
বিশ্বখ্যাত এয়ারলাইনস এমিরেটস তাদের ইন-ফ্লাইট ডাইনিং অভিজ্ঞতায় নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। চলতি বছরে সংস্থাটির যাত্রীরা ৬ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি প্রিমিয়াম চকলেট উপভোগ করেছেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ বেশি বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনটি।

শুধু চকলেটই নয়, প্রতিবছর এমিরেটসের ফ্লাইট নেটওয়ার্কে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ চকলেট ডেজার্ট পরিবেশন করা হয়। ইকোনমি, প্রিমিয়াম ইকোনমি, বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাস—সব শ্রেণির যাত্রীদের জন্যই থাকে বিশেষভাবে তৈরি নানা ধরনের চকলেটভিত্তিক ডেজার্ট। এ জন্য বছরে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার কেজি প্রিমিয়াম চকলেট এবং অতিরিক্ত ২ লাখ ৬০ হাজার কেজি চকলেট উপাদান ব্যবহার করা হয়।
এমিরেটস জানায়, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চকলেট প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে কাজ করে তারা দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার নির্বাচিত অঞ্চল থেকে সংগৃহীত কোকো ব্যবহার করে। পণ্যের উৎকৃষ্ট মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল সংগ্রহ ও টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়াকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এয়ারলাইনটির ২৫০ জনেরও বেশি পেস্ট্রি ও বেকারি শেফের দল প্রতি বছর ১২০টির বেশি ধরনের চকলেট ডেজার্ট তৈরি করেন। যাত্রীদের পছন্দের ভিত্তিতে নিয়মিত নতুন আইটেমও যুক্ত করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে ডার্ক চকলেট ও সল্টেড ক্যারামেল ফ্লেভারের জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
চকলেটের এই অভিজ্ঞতা শুরু হয় ফ্লাইটে ওঠার আগেই। ফার্স্ট ও বিজনেস ক্লাস লাউঞ্জে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারেন প্রিমিয়াম চকলেট, ডেজার্ট ও কনফেকশনারির বিশেষ আয়োজন। আর ফ্লাইটে প্রতিটি কেবিনের জন্য আলাদা মেনু থাকায় সব শ্রেণির যাত্রীরাই পান ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা।

যাত্রীদের জন্য নতুন স্বাদের সন্ধানে এমিরেটস নিয়মিত বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম চকলেট পরিবেশন করে। এর মাধ্যমে আকাশযাত্রাকে শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যম নয়, বরং একটি স্মরণীয় গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতায় রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে এয়ারলাইনটি।
ছবি: এমিরেটস