
১৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ এবং অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ বাংলাদেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশন। এর মাধ্যমে দেশের শেফরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রন্ধনশিল্পীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পথও আরও প্রসারিত হবে।
রন্ধনশিল্প এখন শুধু খাবার তৈরি বা পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পেশাগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নতুন কৌশল শেখা এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়টি। এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের শেফদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
দেশের রন্ধনশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছে বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি এবং তাঁদের পেশাগত বিকাশে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রতিনিধিরা।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের রন্ধনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থেকে উপকৃত হতে পারেন। বিশেষ করে যাঁরা শেফ হিসেবে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিস বা ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করা সংগঠনটির কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ওয়ার্ল্ডশেফসের ন্যাশনাল মেম্বারশিপ অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশনের সামনে আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হলো। দেশের শেফদের দক্ষতা উন্নয়ন, নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষিত করা এবং বাংলাদেশের রন্ধনশিল্পকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সদস্যপদ কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।