রঙে-নকশায় ২৫ বছরের উৎসব: চট্টগ্রামে ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল–প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন’
শেয়ার করুন
ফলো করুন

চট্টগ্রাম আবারও দেখল রঙের জাদু, নকশার মুগ্ধতা আর সৃজনশীলতা। নগরীর হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে সম্প্রতি বসেছিল ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল–প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন’-এর ২৫তম আসর। ঈদ সামনে রেখে আয়োজিত এই বিশেষ সন্ধ্যায় এক ছাদের নিচে মিলিত হন ডিজাইনার, মডেল, শিল্পী ও ফ্যাশনপ্রেমীরা। পোশাকের নতুন ধারা, ঐতিহ্যের পুনর্নির্মাণ, আধুনিক কাটছাঁট ও রঙের সাহসী ব্যবহার—সব মিলিয়ে মঞ্চজুড়ে তৈরি হয় এক বর্ণিল উপস্থাপনা, যা উপস্থিত দর্শকদের জন্য হয়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন এক অভিজ্ঞতা। ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে চট্টগ্রামে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই ফ্যাশন আয়োজন। ২৫তম আয়োজন তাই শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এক উদ্‌যাপনও। সময়ের সঙ্গে বদলেছে ট্রেন্ড, বদলেছে উপস্থাপনার ভঙ্গি, তবু উৎসবের প্রাণস্পন্দন রয়ে গেছে অটুট। সেই ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সেতুবন্ধ আবারও রাঙিয়ে দিল বন্দরনগরীকে। ছবির গল্পে রইল সেই বর্ণিল সন্ধ্যার ঝলক। ছবি তুলেছেন সৌরভ দাশ

১/২০
চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল–প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন’। আয়োজনের মূলে ছিল ফ্যাশন শো।
চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউর মেজবান হলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল–প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন’। আয়োজনের মূলে ছিল ফ্যাশন শো।
বিজ্ঞাপন
২/২০
 ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজন নিয়মিতভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এদিন ফ্যাশন শোর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজনও দর্শক উপভোগ করেন। তৈরি হয় উৎসবমুখর সন্ধ্যা।
১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজন নিয়মিতভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এদিন ফ্যাশন শোর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজনও দর্শক উপভোগ করেন। তৈরি হয় উৎসবমুখর সন্ধ্যা।
বিজ্ঞাপন
৩/২০
এদিন ঈদ সামনে রেখে নতুন পোশাকের ট্রেন্ড দেখতে উপস্থিত হন ফ্যাশনপ্রেমীরা।
এদিন ঈদ সামনে রেখে নতুন পোশাকের ট্রেন্ড দেখতে উপস্থিত হন ফ্যাশনপ্রেমীরা।
৪/২০
এবার ছিল আয়োজনটির ২৫তম আসর। এতে মোট সাতজন নির্বাচিত ডিজাইনার অংশ নেন। তাঁরা তাঁদের ঈদ কালেকশন তুলে ধরেন।
এবার ছিল আয়োজনটির ২৫তম আসর। এতে মোট সাতজন নির্বাচিত ডিজাইনার অংশ নেন। তাঁরা তাঁদের ঈদ কালেকশন তুলে ধরেন।
৫/২০
প্রতিটি ডিজাইনার তাঁদের নিজস্ব একক কিউ উপস্থাপন করেন।
প্রতিটি ডিজাইনার তাঁদের নিজস্ব একক কিউ উপস্থাপন করেন।
৬/২০
ঈদের আবহ, সমসাময়িক ট্রেন্ড ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনই ছিল তাঁদের নকশার মূল দিক।
ঈদের আবহ, সমসাময়িক ট্রেন্ড ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনই ছিল তাঁদের নকশার মূল দিক।
৭/২০
আলাদা থিম ও গল্প নিয়ে সাজানো এই ফ্যাশন শোতে পোশাকের নকশায় প্রকাশ পেয়েছে বৈচিত্র্যতা।
আলাদা থিম ও গল্প নিয়ে সাজানো এই ফ্যাশন শোতে পোশাকের নকশায় প্রকাশ পেয়েছে বৈচিত্র্যতা।
৮/২০
র‍্যাম্পে উঠে আসে শাড়ি, আকর্ষণীয় সালোয়ার–কামিজ ও পাঞ্জাবির মতো চিরায়ত পোশাকের সংগ্রহ। পটভূমিতে বাজতে থাকে কাজী নজরুল ইসলামের গান। রং, আলোকসজ্জা ও সুরের সমন্বয়ে মিলনায়তনে তৈরি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ।
র‍্যাম্পে উঠে আসে শাড়ি, আকর্ষণীয় সালোয়ার–কামিজ ও পাঞ্জাবির মতো চিরায়ত পোশাকের সংগ্রহ। পটভূমিতে বাজতে থাকে কাজী নজরুল ইসলামের গান। রং, আলোকসজ্জা ও সুরের সমন্বয়ে মিলনায়তনে তৈরি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ।
৯/২০
কোথাও ঐতিহ্যের নতুন উপস্থাপনা, কোথাও আধুনিকতার উপস্থিতি। বসন্ত, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে থিমভিত্তিক উপস্থাপনায় সাজানো হয় সংগ্রহগুলো।
কোথাও ঐতিহ্যের নতুন উপস্থাপনা, কোথাও আধুনিকতার উপস্থিতি। বসন্ত, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে থিমভিত্তিক উপস্থাপনায় সাজানো হয় সংগ্রহগুলো।
১০/২০
র‍্যাম্পে মডেলদের উপস্থিতি ছিল বহুরূপী। শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ, পাঞ্জাবি ছাড়াও শার্ট, লেহেঙ্গা ও গাউন সবকিছুই জায়গা করে নেয় ।
র‍্যাম্পে মডেলদের উপস্থিতি ছিল বহুরূপী। শাড়ি, সালোয়ার–কামিজ, পাঞ্জাবি ছাড়াও শার্ট, লেহেঙ্গা ও গাউন সবকিছুই জায়গা করে নেয় ।
১১/২০
একই ডিজাইনারের উপস্থাপনাতেই ধরা পড়ে ভিন্নধর্মিতা।
একই ডিজাইনারের উপস্থাপনাতেই ধরা পড়ে ভিন্নধর্মিতা।
১২/২০
কোনো পোশাকে পরিমিত  নকশা, আবার কোনোটি ভারী অলংকরণে সমৃদ্ধ। রঙের ক্ষেত্রেও তাই। কোথাও কোমল টোনের মাধুর্য, কোথাও গভীর শেডের তীব্র উপস্থিতি।
কোনো পোশাকে পরিমিত  নকশা, আবার কোনোটি ভারী অলংকরণে সমৃদ্ধ। রঙের ক্ষেত্রেও তাই। কোথাও কোমল টোনের মাধুর্য, কোথাও গভীর শেডের তীব্র উপস্থিতি।
১৩/২০
ডিজাইনারদের মতে, ঈদের পোশাক পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে আরামদায়ক কাপড় ও ঋতুর উপযোগিতা। রং নির্বাচনে প্রাধান্য পেয়েছে উজ্জ্বল ও মৃদু শেডের সামঞ্জস্যতা।
ডিজাইনারদের মতে, ঈদের পোশাক পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে আরামদায়ক কাপড় ও ঋতুর উপযোগিতা। রং নির্বাচনে প্রাধান্য পেয়েছে উজ্জ্বল ও মৃদু শেডের সামঞ্জস্যতা।
১৪/২০
সংগ্রহে ঐতিহ্যবাহী মোটিফগুলোকে আধুনিক কাট ও মিনিমাল স্টাইলের ছোঁয়ায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
সংগ্রহে ঐতিহ্যবাহী মোটিফগুলোকে আধুনিক কাট ও মিনিমাল স্টাইলের ছোঁয়ায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
১৫/২০
পুরো আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলালের ফ্যাশন কিউ। মডেলরা জমকালো শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে র‍্যাম্প মাতান এদিন।
পুরো আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলালের ফ্যাশন কিউ। মডেলরা জমকালো শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে র‍্যাম্প মাতান এদিন।
১৬/২০
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্মাতা রেদওয়ান রনি।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্মাতা রেদওয়ান রনি।
১৭/২০
শুধু ফ্যাশনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এ আয়োজন। ফ্যাশন কিউর ফাঁকে গান শুনিয়েছেন তরুণ শিল্পী আরিয়ান চৌধুরী, আর নৃত্য পরিবেশন করেছেন প্রমা অবন্তি ও স্বপন বড়ুয়া।
শুধু ফ্যাশনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এ আয়োজন। ফ্যাশন কিউর ফাঁকে গান শুনিয়েছেন তরুণ শিল্পী আরিয়ান চৌধুরী, আর নৃত্য পরিবেশন করেছেন প্রমা অবন্তি ও স্বপন বড়ুয়া।
১৮/২০
অনুষ্ঠানের সহযোগী ছিল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ ও ফ্যাশন হাউস মেঘরোদ্দুর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল প্রথম আলো চট্টগ্রাম বন্ধুসভা।
অনুষ্ঠানের সহযোগী ছিল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ ও ফ্যাশন হাউস মেঘরোদ্দুর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল প্রথম আলো চট্টগ্রাম বন্ধুসভা।
১৯/২০
রূপচর্চার সহযোগী ছিল পারসোনা।
রূপচর্চার সহযোগী ছিল পারসোনা।
২০/২০
সমাপনী পর্বে আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল বাংলাদেশের কর্ণধার শিবলি মাহমুদ সুমন বলেন, ‘প্রতিটি পোশাকেই নকশা, রং বাছাই ও ভাবনায় তারুণ্যের ছোঁয়া স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পোশাকগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে আমাদের ঐতিহ্য।’ এমন আয়োজনে যুক্ত থাকতে পেরে তাঁরা আনন্দিত।
সমাপনী পর্বে আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল বাংলাদেশের কর্ণধার শিবলি মাহমুদ সুমন বলেন, ‘প্রতিটি পোশাকেই নকশা, রং বাছাই ও ভাবনায় তারুণ্যের ছোঁয়া স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পোশাকগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে আমাদের ঐতিহ্য।’ এমন আয়োজনে যুক্ত থাকতে পেরে তাঁরা আনন্দিত।
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ৩১
বিজ্ঞাপন