
আলোকি কনভেনশন সেন্টার, রাজধানী ঢাকার ফ্যাশনপ্রেমী ও ফ্যাশনিস্তাদের আগ্রহের কেন্দ্রস্থল। এখানেই ১৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে আর্কা ফ্যাশন উইক। আজ ১৬ জুন এই ফ্যাশন সপ্তাহের শেষদিন। বেলা এগারোটা থেকেই শুরু হয়েছিল এ আসর। দুপুর গড়াতেই বাড়তে থাকে ভীড়। ভীড়ের একটা বড় অংশই ছিল মার্কেটপ্লেস ও ডিজাইন ল্যাবকে কেন্দ্র করে।


তবে গত তিনদিনের তুলনায় আজ ডিজাইন ল্যাবের ভীড় মার্কেটপ্লেসের চাইতে তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। এখানে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে কাস্টমাইজ করা টোট ব্যাগ ও টিশার্টের দিকে ঝুঁকছিলেন ক্রেতারা।


ছিল টিশার্টে স্টিকার, ব্লক, হ্যান্ডপেইন্ট, টাই-ডাই ও স্প্রে প্রিন্ট করার ব্যবস্থা। ভীড় জমেছিল ফটোবুথগুলোতেও। সুন্দর সুন্দর ছবি তুলতে কার না ভালো লাগে!
দুপুর তিনটায় ছিল আইস মিডিয়া লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমিয়া খন্দকারের মডারেশনে আলোচনা সভা।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন দেশীয় ফ্যাশন ব্রান্ড কে ক্রাফটের প্রতিষ্ঠাতা খালিদ মাহমুদ খান, ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার সোবিয়া আমিন ও টেপার্ডের কর্ণধার রায়ান চৌধুরী। সেমিনারে আলোচকগণ বাংলাদেশের ফ্যাশন ক্ষেত্রে রিটেইল বাজারের ঘাটতি ও ভোক্তাদের চাহিদার ধরণ সম্পর্কে বেশ বিস্তারিত ও জোরালো বক্তব্য রাখেন।
বিকেলের ফ্যাশন শোয়ে চারটি কিউতে মোট আটজন ডিজাইনারের অভিনব সৃজন প্রদর্শিত হয়। প্রথম সারিতে সবার মন কেড়ে নেয় ব্র্যান্ড গ্লি এর গ্রীষ্মের ছুটি কালেকশন ও ছাপ এর বাঁশির সুরে সুরে শুরু করা অভিনব ওয়াক। এছাড়াও ছিল মন মাতানো রানো, টুইলস, বাহার বাই নিশাত খান, রয়েল বেঙ্গল কতুর, দানিয়া, গুজেল ও আর্কা স্টুডিওর জেন জি স্টেটমেন্ট ব্র্যান্ড কাঁঠাল।

এরপরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই ফ্যাশন উইকের ঘটনাবহুল চার দিনের কার্যক্রম। এরপর মঞ্চ মাতাতে আসে চার জনপ্রিয় ব্যান্ড সাইতারা, নাই, জোনাকি ও ইজহাকো। উল্লেখ্য আর্কা ফ্যাশন উইকের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে ছিল দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ওয়েব পোর্টাল হাল ফ্যাশন।
ছবি: আশিকুর রহমান