহায্য করে। সুস্বাস্থ্যের এই পথচলায় সঙ্গী হতে ও ‘স্রোতের প্রতি আত্মসমর্পণ’ করতে, ঘুরে আসা যেতে পারে ঢাকা ফ্লোর ওয়েবসাইট থেকে। আর ঢাকা ফ্লোকে অনুসরণ করা যেতে পারে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে।
ছবি: সংগৃহীত