যুক্তরাজ্য, ১৮২৪ সালে জন ক্যাডবেরি প্রতিষ্ঠিত এই চকলেট আজ ভারতসহ বহু দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ও জনপ্রিয় চকলেট। নরম মিল্ক চকলেট এবং সহজলভ্যতাই একে বিশ্বজুড়ে ভালোবাসার নাম বানিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১৮৯৪ সালে তৈরি হারশিস কিসেস। ছোট ছোট প্যাকেটে মোড়ানো চকলেট। এটি শুধু চকলেট নয়, এক আবেগও। বিশেষ করে আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য।
ইতালির বিলাসবহুল এই চকলেট কোম্পানি, ১৯৮২ সালে শুরু হয়। হ্যাজেলনাট ও চকলেটের অসাধারণ সংমিশ্রণ, মোড়কটিও দরুন আকর্ষণীয়। বিশ্বজুড়ে উপহার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৫২ সালে সান ফ্রান্সেসকো প্রতিষ্ঠিত এই ব্র্যান্ড মূলত চকলেট স্কোয়ার এবং বেকিং চকলেটের জন্য বিখ্যাত। এদের নিজস্ব চকলেট কারখানাও একটি জনপ্রিয় টুরিস্ট স্পট।
নেস্লের অধীনে তৈরি কিট-ক্যাট চকলেট বার ‘টেক এ ব্রেক’ স্লোগান ও স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। এতে রয়েছে মচমচে ওয়েফার ও চকলেটের নিখুঁত সমন্বয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৩২ সালে তৈরি শুরু হয় এই চকলেট। ক্যারামেল, চকলেট ও বাদামের সংমিশ্রণে এর স্বাদ অতুলনীয়। মার্স করপোরেশনের আরও জনপ্রিয় পণ্য হচ্ছে স্নিকার্স, এম অ্যান্ড এম’স্, গ্যালাক্সি ইত্যাদি।
সুইজারল্যান্ডের ত্রিকোণাকৃতির এই চকলেট তৈরি শুরু হয় ১৯০৮ সালে। মধু, বাদাম ও চকলেটের সংমিশ্রণে তৈরি এই চকলেট। যা সুইজারল্যান্ডের আলপাইন পর্বতমালার অনুপ্রেরণায় ডিজাইন করা।
সামুদ্রিক শাঁকু আকৃতির এই প্রিমিয়াম চকলেট ১৯৫৮ সালে গুই ফুবার্ট তৈরি করেন। বেলজিয়াম চকলেটের ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক হিসেবে এটি বিশ্ববিখ্যাত।
১৯৩৪ সালে কোট ড’অর কোম্পানি তৈরি করে এই চকলেট-টফি সংমিশ্রণের ক্যানডি। চকলেট প্রলেপের ভেতর টফির নরম পুর দেওয়া। যা পুরোপুরি বেলজিয়ামের ঐতিহ্যবাহী স্বাদ।
বিশ্বের অন্যতম দামি চকলেট ব্র্যান্ড। তৈরি হয় দুর্লভ ‘ন্যাশনাল কোকো’ বীজ দিয়ে। ২০১৩ সালে ইকুয়েডরে প্রতিষ্ঠিত এই ব্র্যান্ডের প্রতিটি চকলেটের স্বাদ ও গন্ধ অসাধারণ। যা গুণগতমানের প্রতীক।