
মিস ইন্টারন্যাশনালের ৬২তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন দেশের টপ মডেল নুজহাত তাবাসসুম এফা। জাপানের ঘটনাবহুল দিনগুলোর অভিজ্ঞতা নিয়মিত শেয়ার করছেন হাল ফ্যাশনের সঙ্গে।


উৎসবমুখর একটি ফটোশুটের আয়োজন ছিল এদিন। হলদে রঙের পোশাকে বেশ ফুরফুরে দেখাচ্ছিল এফাকে। এই ফটেোশুনে তিনি পরেছিলেন ‘দ্য ড্রেস রুম’-এর নজরকাড়া হলুদ রংয়ের অফ শোল্ডার গাউন।

দিনের বেলা উইমেনস বিজনেস ফোরামের অনুসরণীয় সব ব্যক্তির সঙ্গে এদিন সাক্ষাৎ হয় সব দেশের প্রতিযোগীদের। যার প্রভাব এই প্রতিযোগিতার পরও তাঁকে প্রাণিত করবে বলে জানান এফা। সেদিন সন্ধ্যায় ছিল চ্যারিটি অকশান ও রাতের খাবারের আয়োজন। এখানে মূলত সব দেশের প্রতিযোগীরা উপহার নিয়ে উপস্থিত হন। সেই উপহারগুলো থেকে সেরা কয়েকটি বাছাই করে নিলামে তোলা। এই নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ যাবে ইউনসকোতে চ্যারিটি হিসেবে। এবার যে সাতটি দেশের উপহার নির্বাচিত হয়েছে, এর মধ্যে আছে বাংলাদেশ। এফা নিয়ে গিয়েছিলেন আড়ংয়ের দেওয়া সিল্কের নকশিকাঁথা। এদিনের সান্ধ্য আয়োজনে এফা পরেছিলেন ইয়াসিন আহমেদ সকালের নকশা করা একটি পোশাক।


মিস ইন্টারন্যাশনালের প্রতিযোগীদের অষ্টম ও নবম দিন কাটে ফুকুশিমায়। সেখানকার তোমিওকা শহরের নিকো নিকো স্কুলে গিয়ে দারুণ সব অভিজ্ঞতা হয় তাঁর। বাচ্চাদের স্কুলে গিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া বয়স্কদের নার্সিং হোম ‘সাকোরানোসোনো’ও ঘুরে দেখার সুযোগ হয় তাঁর।

তারপর এফারা ঘুরে দেখেন তোমিওকার জাদুঘর। জাপানের পুরোনো সমৃদ্ধি ও বিভিন্ন সময়ের প্রতিকূলতার ইতিহাস তাঁকে রোমাঞ্চিত করে বলে জানান এই মডেল। বিশেষ করে সুনামির নানা স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে এখানে। এদিন তাঁরা তোমিওকার মেয়রের সঙ্গে চেরি ব্লসম গাছ লাগান। অষ্টম দিনে এফা পরেছিলেন যাবিন ইকবালের ডিজাইন করা পোশাক।
তোমিওকার ওয়াইনেরি থেকে পরের দিন তাঁরা গিয়েছিলেন ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘুরে দেখতে।


তোমিওকার গোলাপ বাগান সফর দিয়ে শেষ হয় তাঁদের ফুকুশিমা সফর। তবে শহর আগে মেয়র এই ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানে তাঁদের সম্মানে জাপানের ট্র্যাডিশনাল ড্রাম বাজানো হয়। সেখানে তাঁরাও ড্রাম বাজান। এই আয়োজন দারুণ মজার ও উপভোগ্য ছিল। মেয়রের আতিথিয়েতায় মুগ্ধ তাঁরা সবাই, জানিয়েছেন উচ্ছ্বসিত এফা।
ছবি: নুজহাত তাবাসসুম এফা